সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

শিক্ষা সনদ জাল হওয়ায় সিরাজগঞ্জের বেলকুচি পৌরসভার মেয়র সাজ্জাদুল হক রেজাকে বেলকুচি মডেল কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এসংক্রান্ত লিখিত অভিযোগ যাচাই-বাছাই শেষে প্রমাণ পেয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ওই দায়িত্ব থেকে তাঁকে সরিয়ে দেয়। গত ১২ ফেব্রুয়ারি তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হলেও এর পেছনের কারণ সম্প্রতি জানাজানি হয়।
বেলকুচি মডেল কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতির দায়িত্ব পাওয়া বেলকুচি পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হাফিজুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ‘আগামী ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বেলকুচি মডেল কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি হিসেবে সাজ্জাদুল হক রেজার দায়িত্ব পালন করার কথা ছিল। কিন্তু শিক্ষা সনদসংক্রান্ত জটিলতার কারণে তাঁকে সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে দিয়ে আমাকে দায়িত্ব দেয় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়।’
এর আগে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ পরিদর্শককে (ভারপ্রাপ্ত) চিঠি দিয়ে মেয়রের সনদ জাল বলে নিশ্চিত করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত কলেজ পরিদর্শক ফাহিমা সুলতানা।
এ বিষয়ে দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মুহম্মদ ওসমান গণী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সাজ্জাদুল হক রেজার বিবিএ ও এমবিএর শিক্ষা সনদকে জাল দাবি করে আমাদের কাছে ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বরাবর অভিযোগ দাখিল করেন বেলকুচি মডেল কলেজের তৎকালীন সহকারী অধ্যাপক মো. আল মামুন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আমরা সাজ্জাদুল হক রেজার বিবিএ ও এমবিএর সনদ যাচাই করি। তাতে তার সনদ জাল বলে প্রমাণিত হয়। বিষয়টি আমরা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে চিঠি দিয়ে জানিয়েছি।’
এ বিষয়ে অভিযোগকারী বেলকুচি মডেল কলেজের অধ্যক্ষ (তৎকালীন সহকারী অধ্যাপক) মো. আল মামুন বলেন, বেলকুচি মডেল কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি সাজ্জাদুল হক রেজার বিবিএ ও এমবিএর সনদে রোল নম্বর ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর উল্লেখ নেই। বিষয়টি জানার পর আমি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ে অভিযোগ জানাই। এরই পরিপ্রেক্ষিতে তাঁর সনদ যাচাই-বাছাই করে অবৈধ ঘোষণা করা হয়। পরে তাঁকে গভর্নিং বডির সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে বেলকুচি পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হাফিজুর রহমানকে দায়িত্ব দেয় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়।’
আল মামুন সাজ্জাদুল হক রেজার বিবিএ ও এমবিএর সনদ জাল উল্লেখ করে গত ৬ ফেব্রুয়ারি দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ে অভিযোগ দাখিল করেন বেলকুচি মডেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক মো. আল মামুন। এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মেয়র রেজার সনদ যাচাই-বাছাই করে দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
বেলকুচি পৌর মেয়রের বিবিএ ও এমবিএর সনদ জাল উল্লেখ করে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ পরিদর্শককেও (ভারপ্রাপ্ত) চিঠি দিয়ে অবগত করা হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে গত ১২ ফেব্রুয়ারি বেলকুচি মডেল কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতির পদ থেকে সাজ্জাদুল হক রেজাকে সরিয়ে দিয়ে বেলকুচি পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হাফিজুর রহমানকে সভাপতি মনোনয়ন দেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত কলেজ পরিদর্শক ফাহিমা সুলতানা।
এ বিষয়ে জানতে বেলকুচি পৌর মেয়র সাজ্জাদুল হক রেজাকে এবাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

শিক্ষা সনদ জাল হওয়ায় সিরাজগঞ্জের বেলকুচি পৌরসভার মেয়র সাজ্জাদুল হক রেজাকে বেলকুচি মডেল কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এসংক্রান্ত লিখিত অভিযোগ যাচাই-বাছাই শেষে প্রমাণ পেয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ওই দায়িত্ব থেকে তাঁকে সরিয়ে দেয়। গত ১২ ফেব্রুয়ারি তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হলেও এর পেছনের কারণ সম্প্রতি জানাজানি হয়।
বেলকুচি মডেল কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতির দায়িত্ব পাওয়া বেলকুচি পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হাফিজুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ‘আগামী ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বেলকুচি মডেল কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি হিসেবে সাজ্জাদুল হক রেজার দায়িত্ব পালন করার কথা ছিল। কিন্তু শিক্ষা সনদসংক্রান্ত জটিলতার কারণে তাঁকে সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে দিয়ে আমাকে দায়িত্ব দেয় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়।’
এর আগে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ পরিদর্শককে (ভারপ্রাপ্ত) চিঠি দিয়ে মেয়রের সনদ জাল বলে নিশ্চিত করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত কলেজ পরিদর্শক ফাহিমা সুলতানা।
এ বিষয়ে দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মুহম্মদ ওসমান গণী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সাজ্জাদুল হক রেজার বিবিএ ও এমবিএর শিক্ষা সনদকে জাল দাবি করে আমাদের কাছে ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বরাবর অভিযোগ দাখিল করেন বেলকুচি মডেল কলেজের তৎকালীন সহকারী অধ্যাপক মো. আল মামুন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আমরা সাজ্জাদুল হক রেজার বিবিএ ও এমবিএর সনদ যাচাই করি। তাতে তার সনদ জাল বলে প্রমাণিত হয়। বিষয়টি আমরা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে চিঠি দিয়ে জানিয়েছি।’
এ বিষয়ে অভিযোগকারী বেলকুচি মডেল কলেজের অধ্যক্ষ (তৎকালীন সহকারী অধ্যাপক) মো. আল মামুন বলেন, বেলকুচি মডেল কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি সাজ্জাদুল হক রেজার বিবিএ ও এমবিএর সনদে রোল নম্বর ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর উল্লেখ নেই। বিষয়টি জানার পর আমি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ে অভিযোগ জানাই। এরই পরিপ্রেক্ষিতে তাঁর সনদ যাচাই-বাছাই করে অবৈধ ঘোষণা করা হয়। পরে তাঁকে গভর্নিং বডির সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে বেলকুচি পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হাফিজুর রহমানকে দায়িত্ব দেয় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়।’
আল মামুন সাজ্জাদুল হক রেজার বিবিএ ও এমবিএর সনদ জাল উল্লেখ করে গত ৬ ফেব্রুয়ারি দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ে অভিযোগ দাখিল করেন বেলকুচি মডেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক মো. আল মামুন। এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মেয়র রেজার সনদ যাচাই-বাছাই করে দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
বেলকুচি পৌর মেয়রের বিবিএ ও এমবিএর সনদ জাল উল্লেখ করে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ পরিদর্শককেও (ভারপ্রাপ্ত) চিঠি দিয়ে অবগত করা হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে গত ১২ ফেব্রুয়ারি বেলকুচি মডেল কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতির পদ থেকে সাজ্জাদুল হক রেজাকে সরিয়ে দিয়ে বেলকুচি পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হাফিজুর রহমানকে সভাপতি মনোনয়ন দেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত কলেজ পরিদর্শক ফাহিমা সুলতানা।
এ বিষয়ে জানতে বেলকুচি পৌর মেয়র সাজ্জাদুল হক রেজাকে এবাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে