আব্দুল্লাহ আল মারুফ, সিরাজগঞ্জ

সিরাজগঞ্জ শহরের প্রাণকেন্দ্রে দাঁড়িয়ে আছে অগ্নিনির্বাপণ বাহিনীর পুরোনো একটি ভবন। এই ভবন থেকেই ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের কর্মীরা প্রতিদিন মানুষের জীবন ও সম্পদ বাঁচাতে দৌড়ে যান আগুন বা দুর্যোগের সময়। কিন্তু যেসব মানুষ সবার নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি নেন, তাঁদের নিজস্ব ঠিকানাটিই এখন মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে। ছাদের পলেস্তারা খসে পড়া, দেয়ালে ফাটল—এমন ঝুঁকিতেই চলছে কার্যক্রম।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ফায়ার স্টেশন ও সিভিল ডিফেন্স ভবনের স্টেশন অফিস, পরিদর্শন কক্ষ, ব্যারাক, স্টোর রুম, গ্যারেজ, দাপ্তরিক কার্যালয়সহ বিভিন্ন জায়গায় ফাটল দেখা দিয়েছে। কোথাও কোথাও পলেস্তারা খসে পড়েছে, বিমের রড বের হয়ে এসেছে। কর্মীরা জানিয়েছেন, ভূমিকম্প ছাড়াও ভবনটি হঠাৎ ভেঙে পড়তে পারে।
ফায়ার স্টেশনের সূত্রে জানা গেছে, ১৯৬১ সালে নির্মিত হয় ভবনটি। বর্তমানে সিরাজগঞ্জ ফায়ার স্টেশনে কর্মরত আছেন ১৬ জন ফায়ার ফাইটার, পাঁচজন চালক, তিনজন লিডার, একজন সাব-অফিসার, একজন স্টেশন অফিসার এবং একজন উপসহকারী পরিচালক। এ ছাড়া অস্থায়ীভাবে কাজ করছেন একজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও দুজন বাবুর্চি। তাঁরা সবাই ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে কাজ করছেন। এমনকি স্টেশন অফিসের বাসভবনে স্টেশন ইনচার্জের একটি পরিবারও বসবাস করে।
ফায়ার ফাইটার মহন আলী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা ঝুঁকি নিয়েই দিনে-রাতে ডিউটি করি। ভবনটি অনেক পুরোনো। বৃষ্টি হলেই অফিসরুম ও স্যারের রুমে পানি পড়ে।’ অন্য ফায়ার ফাইটার আবু বক্কর সিদ্দিকী বলেন, ‘মানুষকে দুর্যোগকালে আমরা সেবা দেই, কিন্তু নিজেরা আছি ঝুঁকির মধ্যে। ছাদ ধসে পড়ে, বৃষ্টির পানি ঢোকে। টয়লেট, গ্যারেজ, স্টোররুমেও একই অবস্থা। আমরা সরকারের কাছে বিনীত অনুরোধ করছি, দ্রুত নতুন ভবন নির্মাণ করা হোক।’

ওয়ারহাউস ইন্সপেক্টর মঞ্জুরুল আলম বলেন, ‘ভবনের বিমে ফাটল দেখা দিয়েছে, রড বের হয়ে গেছে। যেকোনো সময় ভবন ধসে পড়তে পারে। জরুরি ভিত্তিতে নতুন ভবন তৈরি করা হলে আমরা চিন্তামুক্ত থাকতাম।’ লিডার মাহফুজুর রহমান বলেন, ‘ছাদের বিম ভেঙে আমাদের গাড়ির ওপরে পড়েছে। এতে গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গ্যারেজ, স্টোররুম, এমনকি উপসহকারী পরিচালক স্যারের রুমেও বৃষ্টি হলে পানি পড়ে। আমরা চাই জরুরি ভিত্তিতে নতুন ভবন তৈরি হোক।’
এ বিষয়ে জানতে সিরাজগঞ্জ গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মাহমুদুল হককে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। তবে সচেতন নাগরিক হিসেবে কথা হয় সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জাহিদ হাসানের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘ফায়ার সার্ভিসের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা ঝুঁকির মধ্যে থাকলে সেবা কার্যক্রমও বাধাগ্রস্ত হতে পারে। দ্রুত নতুন ভবন নির্মাণে উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।’

সিরাজগঞ্জ শহরের প্রাণকেন্দ্রে দাঁড়িয়ে আছে অগ্নিনির্বাপণ বাহিনীর পুরোনো একটি ভবন। এই ভবন থেকেই ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের কর্মীরা প্রতিদিন মানুষের জীবন ও সম্পদ বাঁচাতে দৌড়ে যান আগুন বা দুর্যোগের সময়। কিন্তু যেসব মানুষ সবার নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি নেন, তাঁদের নিজস্ব ঠিকানাটিই এখন মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে। ছাদের পলেস্তারা খসে পড়া, দেয়ালে ফাটল—এমন ঝুঁকিতেই চলছে কার্যক্রম।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ফায়ার স্টেশন ও সিভিল ডিফেন্স ভবনের স্টেশন অফিস, পরিদর্শন কক্ষ, ব্যারাক, স্টোর রুম, গ্যারেজ, দাপ্তরিক কার্যালয়সহ বিভিন্ন জায়গায় ফাটল দেখা দিয়েছে। কোথাও কোথাও পলেস্তারা খসে পড়েছে, বিমের রড বের হয়ে এসেছে। কর্মীরা জানিয়েছেন, ভূমিকম্প ছাড়াও ভবনটি হঠাৎ ভেঙে পড়তে পারে।
ফায়ার স্টেশনের সূত্রে জানা গেছে, ১৯৬১ সালে নির্মিত হয় ভবনটি। বর্তমানে সিরাজগঞ্জ ফায়ার স্টেশনে কর্মরত আছেন ১৬ জন ফায়ার ফাইটার, পাঁচজন চালক, তিনজন লিডার, একজন সাব-অফিসার, একজন স্টেশন অফিসার এবং একজন উপসহকারী পরিচালক। এ ছাড়া অস্থায়ীভাবে কাজ করছেন একজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও দুজন বাবুর্চি। তাঁরা সবাই ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে কাজ করছেন। এমনকি স্টেশন অফিসের বাসভবনে স্টেশন ইনচার্জের একটি পরিবারও বসবাস করে।
ফায়ার ফাইটার মহন আলী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা ঝুঁকি নিয়েই দিনে-রাতে ডিউটি করি। ভবনটি অনেক পুরোনো। বৃষ্টি হলেই অফিসরুম ও স্যারের রুমে পানি পড়ে।’ অন্য ফায়ার ফাইটার আবু বক্কর সিদ্দিকী বলেন, ‘মানুষকে দুর্যোগকালে আমরা সেবা দেই, কিন্তু নিজেরা আছি ঝুঁকির মধ্যে। ছাদ ধসে পড়ে, বৃষ্টির পানি ঢোকে। টয়লেট, গ্যারেজ, স্টোররুমেও একই অবস্থা। আমরা সরকারের কাছে বিনীত অনুরোধ করছি, দ্রুত নতুন ভবন নির্মাণ করা হোক।’

ওয়ারহাউস ইন্সপেক্টর মঞ্জুরুল আলম বলেন, ‘ভবনের বিমে ফাটল দেখা দিয়েছে, রড বের হয়ে গেছে। যেকোনো সময় ভবন ধসে পড়তে পারে। জরুরি ভিত্তিতে নতুন ভবন তৈরি করা হলে আমরা চিন্তামুক্ত থাকতাম।’ লিডার মাহফুজুর রহমান বলেন, ‘ছাদের বিম ভেঙে আমাদের গাড়ির ওপরে পড়েছে। এতে গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গ্যারেজ, স্টোররুম, এমনকি উপসহকারী পরিচালক স্যারের রুমেও বৃষ্টি হলে পানি পড়ে। আমরা চাই জরুরি ভিত্তিতে নতুন ভবন তৈরি হোক।’
এ বিষয়ে জানতে সিরাজগঞ্জ গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মাহমুদুল হককে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। তবে সচেতন নাগরিক হিসেবে কথা হয় সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জাহিদ হাসানের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘ফায়ার সার্ভিসের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা ঝুঁকির মধ্যে থাকলে সেবা কার্যক্রমও বাধাগ্রস্ত হতে পারে। দ্রুত নতুন ভবন নির্মাণে উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।’

চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও এলাকায় পারিবারিক বিরোধের জেরে স্বামীর ছুরিকাঘাতে সালমা আক্তার (৩৮) নামের এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত স্বামীকে ধরে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেন।
৮ মিনিট আগে
নির্বাচনকালীন দায়িত্ব প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, জনগণের আস্থা অর্জন ছাড়া কেবল শক্তি প্রয়োগ করে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
নিহত আমেনা বেগমের বড় ভাই মোহাম্মদ ফোরকান বলেন, ‘বিয়ের সময় যৌতুক ও নগদ ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল। এরপরও বিভিন্ন সময়ে টাকা দাবি করে নির্যাতন চালানো হয়েছে। এখন আমার বোনকে বিষ খাইয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
১ ঘণ্টা আগে
পুলিশ জানায়, হামলার অভিযোগ এনে জামায়াতের যুব বিভাগের চরশাহী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি হেজবুল্লাহ সোহেল বাদী হয়ে ১৭০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এতে ১০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ১৬০ জনকে আসামি করা হয়।
২ ঘণ্টা আগে