নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট

সিলেটে ছাত্রলীগের সঙ্গে ছাত্রদল-শিবিরের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। আজ বুধবার সকালে সিলেট নগরীর বন্দরবাজারে এই ঘটনা ঘটে। তাতে পথচারীসহ অন্তত সাতজন আহত হয়। এ ঘটনায় পুলিশ বিএনপি ও ছাত্রদলের ছয় নেতা-কর্মীকে আটক করেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, আজ বুধবার বেলা ১১টার দিকে সিলেট জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা বন্দরবাজারের জেলরোড এলাকা থেকে মিছিল বের করেন। এ সময় বাধা দিলে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ বাধে। একপর্যায়ে পুলিশ পিছু হটতে বাধ্য হয়। এ সময় করিম উল্লাহ মার্কেটের উল্টো গলি থেকে মিছিল বের করে জামায়াত-শিবিরের নেতা-কর্মীরা। মিছিল নিয়ে তাঁরা স্থানীয় করিম উল্লাহ মার্কেটের সামনের সড়কে অবস্থান নেন।
একই স্থানে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা আগে থেকেই অবস্থান নিয়েছিলেন। এ সময় করিম উল্লাহ মার্কেটের সামনের সড়ক দিয়ে ছাত্রলীগের তেলিহাওর গ্রুপ হরতালবিরোধী মিছিল নিয়ে যাচ্ছিল। সেই মিছিলে ছাত্রদল ও শিবিরের নেতা-কর্মীরা হামলা চালান। তাতে ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতা-কর্মী আহত হন। পরে পুলিশের উপস্থিতিতে ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতারা পাল্টা ধাওয়া দেন।
একই সময়ে দক্ষিণ সুরমায় সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের আলীনগর-সাবসেন এলাকায় বিএনপি-ছাত্রলীগের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। কিছু সময়ের জন্য সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এ ঘটনায় কয়েকজন আহত হন। গুরুতর আহত একজনকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
সিলেট মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (উত্তর গণমাধ্যম) আজবাহার আলী শেখ বলেন, বন্দরবাজারে সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশ ছয়জনকে আটক করেছে। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ সর্বদা প্রস্তুত।
ছাত্রদল ও বিএনপির ছয় নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমরান আহমদ চৌধুরী ও মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী।
গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে ওই নেতারা বলেন, ‘বন্দরবাজার এলাকায় ছাত্রদলের মিছিলে বিনা উসকানিতে পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়েছে। যা সিলেটের রাজনৈতিক সম্প্রীতিতে কালো অধ্যায় হয়ে থাকবে। একদিকে পুলিশের সামনে প্রকাশ্যে আওয়ামী লীগের ক্যাডাররা লাঠি হাতে উসকানি দিচ্ছে, অন্যদিকে পুলিশ আমাদের নিরীহ নিরস্ত্র ছয় নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে গেছে। অবৈধ ক্ষমতা দখলে রাখতে রাষ্ট্রযন্ত্রকে এমন নগ্নভাবে ব্যবহার খুবই উদ্বেগজনক।’
একই সঙ্গে আজ বুধবার এক বিবৃতিতে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য ও সিলেট মহানগর আমির মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম, নায়েবে আমির মাওলানা সোহেল আহমদ ও সেক্রেটারি মোহাম্মদ শাহজাহান আলী বলেন, ‘সরকার ফ্যাসিবাদী শাসনের সব সীমা অতিক্রম করেছে। বিরোধী মতের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীদের সঙ্গে এক হয়ে হামলা করেছে। মানুষের জানমালের নিরাপত্তায় নিয়োজিত পুলিশ বাহিনী সরকারদলীয় সন্ত্রাসীদের লাঠিয়াল বাহিনীর মতো আচরণ করছে। এই ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বিরত থাকার আহ্বান জানান তাঁরা। জনতার সরকার প্রতিষ্ঠিত হলে সকল জুলুমের বিচার বাংলার মাটিতে হবেই হবে।’

সিলেটে ছাত্রলীগের সঙ্গে ছাত্রদল-শিবিরের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। আজ বুধবার সকালে সিলেট নগরীর বন্দরবাজারে এই ঘটনা ঘটে। তাতে পথচারীসহ অন্তত সাতজন আহত হয়। এ ঘটনায় পুলিশ বিএনপি ও ছাত্রদলের ছয় নেতা-কর্মীকে আটক করেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, আজ বুধবার বেলা ১১টার দিকে সিলেট জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা বন্দরবাজারের জেলরোড এলাকা থেকে মিছিল বের করেন। এ সময় বাধা দিলে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ বাধে। একপর্যায়ে পুলিশ পিছু হটতে বাধ্য হয়। এ সময় করিম উল্লাহ মার্কেটের উল্টো গলি থেকে মিছিল বের করে জামায়াত-শিবিরের নেতা-কর্মীরা। মিছিল নিয়ে তাঁরা স্থানীয় করিম উল্লাহ মার্কেটের সামনের সড়কে অবস্থান নেন।
একই স্থানে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা আগে থেকেই অবস্থান নিয়েছিলেন। এ সময় করিম উল্লাহ মার্কেটের সামনের সড়ক দিয়ে ছাত্রলীগের তেলিহাওর গ্রুপ হরতালবিরোধী মিছিল নিয়ে যাচ্ছিল। সেই মিছিলে ছাত্রদল ও শিবিরের নেতা-কর্মীরা হামলা চালান। তাতে ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতা-কর্মী আহত হন। পরে পুলিশের উপস্থিতিতে ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতারা পাল্টা ধাওয়া দেন।
একই সময়ে দক্ষিণ সুরমায় সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের আলীনগর-সাবসেন এলাকায় বিএনপি-ছাত্রলীগের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। কিছু সময়ের জন্য সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এ ঘটনায় কয়েকজন আহত হন। গুরুতর আহত একজনকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
সিলেট মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (উত্তর গণমাধ্যম) আজবাহার আলী শেখ বলেন, বন্দরবাজারে সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশ ছয়জনকে আটক করেছে। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ সর্বদা প্রস্তুত।
ছাত্রদল ও বিএনপির ছয় নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমরান আহমদ চৌধুরী ও মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী।
গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে ওই নেতারা বলেন, ‘বন্দরবাজার এলাকায় ছাত্রদলের মিছিলে বিনা উসকানিতে পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়েছে। যা সিলেটের রাজনৈতিক সম্প্রীতিতে কালো অধ্যায় হয়ে থাকবে। একদিকে পুলিশের সামনে প্রকাশ্যে আওয়ামী লীগের ক্যাডাররা লাঠি হাতে উসকানি দিচ্ছে, অন্যদিকে পুলিশ আমাদের নিরীহ নিরস্ত্র ছয় নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে গেছে। অবৈধ ক্ষমতা দখলে রাখতে রাষ্ট্রযন্ত্রকে এমন নগ্নভাবে ব্যবহার খুবই উদ্বেগজনক।’
একই সঙ্গে আজ বুধবার এক বিবৃতিতে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য ও সিলেট মহানগর আমির মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম, নায়েবে আমির মাওলানা সোহেল আহমদ ও সেক্রেটারি মোহাম্মদ শাহজাহান আলী বলেন, ‘সরকার ফ্যাসিবাদী শাসনের সব সীমা অতিক্রম করেছে। বিরোধী মতের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীদের সঙ্গে এক হয়ে হামলা করেছে। মানুষের জানমালের নিরাপত্তায় নিয়োজিত পুলিশ বাহিনী সরকারদলীয় সন্ত্রাসীদের লাঠিয়াল বাহিনীর মতো আচরণ করছে। এই ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বিরত থাকার আহ্বান জানান তাঁরা। জনতার সরকার প্রতিষ্ঠিত হলে সকল জুলুমের বিচার বাংলার মাটিতে হবেই হবে।’

নীলফামারীর সৈয়দপুরে আওয়ামী লীগ নেতা ও বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে প্রায় অর্ধশতাধিক নেতা-কর্মী বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। গতকাল রোববার রাতে নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ) আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী অধ্যক্ষ মো. আব্দুল গফুর সরকারের হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে তাঁরা আনুষ্ঠানিকভাবে...
৪২ মিনিট আগে
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম হলের একটি কক্ষ থেকে ২০ বোতল বিদেশি মদ জব্দ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। গতকাল রোববার রাত আনুমানিক ১০টার দিকে গোপন সূত্রের ভিত্তিতে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম হল প্রশাসন ও হল সংসদের যৌথ উদ্যোগে একটি অভিযান পরিচালনা করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আর্থিক সহযোগিতা চেয়ে ফেসবুকে ভিডিও প্রকাশ করেছেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির প্রার্থী মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান ভূঁইয়া ওরফে ব্যারিস্টার ফুয়াদ। তিনি রোববার রাত ১০টার দিকে নিজের ফেসবুক আইডিতে এই ভিডিও বার্তা দেন।
১ ঘণ্টা আগে
খুলনা-১ আসনে (দাকোপ-বটিয়াঘাটা) নির্বাচনী লড়াইয়ে মাঠে আছেন ১০ প্রার্থী। তাঁদের মধ্যে বার্ষিক আয়ে এগিয়ে বিএনপির প্রার্থী আমির এজাজ খান। আর সম্পদে এগিয়ে জামায়াতের প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী। নির্বাচন অফিসে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
৯ ঘণ্টা আগে