নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট

সিলেট সফরে আসা ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রতিনিধিদলকে নির্বাচনের সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরেছে সিলেট বিএনপি। গতকাল বুধবার দুপুরে সিলেট শহরতলির খাদিমনগরে একটি অভিজাত রিসোর্টে ঘণ্টাব্যাপী এই বৈঠক হয়।
বৈঠকে ইইউর নির্বাচন বিশেষজ্ঞ প্রতিনিধিদলে ছিলেন রেবেকা কক্স ও শার্লোট সুয়েবেস। আর বিএনপির পক্ষে অংশ নেন দলটির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির ও সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ইলেকশনের আগেই আমাদের হাজার হাজার নেতা-কর্মীকে হামলা-মামলা দিয়ে রেখেছে। সিলেট শহরেরই ৩০০ নেতা-কর্মী জেলে রয়েছেন। দেশে কোনো নির্বাচনী পরিবেশ নেই। এই নির্বাচন জনগণের কোনো প্রত্যাশা পূরণ করতে পারবে না। এই নির্বাচনে মানুষের কোনো আগ্রহ নেই। এটা শুধু আওয়ামী লীগের একটা কাউন্সিল। এ ছাড়া আমরা সিলেট অঞ্চলের সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরেছি।’
এক প্রশ্নের জবাবে আরিফুল হক বলেন, ‘আমাদের স্থায়ী কমিটির নেতৃবৃন্দ তথ্য-প্রমাণসহ সবকিছু বলেছেন এবং দিয়েছেন। তাঁরা শুধু আমাদের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন। এ সময় তাঁরা কিছু বলেননি।’
এ বিষয়ে সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, ‘আমরা জনগণের প্রত্যাশা পূরণের আন্দোলন করছি। সবকিছুই বলেছি। একদলীয় নির্বাচন, আমাদের ওপর জুলুম-নির্যাতনের কথা বলেছি। আমরা এই জুলুম-নির্যাতনের কিছু উদাহরণ দেখিয়েছি এবং তাঁরাও দেখেছেন। দেশে কোনো গণতন্ত্র নেই। নিরীহ মানুষদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। আদালতে গেলেও আমরা ন্যায়বিচার পাচ্ছি না, জামিনও পাচ্ছি না। তাঁরা সবকিছু শুনেছেন, নোট করেছেন। দেশের নৈরাজ্য ও মানুষের ভোট এবং নিরাপত্তার অধিকার দেওয়ার দাবি আমরা তুলে ধরেছি।’
এক প্রশ্নের জবাবে কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, ‘আগামী ৭ জানুয়ারির নির্বাচন সাজানো ও পাতানো। বিরোধী দল জাতীয় পার্টি ও ক্ষমতাসীন সরকারের আসন ভাগাভাগির নির্বাচন। এতে জনগণের কোনো আগ্রহ নেই। এই পাতানো নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ কার কী ভূমিকা, সেটিও তুলে ধরা হয়েছে।’

সিলেট সফরে আসা ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রতিনিধিদলকে নির্বাচনের সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরেছে সিলেট বিএনপি। গতকাল বুধবার দুপুরে সিলেট শহরতলির খাদিমনগরে একটি অভিজাত রিসোর্টে ঘণ্টাব্যাপী এই বৈঠক হয়।
বৈঠকে ইইউর নির্বাচন বিশেষজ্ঞ প্রতিনিধিদলে ছিলেন রেবেকা কক্স ও শার্লোট সুয়েবেস। আর বিএনপির পক্ষে অংশ নেন দলটির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির ও সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ইলেকশনের আগেই আমাদের হাজার হাজার নেতা-কর্মীকে হামলা-মামলা দিয়ে রেখেছে। সিলেট শহরেরই ৩০০ নেতা-কর্মী জেলে রয়েছেন। দেশে কোনো নির্বাচনী পরিবেশ নেই। এই নির্বাচন জনগণের কোনো প্রত্যাশা পূরণ করতে পারবে না। এই নির্বাচনে মানুষের কোনো আগ্রহ নেই। এটা শুধু আওয়ামী লীগের একটা কাউন্সিল। এ ছাড়া আমরা সিলেট অঞ্চলের সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরেছি।’
এক প্রশ্নের জবাবে আরিফুল হক বলেন, ‘আমাদের স্থায়ী কমিটির নেতৃবৃন্দ তথ্য-প্রমাণসহ সবকিছু বলেছেন এবং দিয়েছেন। তাঁরা শুধু আমাদের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন। এ সময় তাঁরা কিছু বলেননি।’
এ বিষয়ে সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, ‘আমরা জনগণের প্রত্যাশা পূরণের আন্দোলন করছি। সবকিছুই বলেছি। একদলীয় নির্বাচন, আমাদের ওপর জুলুম-নির্যাতনের কথা বলেছি। আমরা এই জুলুম-নির্যাতনের কিছু উদাহরণ দেখিয়েছি এবং তাঁরাও দেখেছেন। দেশে কোনো গণতন্ত্র নেই। নিরীহ মানুষদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। আদালতে গেলেও আমরা ন্যায়বিচার পাচ্ছি না, জামিনও পাচ্ছি না। তাঁরা সবকিছু শুনেছেন, নোট করেছেন। দেশের নৈরাজ্য ও মানুষের ভোট এবং নিরাপত্তার অধিকার দেওয়ার দাবি আমরা তুলে ধরেছি।’
এক প্রশ্নের জবাবে কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, ‘আগামী ৭ জানুয়ারির নির্বাচন সাজানো ও পাতানো। বিরোধী দল জাতীয় পার্টি ও ক্ষমতাসীন সরকারের আসন ভাগাভাগির নির্বাচন। এতে জনগণের কোনো আগ্রহ নেই। এই পাতানো নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ কার কী ভূমিকা, সেটিও তুলে ধরা হয়েছে।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৫ ঘণ্টা আগে