জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে বৃষ্টিতে কয়েকটি ফসল রক্ষা বেড়ি বাঁধে ফাটল ও ধস দেখা দিয়েছে। এমন অবস্থায় কৃষকেরা ফসল নষ্টের শঙ্কায় রয়েছেন।
আজ বৃহস্পতিবার সরেজমিনে নলুয়ার হাওর ঘুরে দেখা গেছে, উপজেলার চিলাউড়া-হলিদপুর ইউনিয়নের দাসনোয়াগাঁও থেকে হালেয়া পর্যন্ত ৩,৪, ৫,৬ ও ৭ নম্বর প্রকল্পের কিছু কিছু অংশে ফাটল দেখা দিয়েছে। প্রকল্পের সঙ্গে সম্পৃক্তরা শ্রমিক লাগিয়ে কাজ করছেন।
৬ নম্বর প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির (পিআইসি) সভাপতি আহমদ আলী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমার প্রকল্পের কিছু অংশ ধসে পড়ায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) কর্মকর্তাদের নির্দেশে বিকল্প বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে ফসল রক্ষা বেড়ি বাঁধের কাজ করছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘২১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা বরাদ্দে ৫১২ মিটার বেড়ি বাঁধের কাজ করছি। আশা করছি নির্দিষ্ট সময়ে কাজ শেষ হবে।’
নলুয়ার হাওরের কৃষক জোবায়ের আহমদ বলেন, ‘বৃষ্টিতেই যদি বাঁধ ধসে যায়, নদীতে পানি আসলে কি হবে?’
হাওর বাঁচাও আন্দোলন জগন্নাথপুর উপজেলা কমিটির সদস্যসচিব অমিত কান্তি দেব বলেন, ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ফসল রক্ষা বেড়ি বাঁধের কাজ শেষ করার কথা। নিয়ম অনুযায়ী কোনো বাঁধের কাজের অগ্রগতি সন্তোষ জনক নয়। এক দিনের বৃষ্টিতে অনেকগুলো বাঁধে ফাটল ও ত্রুটি দেখা দেওয়ায় কৃষকেরা চিন্তিত।
উপজেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) উপ-সহকারী প্রকৌশলী সবুজ কুমার শীল বলেন, বৃষ্টিতে ফসল রক্ষা বেড়ি বাঁধের তেমন কোনো ক্ষতি হয়নি। আমরা সরেজমিনে হাওর ঘুরে যেসব ত্রুটি পেয়েছি, সেগুলো নিরসন করতে বলা হয়েছে। তবে ৬ ও ৩৩ নম্বর প্রকল্পের বাঁধ ধসে যাওয়ায় কিছু অংশে বিকল্প বাঁধ নির্মাণ করা হচ্ছে।

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে বৃষ্টিতে কয়েকটি ফসল রক্ষা বেড়ি বাঁধে ফাটল ও ধস দেখা দিয়েছে। এমন অবস্থায় কৃষকেরা ফসল নষ্টের শঙ্কায় রয়েছেন।
আজ বৃহস্পতিবার সরেজমিনে নলুয়ার হাওর ঘুরে দেখা গেছে, উপজেলার চিলাউড়া-হলিদপুর ইউনিয়নের দাসনোয়াগাঁও থেকে হালেয়া পর্যন্ত ৩,৪, ৫,৬ ও ৭ নম্বর প্রকল্পের কিছু কিছু অংশে ফাটল দেখা দিয়েছে। প্রকল্পের সঙ্গে সম্পৃক্তরা শ্রমিক লাগিয়ে কাজ করছেন।
৬ নম্বর প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির (পিআইসি) সভাপতি আহমদ আলী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমার প্রকল্পের কিছু অংশ ধসে পড়ায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) কর্মকর্তাদের নির্দেশে বিকল্প বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে ফসল রক্ষা বেড়ি বাঁধের কাজ করছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘২১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা বরাদ্দে ৫১২ মিটার বেড়ি বাঁধের কাজ করছি। আশা করছি নির্দিষ্ট সময়ে কাজ শেষ হবে।’
নলুয়ার হাওরের কৃষক জোবায়ের আহমদ বলেন, ‘বৃষ্টিতেই যদি বাঁধ ধসে যায়, নদীতে পানি আসলে কি হবে?’
হাওর বাঁচাও আন্দোলন জগন্নাথপুর উপজেলা কমিটির সদস্যসচিব অমিত কান্তি দেব বলেন, ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ফসল রক্ষা বেড়ি বাঁধের কাজ শেষ করার কথা। নিয়ম অনুযায়ী কোনো বাঁধের কাজের অগ্রগতি সন্তোষ জনক নয়। এক দিনের বৃষ্টিতে অনেকগুলো বাঁধে ফাটল ও ত্রুটি দেখা দেওয়ায় কৃষকেরা চিন্তিত।
উপজেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) উপ-সহকারী প্রকৌশলী সবুজ কুমার শীল বলেন, বৃষ্টিতে ফসল রক্ষা বেড়ি বাঁধের তেমন কোনো ক্ষতি হয়নি। আমরা সরেজমিনে হাওর ঘুরে যেসব ত্রুটি পেয়েছি, সেগুলো নিরসন করতে বলা হয়েছে। তবে ৬ ও ৩৩ নম্বর প্রকল্পের বাঁধ ধসে যাওয়ায় কিছু অংশে বিকল্প বাঁধ নির্মাণ করা হচ্ছে।

খুব সকালে কড়া নিরাপত্তার মাধ্যমে চিন্ময়সহ ২৩ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবি মিলিয়ে শতাধিক সদস্য আদালত প্রাঙ্গণে মোতায়েন করা হয়। খুব কম সময়ের মধ্যে আদালতে মামলার কার্যক্রম শেষ করা হয়।
১৩ মিনিট আগে
ফাওজুল কবির খান বলেন, ‘আপনি যদি বাংলাদেশের মঙ্গল চান, আপনি যদি রাজপথের সহিংসতা দেখতে না চান, যদি মানুষের খুন দেখতে না চান—তাহলে অবশ্যই ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন। দেশের চাবি আপনার হাতে। এই জন্যই আমাদের গণভোটের প্রচারণায় ভোটের গাড়ি।
১৬ মিনিট আগে
বাড্ডায় সড়ক ছেড়ে গেছেন অবরোধরত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালকেরা। এতে কুড়িল-রামপুরা সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাড্ডার ফুজি টাওয়ার এলাকায় অবরোধ কর্মসূচি শুরু করেন তাঁরা।
২৭ মিনিট আগে
অনেকটা মানসিক রোগীর মতো আচরণ করলেও খুব ঠান্ডা মাথায় এক বৃদ্ধা, এক নারী ও এক কিশোরীসহ ছয়জনকে খুন করেছেন মশিউর রহমান ওরফে সম্রাট (৪০)। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি এসব খুনের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
৩৫ মিনিট আগে