নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট

কাস্টমস ডিউটি ও আমদানি শুল্ক বাড়ানোর প্রতিবাদে পাঁচ দিন বন্ধ থাকার পর সিলেটের তামাবিল ও সুতারকান্দি স্থলবন্দরসহ সব শুল্ক স্টেশন দিয়ে পাথর আমদানি শুরু হয়েছে। আজ সোমবার দুপুরে ভারত থেকে পাথর আমদানি শুরু হয়।
কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট সিলেটের উপকমিশনার (সদর দপ্তর) সোলাইমান হোসেন আজকের পত্রিকাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সোলাইমান হোসেন বলেন, বোল্ডার ও চুনাপাথরে আমদানিতে টন প্রতি যথাক্রমে ১১ ও সাড়ে ১১ ডলার থেকে ১২ সাড়ে ১২ ডলার করার প্রস্তাবনা ছিল। কিন্তু ব্যবসায়ীরা তাতে রাজি হননি। তাঁরা পাথর আমদানি বন্ধ রাখেন। গতকাল রোববার ব্যবসায়ীদের নিয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এক ডলারের ২৫ সেন্ট কমিয়ে অর্থাৎ ৭৫ সেন্ট করে টন প্রতি কাস্টমস ডিউটি (ইমপোর্ট অ্যাসেসমেন্ট রেট) ও ৩৬ টাকা রাজস্ব বাড়ানো হয়েছে। এতে সম্মত হয়ে ব্যবসায়ীরা আজ থেকে সবগুলো শুল্ক ও স্থলবন্দর দিয়ে পাথর-চুনাপাথর আমদানি শুরু করেছেন।
তবে বড়ছড়া, বাগলি, চাড়াগাওঁ শুল্ক স্টেশন বর্ষা জনিত কারণে বন্ধ রয়েছে। কয়লা কিংবা অন্য কোনো পণ্য আমদানি নিয়ে কোথাও কোনো ধরনের ব্যাঘাত সৃষ্টি হয়নি। এখন টন প্রতি বোল্ডার ১১ দশমিক ৭৫ ডলার ও চুনাপাথর ১২ দশমিক ২৫ ডলারে আমদানি করতে হবে বলেও জানান কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট সিলেটের উপকমিশনার সোলাইমান হোসেন।
তিনি আরও বলেন, প্রায় দুই বছর আগে বোল্ডার ও চুনাপাথরে আমদানিতে টন প্রতি যথাক্রমে ১১ ও সাড়ে ১১ ডলার ধার্য ছিল। এ ছাড়া ৭ ও ৮ বছর আগে বোল্ডার ও চুনাপাথর আমদানিতে টন প্রতি রাজস্ব ছিল ৯ ও সাড়ে ৯ ডলার।
ব্যবসায়ীরা জানান, আমদানি শুল্ক ও কাস্টমস ডিউটি বৃদ্ধির প্রতিবাদে গত বুধবার থেকে সিলেট বিভাগের সব স্থলবন্দর ও শুল্কস্টেশন দিয়ে পাথর ও চুনাপাথর আমদানি বন্ধ রাখা হয়। এতে সরকার দৈনিক ৫ কোটি টাকার রাজস্ব হারায়। বিপাকে পড়েন শ্রমিকেরাও। অবশেষে উভয় পক্ষের সমঝোতায় আমদানি শুরু হলে শ্রমিকেরাও খুশি।
তামাবিল চুনাপাথর, কয়লা আমদানিকারক গ্রুপের সভাপতি এম লিয়াকত আলী বলেন, ‘রোববার আলোচনার মাধ্যমে আমাদের দাবি-দাওয়া অনেকাংশে মেনে নেওয়া হয়েছে। ফলে আমরা সোমবার থেকে আমদানি শুরু করেছি।’

কাস্টমস ডিউটি ও আমদানি শুল্ক বাড়ানোর প্রতিবাদে পাঁচ দিন বন্ধ থাকার পর সিলেটের তামাবিল ও সুতারকান্দি স্থলবন্দরসহ সব শুল্ক স্টেশন দিয়ে পাথর আমদানি শুরু হয়েছে। আজ সোমবার দুপুরে ভারত থেকে পাথর আমদানি শুরু হয়।
কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট সিলেটের উপকমিশনার (সদর দপ্তর) সোলাইমান হোসেন আজকের পত্রিকাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সোলাইমান হোসেন বলেন, বোল্ডার ও চুনাপাথরে আমদানিতে টন প্রতি যথাক্রমে ১১ ও সাড়ে ১১ ডলার থেকে ১২ সাড়ে ১২ ডলার করার প্রস্তাবনা ছিল। কিন্তু ব্যবসায়ীরা তাতে রাজি হননি। তাঁরা পাথর আমদানি বন্ধ রাখেন। গতকাল রোববার ব্যবসায়ীদের নিয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এক ডলারের ২৫ সেন্ট কমিয়ে অর্থাৎ ৭৫ সেন্ট করে টন প্রতি কাস্টমস ডিউটি (ইমপোর্ট অ্যাসেসমেন্ট রেট) ও ৩৬ টাকা রাজস্ব বাড়ানো হয়েছে। এতে সম্মত হয়ে ব্যবসায়ীরা আজ থেকে সবগুলো শুল্ক ও স্থলবন্দর দিয়ে পাথর-চুনাপাথর আমদানি শুরু করেছেন।
তবে বড়ছড়া, বাগলি, চাড়াগাওঁ শুল্ক স্টেশন বর্ষা জনিত কারণে বন্ধ রয়েছে। কয়লা কিংবা অন্য কোনো পণ্য আমদানি নিয়ে কোথাও কোনো ধরনের ব্যাঘাত সৃষ্টি হয়নি। এখন টন প্রতি বোল্ডার ১১ দশমিক ৭৫ ডলার ও চুনাপাথর ১২ দশমিক ২৫ ডলারে আমদানি করতে হবে বলেও জানান কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট সিলেটের উপকমিশনার সোলাইমান হোসেন।
তিনি আরও বলেন, প্রায় দুই বছর আগে বোল্ডার ও চুনাপাথরে আমদানিতে টন প্রতি যথাক্রমে ১১ ও সাড়ে ১১ ডলার ধার্য ছিল। এ ছাড়া ৭ ও ৮ বছর আগে বোল্ডার ও চুনাপাথর আমদানিতে টন প্রতি রাজস্ব ছিল ৯ ও সাড়ে ৯ ডলার।
ব্যবসায়ীরা জানান, আমদানি শুল্ক ও কাস্টমস ডিউটি বৃদ্ধির প্রতিবাদে গত বুধবার থেকে সিলেট বিভাগের সব স্থলবন্দর ও শুল্কস্টেশন দিয়ে পাথর ও চুনাপাথর আমদানি বন্ধ রাখা হয়। এতে সরকার দৈনিক ৫ কোটি টাকার রাজস্ব হারায়। বিপাকে পড়েন শ্রমিকেরাও। অবশেষে উভয় পক্ষের সমঝোতায় আমদানি শুরু হলে শ্রমিকেরাও খুশি।
তামাবিল চুনাপাথর, কয়লা আমদানিকারক গ্রুপের সভাপতি এম লিয়াকত আলী বলেন, ‘রোববার আলোচনার মাধ্যমে আমাদের দাবি-দাওয়া অনেকাংশে মেনে নেওয়া হয়েছে। ফলে আমরা সোমবার থেকে আমদানি শুরু করেছি।’

রাজশাহী শহরে নির্মাণাধীন চারটি ফ্লাইওভারের নকশা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, নকশার ত্রুটির কারণে ফ্লাইওভারগুলো চালু হলে উল্টো সেগুলোর মুখেই যানজট সৃষ্টি হতে পারে। এ নিয়ে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনার আ ন ম বজলুর রশীদ ৬ জানুয়ারি সংশ্লিষ্টদের নিয়ে জরুরি বৈঠক ডেকেছেন।
৯ মিনিট আগে
পদ্মা সেতুর দক্ষিণ প্রান্ত-সংলগ্ন মাদারীপুরের শিবচর এবং শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার জায়গা নিয়ে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় তাঁতপল্লি নির্মাণের কাজ শুরু করে ২০১৮ সালের শেষের দিকে। কাজের বেশ অগ্রগতিও হয়েছিল। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর বন্ধ হয়ে যায় প্রকল্পের কাজ।
২৪ মিনিট আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নরসিংদীর পাঁচটি সংসদীয় আসনে ভোটের মাঠ ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। চায়ের আড্ডা থেকে শুরু করে গ্রামগঞ্জের অলিগলিতে প্রার্থী ও সমর্থকদের প্রচার-প্রচারণায় ছড়িয়ে পড়েছে নির্বাচনী আমেজ।
৩৯ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহীর ছয়টি সংসদীয় আসনে ৩৮টি মনোনয়নপত্র দাখিল হয়েছে। এর মধ্যে একজন প্রার্থী দুটি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। সে হিসেবে ভোটের মাঠে আছেন ৩৭ জন। তাঁদের মধ্যে ৩৪ জন অর্থাৎ প্রায় ৯২ শতাংশ প্রার্থীই উচ্চশিক্ষিত।
১ ঘণ্টা আগে