শাল্লা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি

গতকাল বুধবার প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্পের (এলডিডিপি) সহযোগিতায় দিনব্যাপী প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী-২০২২ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওই অনুষ্ঠানের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে বিভিন্ন খাতে ২ লাখ ৪৯ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। বরাদ্দ অনুযায়ী অনুষ্ঠান না করে লোক দেখানো আয়োজনের মাধ্যমে বরাদ্দের টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা তপন কান্তি পালের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে।
জানা গেছে, প্রতিবছর এই প্রদর্শনী অনুষ্ঠানের নামে লাখ লাখ টাকা বরাদ্দ আসলেও টাকার কোনো হদিস পাওয়া যেত না। এ বছর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কঠোর নির্দেশনায় অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। তবুও অনুষ্ঠানের এমন দৃশ্য দেখে ক্ষুব্ধ হয়েছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।
প্রাণী সম্পদ অফিস সূত্রে জানা যায়, প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী-২০২২ এর প্যান্ডেলের জন্য ৬৯ হাজার ৫০০ টাকা, অনুষ্ঠানে আসা খামারিসহ বিভিন্ন পেশার ৩০০ জন লোকের খাবারের জন্য ৬০ হাজার টাকা, ৫০ জন স্পেশাল অতিথির জন্য ২০ হাজার টাকা বরাদ্দ করা হয়। এ ছাড়া ভ্যাকসিন ও মেডিসিনের জন্য ৫ হাজার টাকা, পশুপাখি নিয়ে আসার পরিবহন খরচের জন্য আলাদা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
অপরদিকে, বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণসহ বিভিন্ন খাতে মোট ২ লাখ ৪৯ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। কিন্তু এসব বরাদ্দ দেওয়ার পরও অনুষ্ঠানটি জাঁকজমকভাবে পালন করা হয়নি। কাগজে কলমে বিভিন্ন খাতে বরাদ্দের ব্যয় দেখানো হলেও বাস্তবে কোনো মিল পাওয়া যায়নি। অনুষ্ঠানের ডেকোরেশন বাবদ পাহাড়পুর টুডে ডেকোরেটার্সের নামে ৬৯ হাজার ৫০০ টাকা বরাদ্দ দেখানো হয়েছে।
পাহাড়পুর টুডে ডেকোরেটার্সের মালিক দিজেন দাসের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, ২৭ হাজার টাকায় শাল্লা প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনীর অনুষ্ঠানের প্রোগ্রাম করা হয়েছে। এমনকি ৩০০ জন লোকের খাবারের বরাদ্দ থাকলেও কোনো কিছুই দেওয়া হয়নি। ৫০ জন স্পেশাল অতিথির জন্য ২০ হাজার টাকা বরাদ্দ থাকলেও কিছুরই আয়োজন করা হয়নি। ভ্যাকসিন, মেডিসিন ও খামারিদের পরিবহন খরচ দেওয়ার কথা থাকলেও টাকা দেওয়া হয়নি।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ও প্রদর্শনী অনুষ্ঠানের সদস্যসচিব তপন কান্তি পাল বলেন, বরাদ্দ অনুযায়ী সকল বিল পরিশোধ করা হয়েছে। এখানে কোনো কারচুপি হয়নি। যারা অভিযোগ করছে তা সঠিক নয়।
ডেকোরেটার্সের টাকার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ৬৯ হাজার ৫০০ টাকা বরাদ্দ করা হয়। এ বরাদ্দ অনুযায়ী সকল টাকা ডেকোরেটার্স মালিককে দেওয়া হয়েছে।
প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী কমিটির সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবু তালেব বলেন, ইউএলও নিজের ইচ্ছেমতো সবকিছু করেছেন। আমি কমিটির সভাপতি অথচ আমাকে কিছুই অবগত করা হয়নি।
ইউএনও আরও বলেন, এ বিষয় নিয়ে আমি জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলব।

গতকাল বুধবার প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্পের (এলডিডিপি) সহযোগিতায় দিনব্যাপী প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী-২০২২ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওই অনুষ্ঠানের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে বিভিন্ন খাতে ২ লাখ ৪৯ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। বরাদ্দ অনুযায়ী অনুষ্ঠান না করে লোক দেখানো আয়োজনের মাধ্যমে বরাদ্দের টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা তপন কান্তি পালের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে।
জানা গেছে, প্রতিবছর এই প্রদর্শনী অনুষ্ঠানের নামে লাখ লাখ টাকা বরাদ্দ আসলেও টাকার কোনো হদিস পাওয়া যেত না। এ বছর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কঠোর নির্দেশনায় অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। তবুও অনুষ্ঠানের এমন দৃশ্য দেখে ক্ষুব্ধ হয়েছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।
প্রাণী সম্পদ অফিস সূত্রে জানা যায়, প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী-২০২২ এর প্যান্ডেলের জন্য ৬৯ হাজার ৫০০ টাকা, অনুষ্ঠানে আসা খামারিসহ বিভিন্ন পেশার ৩০০ জন লোকের খাবারের জন্য ৬০ হাজার টাকা, ৫০ জন স্পেশাল অতিথির জন্য ২০ হাজার টাকা বরাদ্দ করা হয়। এ ছাড়া ভ্যাকসিন ও মেডিসিনের জন্য ৫ হাজার টাকা, পশুপাখি নিয়ে আসার পরিবহন খরচের জন্য আলাদা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
অপরদিকে, বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণসহ বিভিন্ন খাতে মোট ২ লাখ ৪৯ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। কিন্তু এসব বরাদ্দ দেওয়ার পরও অনুষ্ঠানটি জাঁকজমকভাবে পালন করা হয়নি। কাগজে কলমে বিভিন্ন খাতে বরাদ্দের ব্যয় দেখানো হলেও বাস্তবে কোনো মিল পাওয়া যায়নি। অনুষ্ঠানের ডেকোরেশন বাবদ পাহাড়পুর টুডে ডেকোরেটার্সের নামে ৬৯ হাজার ৫০০ টাকা বরাদ্দ দেখানো হয়েছে।
পাহাড়পুর টুডে ডেকোরেটার্সের মালিক দিজেন দাসের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, ২৭ হাজার টাকায় শাল্লা প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনীর অনুষ্ঠানের প্রোগ্রাম করা হয়েছে। এমনকি ৩০০ জন লোকের খাবারের বরাদ্দ থাকলেও কোনো কিছুই দেওয়া হয়নি। ৫০ জন স্পেশাল অতিথির জন্য ২০ হাজার টাকা বরাদ্দ থাকলেও কিছুরই আয়োজন করা হয়নি। ভ্যাকসিন, মেডিসিন ও খামারিদের পরিবহন খরচ দেওয়ার কথা থাকলেও টাকা দেওয়া হয়নি।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ও প্রদর্শনী অনুষ্ঠানের সদস্যসচিব তপন কান্তি পাল বলেন, বরাদ্দ অনুযায়ী সকল বিল পরিশোধ করা হয়েছে। এখানে কোনো কারচুপি হয়নি। যারা অভিযোগ করছে তা সঠিক নয়।
ডেকোরেটার্সের টাকার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ৬৯ হাজার ৫০০ টাকা বরাদ্দ করা হয়। এ বরাদ্দ অনুযায়ী সকল টাকা ডেকোরেটার্স মালিককে দেওয়া হয়েছে।
প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী কমিটির সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবু তালেব বলেন, ইউএলও নিজের ইচ্ছেমতো সবকিছু করেছেন। আমি কমিটির সভাপতি অথচ আমাকে কিছুই অবগত করা হয়নি।
ইউএনও আরও বলেন, এ বিষয় নিয়ে আমি জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলব।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
২ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
২ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৩ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে