প্রতিনিধি, মৌলভীবাজার

মৌলভীবাজারের কামালপুর ইউনিয়নে ফেসবুক লাইভে এসে এক যুবক গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। গতকাল সোমবার রাত ১১টা ৩০ মিনিটে নিজের ফেসবুক আইডি থেকে লাইভে এসে 'আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়' বলে আত্মহত্যা করেন সুমন (২৮) নামের ওই যুবক।
সুমন কামালপুর ইউনিয়নের থানা বাজারের গয়ঘর গ্রামের মৃত শহিদ মিয়ার ছেলে। তিনি পেশায় সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালক। পাশাপাশি তিনি জাদুও দেখাতেন।
সুমন মিয়া আত্মহত্যার আগে ফেসবুক লাইভে এসে বলেন 'আশা করি সব ভালো আছেন। ভালা থাকার কথা। আমার জীবনে চলাফিরাত কেউরে কষ্ট দিয়ে থাকলে আল্লাহর ওয়াস্তে মাফ করি দিবা। আমার জীবনে অশান্তির লাগি কেউ দায়ী নায়। আপনারা যারা আমার ভিডিও দেখবে, আমার পরিবারের যারা আছেন আমার মৃত্যুর লাগি তারা কেউ দায়ী নায়। আমার পরিবার যেন ভালা থাকে সবাই খেয়াল রাখবা, সবার কাছে অনুরোধ সব ভালা থাকবা সুস্থ থাকবেন।'
স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মৌলভীবাজার সদর উপজেলার থানা বাজার গয়ঘর গ্রামের সুমন তাঁর আইডি থেকে লাইভে আসেন। তিনি লাইভে সবার কাছে ক্ষমা চান। একপর্যায়ে দড়িতে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। পরিবারের লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মহসিন ভূঁইয়া বলেন,৬-৭ মাস আগে কিছু জায়গা কেনেন সুমন মিয়া। ৫০ হাজার টাকা দিয়ে জায়গা বায়না করেন। এই মাসে ৩ লাখ ৩০ হাজার টাকা দিয়ে দলিল করা কথা ছিল। যার জায়গা তিনি টাকার জন্য চাপ দিচ্ছিলেন। লকডাউন পরিস্থিতির কারণে কাজ বন্ধ, রোজগারও বন্ধ। যে কারণে টাকা সংগ্রহ করতে পারছিলেন না সুমন মিয়া। এ নিয়ে কয়েক দিন আগে সুমনের মা ও স্ত্রীর মাঝে ঝগড়া হয়। মা রাগ করে চলে যান অন্য বাড়িতে। সুমন ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়ায় আত্মহত্যা করেছে।
পুলিশ জানায়, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। থানা থেকে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মৌলভীবাজারের কামালপুর ইউনিয়নে ফেসবুক লাইভে এসে এক যুবক গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। গতকাল সোমবার রাত ১১টা ৩০ মিনিটে নিজের ফেসবুক আইডি থেকে লাইভে এসে 'আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়' বলে আত্মহত্যা করেন সুমন (২৮) নামের ওই যুবক।
সুমন কামালপুর ইউনিয়নের থানা বাজারের গয়ঘর গ্রামের মৃত শহিদ মিয়ার ছেলে। তিনি পেশায় সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালক। পাশাপাশি তিনি জাদুও দেখাতেন।
সুমন মিয়া আত্মহত্যার আগে ফেসবুক লাইভে এসে বলেন 'আশা করি সব ভালো আছেন। ভালা থাকার কথা। আমার জীবনে চলাফিরাত কেউরে কষ্ট দিয়ে থাকলে আল্লাহর ওয়াস্তে মাফ করি দিবা। আমার জীবনে অশান্তির লাগি কেউ দায়ী নায়। আপনারা যারা আমার ভিডিও দেখবে, আমার পরিবারের যারা আছেন আমার মৃত্যুর লাগি তারা কেউ দায়ী নায়। আমার পরিবার যেন ভালা থাকে সবাই খেয়াল রাখবা, সবার কাছে অনুরোধ সব ভালা থাকবা সুস্থ থাকবেন।'
স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মৌলভীবাজার সদর উপজেলার থানা বাজার গয়ঘর গ্রামের সুমন তাঁর আইডি থেকে লাইভে আসেন। তিনি লাইভে সবার কাছে ক্ষমা চান। একপর্যায়ে দড়িতে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। পরিবারের লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মহসিন ভূঁইয়া বলেন,৬-৭ মাস আগে কিছু জায়গা কেনেন সুমন মিয়া। ৫০ হাজার টাকা দিয়ে জায়গা বায়না করেন। এই মাসে ৩ লাখ ৩০ হাজার টাকা দিয়ে দলিল করা কথা ছিল। যার জায়গা তিনি টাকার জন্য চাপ দিচ্ছিলেন। লকডাউন পরিস্থিতির কারণে কাজ বন্ধ, রোজগারও বন্ধ। যে কারণে টাকা সংগ্রহ করতে পারছিলেন না সুমন মিয়া। এ নিয়ে কয়েক দিন আগে সুমনের মা ও স্ত্রীর মাঝে ঝগড়া হয়। মা রাগ করে চলে যান অন্য বাড়িতে। সুমন ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়ায় আত্মহত্যা করেছে।
পুলিশ জানায়, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। থানা থেকে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সোমবার ভোরে বাবুল মিয়ার মা ঘুম থেকে উঠে ছেলের ঘরের দরজা বাইরে থেকে লাগানো দেখতে পান। তাঁর ডাকে পরিবারের অন্য সদস্যরা জেগে ওঠেন। বাবলু মিয়ার ছোট ছেলে ঘরে গিয়ে বিছানায় তার মায়ের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ দেখতে পান। তবে ঘরে বা বাড়িতে বাবলু মিয়াকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
২১ মিনিট আগে
নির্বাচনী পরিস্থিতি সম্পর্কে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এখন পর্যন্ত নির্বাচন পরিস্থিতি ভালোই মনে হচ্ছে। তবে প্রকৃত পরিস্থিতি বোঝা যাবে প্রচারণা শুরু হলে। তার আগে সবাই মনোনয়নসহ সাংবিধানিক বিষয়গুলো গুছিয়ে নিচ্ছে।’
১ ঘণ্টা আগে
শহরের গোয়ালপাড়া এলাকার বাসিন্দা ওয়াকার আলী দীর্ঘদিন ধরে তাঁর সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে মাছবাজারের ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে প্রতিদিন ১০০ থেকে ১৫০ টাকা করে চাঁদা আদায় করতেন। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে চাঁদা তুলতে গেলে ব্যবসায়ীরা দিতে অস্বীকৃতি জানান।
২ ঘণ্টা আগে
টানা সাত দিন ধরে ১০ ডিগ্রির নিচে তাপমাত্রা বিরাজ করছে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে। ফলে এই জেলায় শীতের প্রভাব বেড়েছে। সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় জেলার তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
৩ ঘণ্টা আগে