বিকুল চক্রবর্তী, মৌলভীবাজার

প্রথম দেখায় মনে হবে মেছো বিড়াল। কিন্তু এটি সাধারণ বিড়ালের চেয়ে বড়। নাকের ডগা থেকে লেজ পর্যন্ত তিন থেকে সাড়ে তিন ফুট লম্বা। শরীরের লোম ঘন ও নরম। দেহ বাদামি-ধূসর থেকে হলদে বা লালচে বাদামি। তাতে ফ্যাকাশে বড় বড় ছোপ। পায়ে কালো ফোঁটা এবং মাথা ও ঘাড়ে কালো রেখা। মাথা ছোট ও গোলাকার, কপাল চওড়া। চোখের মণি বড়।
দেশে দুর্লভ এ প্রাণীর একমাত্র অস্তিত্ব পাওয়া গেছে শ্রীমঙ্গলস্থ পরিবেশপ্রেমী সিতেশ রঞ্জন দেবের বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনে। এটি মর্মর বিড়াল, ইংরেজি নাম মার্বেল ক্যাট (বৈজ্ঞানিক নাম Pardofelis Marmorata)। সিলেট অঞ্চলে ‘পাখি খাওড়া’ বা ‘ছোট পাখি খাওড়া’ নামে অধিক পরিচিত।
স্বাধীনতার পর জীবিত মর্মর বিড়াল পাওয়া যায়নি। তবে পাহাড়ি এলাকায় এর চামড়া পাওয়া যায় বলে ধারণা করা হয়েছিল। এর অস্তিত্ব দেশের পার্বত্য এলাকায় রয়েছে। অনেকে মনে করতেন, হয়তো এটি দেশ থেকে বিলুপ্ত হয়ে গেছে। সর্বশেষ সিতেশ রঞ্জনের প্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনে এর সন্ধান প্রাণী গবেষকদের মধ্যে রীতিমতো হইচই ফেলে দেয়। প্রাণীটি খোদ সিতেশ রঞ্জন দেবের কাছেই অজানা ছিল। বন্যপ্রাণী গবেষক শরীফ খানকে এর সম্পর্কে জানালে তিনি ছুটে আসেন শ্রীমঙ্গলে। তিনিই প্রথম এটিকে মর্মর বিড়াল হিসেবে চিহ্নিত করেন।
শ্রীমঙ্গলস্থ বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সিতেশ রঞ্জন দেব জানান, ২০১৪ সালে উপজেলার নিরালা পুঞ্জির এক খাসিয়া যুবকের কাছ থেকে বিড়াল ছানাটি সংগ্রহ করেন। তখন এর চোখও ফোটেনি। বাচ্চাটিকে নিয়ে আসেন তাঁর বাসায়। প্রথমে ড্রপার, পরে ফিডার দিয়ে দুধ খাওয়ান। পরম আদরে সিতেশ রঞ্জনের বাসায় এক সদস্য হিসেবেই বড় হতে থাকে সে। কিছুদিন পর যখন বিড়ালের মতো ডাকে তখন এটি নিয়ে তাঁর সন্দেহ বেড়ে যায়। ধারণা করেন, এটি সংকর প্রজাতি হতে পারে।
‘ছোট পাখি খাওড়া’ নামের কারণ হিসেবে সিতেশ রঞ্জন দেব জানান, এটি বেশির ভাগ সময় গাছে থাকে এবং ছোট ছোট পাখি ধরে খায়। খাদ্যতালিকায় রয়েছে বনের ছোট ছোট পাখি, পাখির ডিম ও বাচ্চা, বুনো খরগোশ, বড় ইঁদুর ও ব্যাঙ। তবে তারা খাদ্যতালিকায় বেশির ভাগ সময় জীবিত কোয়েল ও মুরগির মাংস দিয়ে থাকেন। তাঁর ছেলে সজল দেব জানান, প্রাণীটি এখন তাদের সেবা ফাউন্ডেশনেই রয়েছে। এটি পুরুষ প্রজাতি। বংশ বিস্তারের জন্য দেশের বিভিন্ন জায়গায় এর আরেকটি মাদি প্রজাতির সন্ধান করেছেন, কিন্তু পাননি।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সভাপতি ড. মনিরুল এইচ খান জানান, প্রাণীটি অনেকটা নিশাচর এবং গাছে থাকতেই ভালোবাসে। খাবারের সন্ধানে অনেক সময় মাটিতে নেমে আসে। একটি মা মর্মর বিড়াল একসঙ্গে এক থেকে চারটি বাচ্চা দিয়ে থাকে। এটি বিলুপ্তির পথে। তাই প্রকৃতি সংরক্ষণবিষয়ক আন্তর্জাতিক ইউনিয়ন (আইইউসিএন) এটি শিকার নিষিদ্ধ করেছে।

প্রথম দেখায় মনে হবে মেছো বিড়াল। কিন্তু এটি সাধারণ বিড়ালের চেয়ে বড়। নাকের ডগা থেকে লেজ পর্যন্ত তিন থেকে সাড়ে তিন ফুট লম্বা। শরীরের লোম ঘন ও নরম। দেহ বাদামি-ধূসর থেকে হলদে বা লালচে বাদামি। তাতে ফ্যাকাশে বড় বড় ছোপ। পায়ে কালো ফোঁটা এবং মাথা ও ঘাড়ে কালো রেখা। মাথা ছোট ও গোলাকার, কপাল চওড়া। চোখের মণি বড়।
দেশে দুর্লভ এ প্রাণীর একমাত্র অস্তিত্ব পাওয়া গেছে শ্রীমঙ্গলস্থ পরিবেশপ্রেমী সিতেশ রঞ্জন দেবের বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনে। এটি মর্মর বিড়াল, ইংরেজি নাম মার্বেল ক্যাট (বৈজ্ঞানিক নাম Pardofelis Marmorata)। সিলেট অঞ্চলে ‘পাখি খাওড়া’ বা ‘ছোট পাখি খাওড়া’ নামে অধিক পরিচিত।
স্বাধীনতার পর জীবিত মর্মর বিড়াল পাওয়া যায়নি। তবে পাহাড়ি এলাকায় এর চামড়া পাওয়া যায় বলে ধারণা করা হয়েছিল। এর অস্তিত্ব দেশের পার্বত্য এলাকায় রয়েছে। অনেকে মনে করতেন, হয়তো এটি দেশ থেকে বিলুপ্ত হয়ে গেছে। সর্বশেষ সিতেশ রঞ্জনের প্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনে এর সন্ধান প্রাণী গবেষকদের মধ্যে রীতিমতো হইচই ফেলে দেয়। প্রাণীটি খোদ সিতেশ রঞ্জন দেবের কাছেই অজানা ছিল। বন্যপ্রাণী গবেষক শরীফ খানকে এর সম্পর্কে জানালে তিনি ছুটে আসেন শ্রীমঙ্গলে। তিনিই প্রথম এটিকে মর্মর বিড়াল হিসেবে চিহ্নিত করেন।
শ্রীমঙ্গলস্থ বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সিতেশ রঞ্জন দেব জানান, ২০১৪ সালে উপজেলার নিরালা পুঞ্জির এক খাসিয়া যুবকের কাছ থেকে বিড়াল ছানাটি সংগ্রহ করেন। তখন এর চোখও ফোটেনি। বাচ্চাটিকে নিয়ে আসেন তাঁর বাসায়। প্রথমে ড্রপার, পরে ফিডার দিয়ে দুধ খাওয়ান। পরম আদরে সিতেশ রঞ্জনের বাসায় এক সদস্য হিসেবেই বড় হতে থাকে সে। কিছুদিন পর যখন বিড়ালের মতো ডাকে তখন এটি নিয়ে তাঁর সন্দেহ বেড়ে যায়। ধারণা করেন, এটি সংকর প্রজাতি হতে পারে।
‘ছোট পাখি খাওড়া’ নামের কারণ হিসেবে সিতেশ রঞ্জন দেব জানান, এটি বেশির ভাগ সময় গাছে থাকে এবং ছোট ছোট পাখি ধরে খায়। খাদ্যতালিকায় রয়েছে বনের ছোট ছোট পাখি, পাখির ডিম ও বাচ্চা, বুনো খরগোশ, বড় ইঁদুর ও ব্যাঙ। তবে তারা খাদ্যতালিকায় বেশির ভাগ সময় জীবিত কোয়েল ও মুরগির মাংস দিয়ে থাকেন। তাঁর ছেলে সজল দেব জানান, প্রাণীটি এখন তাদের সেবা ফাউন্ডেশনেই রয়েছে। এটি পুরুষ প্রজাতি। বংশ বিস্তারের জন্য দেশের বিভিন্ন জায়গায় এর আরেকটি মাদি প্রজাতির সন্ধান করেছেন, কিন্তু পাননি।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সভাপতি ড. মনিরুল এইচ খান জানান, প্রাণীটি অনেকটা নিশাচর এবং গাছে থাকতেই ভালোবাসে। খাবারের সন্ধানে অনেক সময় মাটিতে নেমে আসে। একটি মা মর্মর বিড়াল একসঙ্গে এক থেকে চারটি বাচ্চা দিয়ে থাকে। এটি বিলুপ্তির পথে। তাই প্রকৃতি সংরক্ষণবিষয়ক আন্তর্জাতিক ইউনিয়ন (আইইউসিএন) এটি শিকার নিষিদ্ধ করেছে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
২ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে