শান্তিগঞ্জ (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি

পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন, ‘দেশ আইন ও সংবিধানের নিয়মে চলে, নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করা এটা গণতন্ত্রের কাজ নয়। দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সবাইকে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে হবে। যারা নির্বাচনকে প্রতিহতের চেষ্টা করবে দেশে নির্বাচন কমিশন আছে, নির্বাচন কমিশনের আইনে তাদেরকে বিচার করা হবে, এটা আইনে বলা আছে।’
আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় শান্তিগঞ্জের এফআইভিডিবির হল রুমে সুনামগঞ্জের হাওর এলাকার সমন্বিত পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনার নিমিত্ত সম্ভাব্যতা সমীক্ষা শীর্ষক প্রকল্পের ওপর মতবিনিময় কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, ‘সুনামগঞ্জের মানুষ দীর্ঘদিন অবহেলিত ছিল। বর্তমানে শেখ হাসিনার সরকার সুনামগঞ্জে হাওর পাড়ের মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করেছেন। আগামী দিনেও শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়নকাজ চলমান থাকবে। আসন্ন নির্বাচনেও উন্নয়নকাজ থেমে থাকবে না। দেশের সকল নির্মাণ প্রকল্পে কাজ চলমান রাখা হবে। তবে নির্বাচনকে সামনে রেখে নতুন কোনো প্রকল্প নেওয়া হবে না। এরই মধ্যে সুনামগঞ্জে বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও সুনামগঞ্জ টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট নির্মাণকাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ও নির্মাণকাজ শুরু হবে। ভবিষ্যতে সুনামগঞ্জবাসীর জন্য হাওরের দুর্গম এলাকায় উড়াল সেতু নির্মাণ করা হবে, যাতে বর্ষা হেমন্তে নির্বিঘ্নে লোকজন চলাচল করতে পারে। এটা শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই বাস্তবায়ন করা হবে।’
মন্ত্রী আরও বলেন, ‘সুনামগঞ্জের ফসল রক্ষা বাঁধ, স্থায়ী নদী খনন ও সমন্বিত পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে নতুন প্রকল্পে তৈরি করে বাস্তবায়ন করা হলে সুনামগঞ্জবাসী উপকৃত হবেন। বর্তমান সরকার হাজার কোটি টাকার প্রকল্পও বাস্তবায়ন করেছে। আর সুনামগঞ্জবাসীর জন্য তিন-চার হাজার কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়ন করা কোনো সমস্যা হবে না। প্রকল্পটি ভালোভাবে গ্রহণ করেন। যাতে সুনামগঞ্জবাসীর উপকারে আসে।’
জেলা প্রশাসক দিদারে আলম মোহাম্মদ মাকসুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে মতবিনিময় কর্মশালায় অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড পূর্ব রিজিয়নের মহাপরিচালক এস এম শহিদুল ইসলাম, সিলেট উত্তর পূর্বাঞ্চলের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী খুশি মোহন সরকার, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী (পরিকল্পনা-১) মুহাম্মদ আব্দুর রাকিব, সুনামগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক বিমল চন্দ্র সো, হাওর বাঁচাও আন্দোলনের নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু সুফিয়ান, মুক্তিযোদ্ধা আমজাদ হোসেন, আওয়ামী লীগ নেতা হাজী তহুর আলীসহ প্রমুখ।
কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন—শান্তিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আনোয়ার উজ জামান, শান্তিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাসনাত হোসেন, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান প্রভাষক নূর হোসেনসহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ প্রমুখ।
এরপর দুপুর সাড়ে ১২টায় শান্তিগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চত্বরে হাওরাঞ্চলে সমন্বিত প্রাণীসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় নির্বাচিত সুফলভোগীদের মাঝে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মোরগ ও ভেড়া বিতরণ করেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান এমপি।

পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন, ‘দেশ আইন ও সংবিধানের নিয়মে চলে, নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করা এটা গণতন্ত্রের কাজ নয়। দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সবাইকে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে হবে। যারা নির্বাচনকে প্রতিহতের চেষ্টা করবে দেশে নির্বাচন কমিশন আছে, নির্বাচন কমিশনের আইনে তাদেরকে বিচার করা হবে, এটা আইনে বলা আছে।’
আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় শান্তিগঞ্জের এফআইভিডিবির হল রুমে সুনামগঞ্জের হাওর এলাকার সমন্বিত পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনার নিমিত্ত সম্ভাব্যতা সমীক্ষা শীর্ষক প্রকল্পের ওপর মতবিনিময় কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, ‘সুনামগঞ্জের মানুষ দীর্ঘদিন অবহেলিত ছিল। বর্তমানে শেখ হাসিনার সরকার সুনামগঞ্জে হাওর পাড়ের মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করেছেন। আগামী দিনেও শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়নকাজ চলমান থাকবে। আসন্ন নির্বাচনেও উন্নয়নকাজ থেমে থাকবে না। দেশের সকল নির্মাণ প্রকল্পে কাজ চলমান রাখা হবে। তবে নির্বাচনকে সামনে রেখে নতুন কোনো প্রকল্প নেওয়া হবে না। এরই মধ্যে সুনামগঞ্জে বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও সুনামগঞ্জ টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট নির্মাণকাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ও নির্মাণকাজ শুরু হবে। ভবিষ্যতে সুনামগঞ্জবাসীর জন্য হাওরের দুর্গম এলাকায় উড়াল সেতু নির্মাণ করা হবে, যাতে বর্ষা হেমন্তে নির্বিঘ্নে লোকজন চলাচল করতে পারে। এটা শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই বাস্তবায়ন করা হবে।’
মন্ত্রী আরও বলেন, ‘সুনামগঞ্জের ফসল রক্ষা বাঁধ, স্থায়ী নদী খনন ও সমন্বিত পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে নতুন প্রকল্পে তৈরি করে বাস্তবায়ন করা হলে সুনামগঞ্জবাসী উপকৃত হবেন। বর্তমান সরকার হাজার কোটি টাকার প্রকল্পও বাস্তবায়ন করেছে। আর সুনামগঞ্জবাসীর জন্য তিন-চার হাজার কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়ন করা কোনো সমস্যা হবে না। প্রকল্পটি ভালোভাবে গ্রহণ করেন। যাতে সুনামগঞ্জবাসীর উপকারে আসে।’
জেলা প্রশাসক দিদারে আলম মোহাম্মদ মাকসুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে মতবিনিময় কর্মশালায় অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড পূর্ব রিজিয়নের মহাপরিচালক এস এম শহিদুল ইসলাম, সিলেট উত্তর পূর্বাঞ্চলের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী খুশি মোহন সরকার, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী (পরিকল্পনা-১) মুহাম্মদ আব্দুর রাকিব, সুনামগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক বিমল চন্দ্র সো, হাওর বাঁচাও আন্দোলনের নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু সুফিয়ান, মুক্তিযোদ্ধা আমজাদ হোসেন, আওয়ামী লীগ নেতা হাজী তহুর আলীসহ প্রমুখ।
কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন—শান্তিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আনোয়ার উজ জামান, শান্তিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাসনাত হোসেন, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান প্রভাষক নূর হোসেনসহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ প্রমুখ।
এরপর দুপুর সাড়ে ১২টায় শান্তিগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চত্বরে হাওরাঞ্চলে সমন্বিত প্রাণীসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় নির্বাচিত সুফলভোগীদের মাঝে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মোরগ ও ভেড়া বিতরণ করেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান এমপি।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৫ ঘণ্টা আগে