সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি

সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার যুবদলের আহ্বায়কের নেতৃত্বে ১০০ জন নেতা-কর্মী আওয়ামী লীগে যোগদান করেছেন। ওই যুবদল নেতা বলেছেন, দেশে বিএনপির ডাকা হরতাল-অবরোধ কর্মসূচিতে যানবাহনে আগুন দেওয়া ও জানমালের ক্ষতিতে ক্ষুব্ধ হয়ে আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন তারা।
এ উপলক্ষে গতকাল রোববার রাতে শান্তিগঞ্জ উপজেলার পূর্ব পাগলা ইউনিয়নের আলমপুর গ্রামে ফুল দিয়ে নবাগতদের আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করা হয়। তাদের ফুল দিয়ে বরণ করে শান্তিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাসনাত হোসেন।
তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘দেশের উন্নয়ন এবং মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের লোকজনদের আওয়ামী লীগে যোগদানে আমরা সব সময় স্বাগতম জানাই। রোববার ১০০ বিএনপি নেতা-কর্মী আওয়ামী লীগে যোগদান করেছেন। আমরা তাদের ফুল দিয়ে বরণ করেছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘দেশের উন্নয়ন দেখেই মানুষ দলে দলে আওয়ামী লীগে যোগদান করছেন। তারা বিএনপির ধ্বংসের জ্বালাও-পোড়াও রাজনীতি চান না বলেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে আমাকে জানিয়েছেন।’
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, শান্তিগঞ্জ উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাবেক ইউপি সদস্য ইয়াহিয়া আহমদ সুমনের নেতৃত্বে ওই অনুষ্ঠানে ১০০ জন নেতা-কর্মী আওয়ামী লীগে যোগদান করেছেন। দল ত্যাগ করা ব্যক্তিরা শান্তিগঞ্জ উপজেলার পূর্ব পাগলায় ইউনিয়ন বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল নেতা ছিলেন।
এ বিষয়ে আওয়ামী লীগে যোগদানকারী শান্তিগঞ্জ উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ইয়াহিয়া আহমদ সুমন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বিএনপি ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য হরতাল-অবরোধ, বাসে অগ্নিসংযোগ করে দেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। এক দিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উন্নয়ন করছেন অন্যদিকে বিএনপি জ্বালাও-পোড়াও করতেছে, সেটি আমরা মেনে নিতে পারিনি।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপির রাজনীতি উন্নয়নের স্বার্থে হলে, আমরা দল ত্যাগ করতাম না। কিন্তু নিজের চোখের সামনে বাসে আগুন দেওয়া, পুলিশ মারা, এসব কোনো রাজনৈতিক দলের কাজ হতে পারে না। আমরা সবাই বিএনপির এমন কর্মকাণ্ডে ক্ষুব্ধ।’
এ বিষয়ে সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সহসভাপতি ও শান্তিগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘১০০ জন নেতা-কর্মী বিএনপি ছেড়ে আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন, বিষয়টি আমি দেখেছি। তবে এখানে যাদের আমরা দেখেছি, তারা অনেক বছর যাবৎ বিএনপির কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের জড়িত নয়, কোনো মিছিল সমাবেশে তাদের আমি দেখিনি।’
তিনি আরও বলেন, ‘তা ছাড়া আমার মনে হয় তারা ফায়দা লুটের জন্য আওয়ামী লীগের যোগদানের নাটক করেছে, এই সময়ে আলোচনায় আসার জন্য।’

সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার যুবদলের আহ্বায়কের নেতৃত্বে ১০০ জন নেতা-কর্মী আওয়ামী লীগে যোগদান করেছেন। ওই যুবদল নেতা বলেছেন, দেশে বিএনপির ডাকা হরতাল-অবরোধ কর্মসূচিতে যানবাহনে আগুন দেওয়া ও জানমালের ক্ষতিতে ক্ষুব্ধ হয়ে আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন তারা।
এ উপলক্ষে গতকাল রোববার রাতে শান্তিগঞ্জ উপজেলার পূর্ব পাগলা ইউনিয়নের আলমপুর গ্রামে ফুল দিয়ে নবাগতদের আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করা হয়। তাদের ফুল দিয়ে বরণ করে শান্তিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাসনাত হোসেন।
তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘দেশের উন্নয়ন এবং মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের লোকজনদের আওয়ামী লীগে যোগদানে আমরা সব সময় স্বাগতম জানাই। রোববার ১০০ বিএনপি নেতা-কর্মী আওয়ামী লীগে যোগদান করেছেন। আমরা তাদের ফুল দিয়ে বরণ করেছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘দেশের উন্নয়ন দেখেই মানুষ দলে দলে আওয়ামী লীগে যোগদান করছেন। তারা বিএনপির ধ্বংসের জ্বালাও-পোড়াও রাজনীতি চান না বলেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে আমাকে জানিয়েছেন।’
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, শান্তিগঞ্জ উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাবেক ইউপি সদস্য ইয়াহিয়া আহমদ সুমনের নেতৃত্বে ওই অনুষ্ঠানে ১০০ জন নেতা-কর্মী আওয়ামী লীগে যোগদান করেছেন। দল ত্যাগ করা ব্যক্তিরা শান্তিগঞ্জ উপজেলার পূর্ব পাগলায় ইউনিয়ন বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল নেতা ছিলেন।
এ বিষয়ে আওয়ামী লীগে যোগদানকারী শান্তিগঞ্জ উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ইয়াহিয়া আহমদ সুমন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বিএনপি ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য হরতাল-অবরোধ, বাসে অগ্নিসংযোগ করে দেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। এক দিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উন্নয়ন করছেন অন্যদিকে বিএনপি জ্বালাও-পোড়াও করতেছে, সেটি আমরা মেনে নিতে পারিনি।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপির রাজনীতি উন্নয়নের স্বার্থে হলে, আমরা দল ত্যাগ করতাম না। কিন্তু নিজের চোখের সামনে বাসে আগুন দেওয়া, পুলিশ মারা, এসব কোনো রাজনৈতিক দলের কাজ হতে পারে না। আমরা সবাই বিএনপির এমন কর্মকাণ্ডে ক্ষুব্ধ।’
এ বিষয়ে সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সহসভাপতি ও শান্তিগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘১০০ জন নেতা-কর্মী বিএনপি ছেড়ে আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন, বিষয়টি আমি দেখেছি। তবে এখানে যাদের আমরা দেখেছি, তারা অনেক বছর যাবৎ বিএনপির কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের জড়িত নয়, কোনো মিছিল সমাবেশে তাদের আমি দেখিনি।’
তিনি আরও বলেন, ‘তা ছাড়া আমার মনে হয় তারা ফায়দা লুটের জন্য আওয়ামী লীগের যোগদানের নাটক করেছে, এই সময়ে আলোচনায় আসার জন্য।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগে