জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন, ‘বিএনপি হরতাল দিয়ে গরিব মানুষকে কষ্ট দেয়। দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে ক্ষমতায় আসতে চায়। আমেরিকা ও লন্ডনে গিয়ে বিচার দেয়। এটি একটি স্বাধীন রাষ্ট্র। আমরা আমাদের দেশের নিয়ননীতি, আইনকানুন মেনে নির্বাচন করব। আমেরিকা ও লন্ডনের কথায় নির্বাচন হবে না।’
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর পৌরসভার ছিক্কা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে শান্তি ও উন্নয়ন সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, দেশে উন্নয়নের জোয়ার বইছে। এ জোয়ার এগিয়ে নিতে আওয়ামী লীগকে আবারও ক্ষমতায় আনতে হবে। তিনি জীবনের শেষ নির্বাচনে আবারও নিজের জন্য ভোট প্রার্থনা করে বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী যদি আবারও আমাকে মনোনয়ন দেন, তাহলে আমি আবারও ভোটের জন্য আপনাদের কাছে আসব। গত ১৫ বছর আমি আপনাদের জন্য কাজ করেছি, এসব আপনারা বিবেচনা করবেন।’
উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি আনহার মিয়ার সভাপতিত্বে ও সাবেক পৌর কাউন্সিলর দেলোয়ার হোসেনের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য দেন সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা সদস্য সিদ্দিক আহমেদ, জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম, শান্তিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সিতাংশু রঞ্জন ধর সিতু, জগন্নাথপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম, জেলা পরিষদের সদস্য মাহাতাবুল হাসান সমুজ, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আবুল হোসেন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সুফিয়া খানম সাথী, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান বিজন কুমার দেব, পৌরসভার প্যানেল মেয়র সাফরোজ ইসলাম মুন্না, কাউন্সিলর সফিকুল হক, উপজেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি নুরুল হক, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি কামাল উদ্দিন প্রমুখ।
এর আগে পরিকল্পনামন্ত্রী উপজেলার এরালিয়া বাজার, কেশবপুর, সাজেদা খানম ও আবদুস সোবহান উচ্চ বিদ্যালয়ে মতবিনিময় করেন।

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন, ‘বিএনপি হরতাল দিয়ে গরিব মানুষকে কষ্ট দেয়। দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে ক্ষমতায় আসতে চায়। আমেরিকা ও লন্ডনে গিয়ে বিচার দেয়। এটি একটি স্বাধীন রাষ্ট্র। আমরা আমাদের দেশের নিয়ননীতি, আইনকানুন মেনে নির্বাচন করব। আমেরিকা ও লন্ডনের কথায় নির্বাচন হবে না।’
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর পৌরসভার ছিক্কা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে শান্তি ও উন্নয়ন সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, দেশে উন্নয়নের জোয়ার বইছে। এ জোয়ার এগিয়ে নিতে আওয়ামী লীগকে আবারও ক্ষমতায় আনতে হবে। তিনি জীবনের শেষ নির্বাচনে আবারও নিজের জন্য ভোট প্রার্থনা করে বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী যদি আবারও আমাকে মনোনয়ন দেন, তাহলে আমি আবারও ভোটের জন্য আপনাদের কাছে আসব। গত ১৫ বছর আমি আপনাদের জন্য কাজ করেছি, এসব আপনারা বিবেচনা করবেন।’
উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি আনহার মিয়ার সভাপতিত্বে ও সাবেক পৌর কাউন্সিলর দেলোয়ার হোসেনের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য দেন সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা সদস্য সিদ্দিক আহমেদ, জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম, শান্তিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সিতাংশু রঞ্জন ধর সিতু, জগন্নাথপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম, জেলা পরিষদের সদস্য মাহাতাবুল হাসান সমুজ, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আবুল হোসেন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সুফিয়া খানম সাথী, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান বিজন কুমার দেব, পৌরসভার প্যানেল মেয়র সাফরোজ ইসলাম মুন্না, কাউন্সিলর সফিকুল হক, উপজেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি নুরুল হক, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি কামাল উদ্দিন প্রমুখ।
এর আগে পরিকল্পনামন্ত্রী উপজেলার এরালিয়া বাজার, কেশবপুর, সাজেদা খানম ও আবদুস সোবহান উচ্চ বিদ্যালয়ে মতবিনিময় করেন।

কেন্দ্রীয় বিএনপির দলীয় প্যাডে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ইতিপূর্বে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং দলের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কার্যকলাপের জন্য বকশীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ফখরুজ্জামান মতিনকে দলের প্রাথমিক সদস্যসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।
৪ মিনিট আগে
রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে