চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও গত দুই দিনের ভারী বর্ষণে হবিগঞ্জের চুনারুঘাটের খোয়াই ও সুতাং নদের পানি বেড়েছে। ইতিমধ্যে অর্ধশত গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। পানিতে তলিয়ে গেছে কয়েক হাজার হেক্টর আউশ ফসল।
আজ সোমবার খোয়াই নদের বাল্লা পয়েন্টে ১১০ সেন্টিমিটার পানি বৃদ্ধি পায়। উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের মধ্যে গাজীপুর, মিরাশি, রানীগাঁও, সাটিয়াজুরী, শানখলা ইউনিয়নের প্রায় ৫০টি গ্রামে পানি ঢুকে পড়েছে। এ অবস্থায় দুর্ভোগে পড়েছেন গ্রামবাসী।
এদিকে দুপুরে খোয়াই নদের চুনারুঘাট ব্রিজ পয়েন্টে ১০৫ সেন্টিমিটার পানি বেড়েছে। করাঙ্গী ও সুতাং নদীর পানিও হু হু করে বাড়ছে। এসব নদীর বাঁধ উপচে নদী এলাকার কয়েক শত একর জমির ফসল পানিতে তলিয়ে গেছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) হবিগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী শামীম হাসনাইন বলেন, ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে ভারী বর্ষণ হওয়ার কারণে খোয়াই নদেতে পানি বাড়ছে। পানি বৃদ্ধির পরিমাণ আশঙ্কাজনক। বিষয়টি সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হচ্ছে।
পাউবোর আরেকটি সূত্র জানিয়েছে, চুনারুঘাট উপজেলার উজানে খোয়াই নদের ভারত অংশে ব্যারেজ খুলে দেওয়ার ফলে পানির বৃদ্ধির মাত্রা বেড়েছে।
আজ দুপুরে উপজেলা সাটিয়াজুরী ও রানীগাঁও ইউনিয়নে গিয়ে দেখা গেছে বেশ কয়েকটি গ্রামে পানি ঢুকেছে। ফসলি জমিসহ পুকুর তলিয়ে গেছে।
সাটিয়াজুরী ইউনিয়নের করাঙ্গী নদীর বাঁশের সাঁকো ঢলের পানিতে ভেসে যাওয়ায় কুনাউড়া, কৃষ্ণপুর, চিলামি, দৌলতপুর, দারাগাঁওসহ সাত-আট গ্রামের মানুষের যোগাযোগ বন্ধ হয়ে পরেছে।
চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সিদ্ধার্থ ভৌমিক বলেন, ‘পানিতে প্লাবিত বেশ কয়েকটি গ্রাম পরিদর্শন করেছি। সার্বক্ষণিক খবর রাখতে ও ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করতে উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তাকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও গত দুই দিনের ভারী বর্ষণে হবিগঞ্জের চুনারুঘাটের খোয়াই ও সুতাং নদের পানি বেড়েছে। ইতিমধ্যে অর্ধশত গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। পানিতে তলিয়ে গেছে কয়েক হাজার হেক্টর আউশ ফসল।
আজ সোমবার খোয়াই নদের বাল্লা পয়েন্টে ১১০ সেন্টিমিটার পানি বৃদ্ধি পায়। উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের মধ্যে গাজীপুর, মিরাশি, রানীগাঁও, সাটিয়াজুরী, শানখলা ইউনিয়নের প্রায় ৫০টি গ্রামে পানি ঢুকে পড়েছে। এ অবস্থায় দুর্ভোগে পড়েছেন গ্রামবাসী।
এদিকে দুপুরে খোয়াই নদের চুনারুঘাট ব্রিজ পয়েন্টে ১০৫ সেন্টিমিটার পানি বেড়েছে। করাঙ্গী ও সুতাং নদীর পানিও হু হু করে বাড়ছে। এসব নদীর বাঁধ উপচে নদী এলাকার কয়েক শত একর জমির ফসল পানিতে তলিয়ে গেছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) হবিগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী শামীম হাসনাইন বলেন, ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে ভারী বর্ষণ হওয়ার কারণে খোয়াই নদেতে পানি বাড়ছে। পানি বৃদ্ধির পরিমাণ আশঙ্কাজনক। বিষয়টি সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হচ্ছে।
পাউবোর আরেকটি সূত্র জানিয়েছে, চুনারুঘাট উপজেলার উজানে খোয়াই নদের ভারত অংশে ব্যারেজ খুলে দেওয়ার ফলে পানির বৃদ্ধির মাত্রা বেড়েছে।
আজ দুপুরে উপজেলা সাটিয়াজুরী ও রানীগাঁও ইউনিয়নে গিয়ে দেখা গেছে বেশ কয়েকটি গ্রামে পানি ঢুকেছে। ফসলি জমিসহ পুকুর তলিয়ে গেছে।
সাটিয়াজুরী ইউনিয়নের করাঙ্গী নদীর বাঁশের সাঁকো ঢলের পানিতে ভেসে যাওয়ায় কুনাউড়া, কৃষ্ণপুর, চিলামি, দৌলতপুর, দারাগাঁওসহ সাত-আট গ্রামের মানুষের যোগাযোগ বন্ধ হয়ে পরেছে।
চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সিদ্ধার্থ ভৌমিক বলেন, ‘পানিতে প্লাবিত বেশ কয়েকটি গ্রাম পরিদর্শন করেছি। সার্বক্ষণিক খবর রাখতে ও ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করতে উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তাকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগে