বিপ্লব রায়, শাল্লা (সুনামগঞ্জ)

দল গোছানো, সম্মেলন, কোনোটাই হয়নি শাল্লা উপজেলা যুবলীগের। বরং দায়িত্ব গ্রহণকারীরাই লিপ্ত হয়েছেন কেওয়াজ-কোন্দলে। হয়েছে শুধু একের পর এক আহ্বায়ক কমিটি। তিন মাস মেয়াদের কমিটি বছরের পর বছর পার করেন। ২৯ বছর ধরে আহ্বায়ক কমিটিতে ভর করেই চলছে যুবলীগের রাজনীতি। বর্তমানে কোন কমিটি না থাকায় স্থবির হয়ে পড়েছে উপজেলা যুবলীগের যাবতীয় কার্যক্রম।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শাল্লায় যুবলীগ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯২ সালে মাহবুব সোবহানী চৌধুরীর হাত ধরে। ১৯৯২ সালে মাহবুব সোবহানী চৌধুরীকে আহ্বায়ক করে ২১ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। তবে মাহবুব সোবহানী চৌধুরী বর্তমানে বিএনপি এর রাজনীতিতে সক্রিয়। এরপর ২০০১ সালে তৎকালীন সুনামগঞ্জ জেলা আহ্বায়ক অ্যাড. আব্দুল করিম সুনামগঞ্জ জেলার সকল উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটি ভেঙে দেন। আবার ২০০৪ সালে মো. তকবীর হোসেনকে আহ্বায়ক ও পীযূষ দাসকে যুগ্ম আহ্বায়ক করে ২৮ সদস্য আহ্বায়ক কমিটি করে দেন তখনকার জেলা আহ্বায়ক অ্যাড. আব্দুল করিম। এরপর ২০১১ সালে মো. তকবীর হোসেনকে আহ্বায়ক এবং পীযূষ দাস ও অ্যাড. দীপু রঞ্জন দাসকে যুগ্ম আহ্বায়ক করে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি করে দেন তখনকার স্থানীয় সংসদ সদস্য প্রয়াত সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।
কিন্তু তারাও ব্যর্থ হন পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করতে। এখন কোনো কমিটি না থাকায় যুবলীগের কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। তবে আহ্বায়ক কমিটির অধিকাংশ সদস্যই রাজনীতিতে নিষ্ক্রিয়। এ কারণে নতুন নেতৃত্ব সৃষ্টি হচ্ছে না।
যুবলীগ কর্মী অজয় তালুকদার বলেন, বর্তমানে শাল্লায় যুবলীগের কোন কমিটি নেই। বিগত আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক ও যুগ্ম আহ্বায়কদ্বয় সম্মেলনের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ কমিটি উপহার দিতে পারেননি। যুবলীগের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে তাঁরা কোন কর্মসূচি পালন করেননি।
সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক পীযূষ দাস বলেন, `আমাদেরকে ব্যর্থ বলা ঠিক না। আমরা সম্মেলনের যাবতীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করেছিলাম। তখনকার উপজেলা আওয়ামী লীগের বিমাতাসুলভ আচরণের জন্য আমরা পারিনি। দলের দুঃসময়ে আমরাই ছিলাম দলের বিভিন্ন কর্মসূচির অগ্রভাগে থাকি। বর্তমান উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দও দলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে আমাদেরকে অবগত করেন না। তাই আমরা দলীয় কর্মসূচিতে নিষ্ক্রিয়।'
জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক খায়রুল হুদা চপল বলেন, যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমতি সাপেক্ষে কিছুদিনের মধ্যেই শাল্লা যুবলীগের বিষয়ে করণীয় ঠিক করা হবে। এর আগেই কমিটি হওয়ার কথা ছিল। মহামারি করোনার কারণে কমিটি গঠনের কার্যক্রম আটকে আছে। তবে কেন্দ্রের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনা করে খুব দ্রুত শাল্লা উপজেলা যুবলীগের কমিটি গঠন করা হবে বলে জানান তিনি।

দল গোছানো, সম্মেলন, কোনোটাই হয়নি শাল্লা উপজেলা যুবলীগের। বরং দায়িত্ব গ্রহণকারীরাই লিপ্ত হয়েছেন কেওয়াজ-কোন্দলে। হয়েছে শুধু একের পর এক আহ্বায়ক কমিটি। তিন মাস মেয়াদের কমিটি বছরের পর বছর পার করেন। ২৯ বছর ধরে আহ্বায়ক কমিটিতে ভর করেই চলছে যুবলীগের রাজনীতি। বর্তমানে কোন কমিটি না থাকায় স্থবির হয়ে পড়েছে উপজেলা যুবলীগের যাবতীয় কার্যক্রম।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শাল্লায় যুবলীগ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯২ সালে মাহবুব সোবহানী চৌধুরীর হাত ধরে। ১৯৯২ সালে মাহবুব সোবহানী চৌধুরীকে আহ্বায়ক করে ২১ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। তবে মাহবুব সোবহানী চৌধুরী বর্তমানে বিএনপি এর রাজনীতিতে সক্রিয়। এরপর ২০০১ সালে তৎকালীন সুনামগঞ্জ জেলা আহ্বায়ক অ্যাড. আব্দুল করিম সুনামগঞ্জ জেলার সকল উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটি ভেঙে দেন। আবার ২০০৪ সালে মো. তকবীর হোসেনকে আহ্বায়ক ও পীযূষ দাসকে যুগ্ম আহ্বায়ক করে ২৮ সদস্য আহ্বায়ক কমিটি করে দেন তখনকার জেলা আহ্বায়ক অ্যাড. আব্দুল করিম। এরপর ২০১১ সালে মো. তকবীর হোসেনকে আহ্বায়ক এবং পীযূষ দাস ও অ্যাড. দীপু রঞ্জন দাসকে যুগ্ম আহ্বায়ক করে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি করে দেন তখনকার স্থানীয় সংসদ সদস্য প্রয়াত সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।
কিন্তু তারাও ব্যর্থ হন পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করতে। এখন কোনো কমিটি না থাকায় যুবলীগের কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। তবে আহ্বায়ক কমিটির অধিকাংশ সদস্যই রাজনীতিতে নিষ্ক্রিয়। এ কারণে নতুন নেতৃত্ব সৃষ্টি হচ্ছে না।
যুবলীগ কর্মী অজয় তালুকদার বলেন, বর্তমানে শাল্লায় যুবলীগের কোন কমিটি নেই। বিগত আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক ও যুগ্ম আহ্বায়কদ্বয় সম্মেলনের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ কমিটি উপহার দিতে পারেননি। যুবলীগের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে তাঁরা কোন কর্মসূচি পালন করেননি।
সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক পীযূষ দাস বলেন, `আমাদেরকে ব্যর্থ বলা ঠিক না। আমরা সম্মেলনের যাবতীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করেছিলাম। তখনকার উপজেলা আওয়ামী লীগের বিমাতাসুলভ আচরণের জন্য আমরা পারিনি। দলের দুঃসময়ে আমরাই ছিলাম দলের বিভিন্ন কর্মসূচির অগ্রভাগে থাকি। বর্তমান উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দও দলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে আমাদেরকে অবগত করেন না। তাই আমরা দলীয় কর্মসূচিতে নিষ্ক্রিয়।'
জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক খায়রুল হুদা চপল বলেন, যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমতি সাপেক্ষে কিছুদিনের মধ্যেই শাল্লা যুবলীগের বিষয়ে করণীয় ঠিক করা হবে। এর আগেই কমিটি হওয়ার কথা ছিল। মহামারি করোনার কারণে কমিটি গঠনের কার্যক্রম আটকে আছে। তবে কেন্দ্রের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনা করে খুব দ্রুত শাল্লা উপজেলা যুবলীগের কমিটি গঠন করা হবে বলে জানান তিনি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৪ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৫ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে