জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে বোরো ধানের চারা রোপণের ধুম পড়েছে। ঘন কুয়াশা ও কনকনে শীত উপেক্ষা করে ফসলের মাঠে রোপণ কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকেরা।
হাওর ঘুরে দেখা গেছে, উপজেলার সর্ববৃহৎ নলুয়ার হাওর ও মইয়ার হাওরজুড়ে বোরো আবাদে মাঠে কাজ করছেন কৃষক ও শ্রমিকেরা। কেউ বীজতলা থেকে চারা তুলে জমিতে রোপণ করছেন, আবার কেউ জমিতে ট্রাক্টর দিয়ে হালচাষ করছেন।
কৃষকেরা জানান, নলুয়া হাওরসহ এই উপজেলার ছোট-বড় ১৫টি হাওরে চারা রোপণের কাজ চলছে। হাওরের মাঠগুলো বর্তমানে কৃষকের পদচারণে মুখর হয়ে উঠেছে। খেতে খেতে চলছে চারা রোপণের উৎসব।
উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জগন্নাথপুরে এ বছর ২০ হাজার ৪২৫ হেক্টর জমিতে বোরো ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
মইয়ার হাওরের কৃষক সুলতান মিয়া বলেন, ‘বোরো চাষাবাদের উপযুক্ত সময় এখন। ঘন কুয়াশা ও প্রচণ্ড শীতের মধ্যেও ভোর থেকে বিকেল পর্যন্ত কাদাপানির মধ্যে খেতে কাজ করতে হয়। কারণ বোরো আমাদের এক ফসলি। এ ফসল থেকে সারা বছরের খাদ্যের জোগানের ব্যবস্থা করতে হয়।’
একই হাওরের নারিকেলতলা গ্রামের বাসিন্দা কৃষক টুনু মিয়া বলেন, ‘পৌষ থেকে মাঘ মাস পর্যন্ত বোরো চাষাবাদে আমরা কৃষক পরিবারের লোকজন হাওরে ব্যস্ত থাকি। এ সময় আবাদের জন্য জমির মাঠ প্রস্তুত করা ছাড়াও বীজতলা থেকে চারা তুলে রোপণ করতে হয়। এবার হাওরে প্রয়োজনীয় পানি থাকায় কৃষকদের সুবিধা হচ্ছে।’

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কাওসার আহমেদ বলেন, এ বছর ৯৪৫ হেক্টরে বীজতলা তৈরি করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৩০ হেক্টরের চারা উত্তোলন করা হয়েছে। প্রতিদিনই রোপণের কাজ চলছে। হাওরে পানির সংকট নেই। তবে বৃষ্টি হলে বোরোর পাশাপাশি অন্যান্য কৃষি ফসলের খুবই উপকার হবে।

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে বোরো ধানের চারা রোপণের ধুম পড়েছে। ঘন কুয়াশা ও কনকনে শীত উপেক্ষা করে ফসলের মাঠে রোপণ কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকেরা।
হাওর ঘুরে দেখা গেছে, উপজেলার সর্ববৃহৎ নলুয়ার হাওর ও মইয়ার হাওরজুড়ে বোরো আবাদে মাঠে কাজ করছেন কৃষক ও শ্রমিকেরা। কেউ বীজতলা থেকে চারা তুলে জমিতে রোপণ করছেন, আবার কেউ জমিতে ট্রাক্টর দিয়ে হালচাষ করছেন।
কৃষকেরা জানান, নলুয়া হাওরসহ এই উপজেলার ছোট-বড় ১৫টি হাওরে চারা রোপণের কাজ চলছে। হাওরের মাঠগুলো বর্তমানে কৃষকের পদচারণে মুখর হয়ে উঠেছে। খেতে খেতে চলছে চারা রোপণের উৎসব।
উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জগন্নাথপুরে এ বছর ২০ হাজার ৪২৫ হেক্টর জমিতে বোরো ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
মইয়ার হাওরের কৃষক সুলতান মিয়া বলেন, ‘বোরো চাষাবাদের উপযুক্ত সময় এখন। ঘন কুয়াশা ও প্রচণ্ড শীতের মধ্যেও ভোর থেকে বিকেল পর্যন্ত কাদাপানির মধ্যে খেতে কাজ করতে হয়। কারণ বোরো আমাদের এক ফসলি। এ ফসল থেকে সারা বছরের খাদ্যের জোগানের ব্যবস্থা করতে হয়।’
একই হাওরের নারিকেলতলা গ্রামের বাসিন্দা কৃষক টুনু মিয়া বলেন, ‘পৌষ থেকে মাঘ মাস পর্যন্ত বোরো চাষাবাদে আমরা কৃষক পরিবারের লোকজন হাওরে ব্যস্ত থাকি। এ সময় আবাদের জন্য জমির মাঠ প্রস্তুত করা ছাড়াও বীজতলা থেকে চারা তুলে রোপণ করতে হয়। এবার হাওরে প্রয়োজনীয় পানি থাকায় কৃষকদের সুবিধা হচ্ছে।’

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কাওসার আহমেদ বলেন, এ বছর ৯৪৫ হেক্টরে বীজতলা তৈরি করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৩০ হেক্টরের চারা উত্তোলন করা হয়েছে। প্রতিদিনই রোপণের কাজ চলছে। হাওরে পানির সংকট নেই। তবে বৃষ্টি হলে বোরোর পাশাপাশি অন্যান্য কৃষি ফসলের খুবই উপকার হবে।

পাঙাশ মাছ খাওয়াই যেন কাল হয়ে দাঁড়াল দেড় বছরের শিশু সিয়ামের। মাছের কাঁটা গলায় আটকে সোমবার রাতে মারা গেছে শিশু সিয়াম। ঘটনাটি ঘটেছে মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার পলাশবাড়ীয়া ইউনিয়নের যশোবন্তপুর গ্রামে। নিহত সিয়াম ওই গ্রামের উত্তরপাড়ার বাসিন্দা আমিনুর ব্যাপারীর ছেলে।
৬ মিনিট আগে
ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ রাসেল এবং তাঁর স্ত্রী ইভ্যালির চেয়ারম্যান ও শামীমা নাসরিনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আজ মঙ্গলবার ঢাকার যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আদালত-৭-এর বিচারক মিনাজ উদ্দীন তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
৯ মিনিট আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ‘অপহরণ ও গুমের’ শিকার এক গরু ব্যবসায়ীর লাশ পদ্মা নদীতে ভাসমান অবস্থায় পাওয়া গেছে। আজ মঙ্গলবার সদর উপজেলার আলাতুলি ইউনিয়নে পদ্মা নদীর মিডিল চর এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ। ওই স্থানটি রাজশাহীর গোদাগাড়ী থানা থেকে আনুমানিক ৫০০ গজ দূরে।
১৫ মিনিট আগে
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় পুলিশের গুলিতে নিহতের পর লাশ পোড়ানোর ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়েছে। যেকোনো দিন এই মামলার রায় ঘোষণা করবেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। আজ মঙ্গলবার উভয় পক্ষের শুনানি শেষে রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন ট্রাইব্যুনাল।
৩৪ মিনিট আগে