কাজীপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি

সিরাজগঞ্জের কাজীপুরে ঘুষের টাকা ফেরতের দাবিতে শিক্ষিকার মরদেহ নিয়ে বিদ্যালয়ে অবস্থান নেন স্বজনেরা। এ ঘটনায় ঘুষের টাকা ফেরত দিলেন জিসিজি বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে ৩ লাখ ৯৫ হাজার টাকা ফেরত দেন তাঁরা। এতে মধ্যস্থতা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সোহরাব হোসেন।
ইউএনও বলেন, ‘জিসিজি বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয়ে ইংরেজি বিষয়ের শিক্ষিকা রোকেয়া খাতুনকে এমপিওভুক্তি করে দেওয়ার কথা বলে কয়েক ধাপে ৩ লাখ ৯৫ হাজার টাকা নিয়েছিলেন বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক ও সভাপতি। প্রতিশ্রুতি মোতাবেক তাঁরা সেই টাকা ফেরত দিয়েছেন আমার উপস্থিতিতেই।’
ইউএনও আরও বলেন, ‘শিক্ষক নিয়োগে প্রতারণা ও বেতনহীন ২০ বছরের পারিশ্রমিক চেয়ে রোকেয়ার স্বামী জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করেছেন। জেলা প্রশাসকের নির্দেশনায় পরবর্তী সময় তদন্ত করে সে বিষয়ে সুপারিশ করা হবে।’
শিক্ষিকা রোকেয়া খাতুনের স্বামী আব্দুল করিম বলেন, ‘বেতন করে দেওয়ার কথা বলে সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক যে টাকা নিয়েছিলেন তা ফেরত পেয়েছি। তবে আমার স্ত্রীকে বিগত ২০টি বছর বেতনহীন খাঁটিয়ে নিয়েছেন তার পারিশ্রমিক চাই আমরা। জেলা প্রশাসক বরাবর অভিযোগ দিয়েছি।’
এর আগে একাধিকবার ঘুষ দিয়েও এমপিওভুক্তি না হওয়ার হতাশায় রোকেয়া খাতুন স্ট্রোক করে গত সোমবার মারা যান। পরে ঘুষের টাকা ফেরতের দাবিতে ওই দিন সকালে শিক্ষিকার মরদেহ নিয়ে বিদ্যালয়ে অবস্থান নেন স্বজনেরা। তোপের মুখে জনতার সামনে ঘুষের ৩ লাখ ৯৫ হাজার টাকা ফেরতের প্রতিশ্রুতি দেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফরিদুল ইসলাম এবং বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও কাজীপুর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান দ্বীন মোহাম্মদ বাবলু। ইউএনও সোহরাব হোসেন ও কাজীপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুল মজিদের উপস্থিতিতে তিন দিনের মধ্যে সেই টাকা ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলে স্বজনেরা মরদেহ দাফনের ব্যবস্থা করেন।

সিরাজগঞ্জের কাজীপুরে ঘুষের টাকা ফেরতের দাবিতে শিক্ষিকার মরদেহ নিয়ে বিদ্যালয়ে অবস্থান নেন স্বজনেরা। এ ঘটনায় ঘুষের টাকা ফেরত দিলেন জিসিজি বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে ৩ লাখ ৯৫ হাজার টাকা ফেরত দেন তাঁরা। এতে মধ্যস্থতা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সোহরাব হোসেন।
ইউএনও বলেন, ‘জিসিজি বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয়ে ইংরেজি বিষয়ের শিক্ষিকা রোকেয়া খাতুনকে এমপিওভুক্তি করে দেওয়ার কথা বলে কয়েক ধাপে ৩ লাখ ৯৫ হাজার টাকা নিয়েছিলেন বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক ও সভাপতি। প্রতিশ্রুতি মোতাবেক তাঁরা সেই টাকা ফেরত দিয়েছেন আমার উপস্থিতিতেই।’
ইউএনও আরও বলেন, ‘শিক্ষক নিয়োগে প্রতারণা ও বেতনহীন ২০ বছরের পারিশ্রমিক চেয়ে রোকেয়ার স্বামী জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করেছেন। জেলা প্রশাসকের নির্দেশনায় পরবর্তী সময় তদন্ত করে সে বিষয়ে সুপারিশ করা হবে।’
শিক্ষিকা রোকেয়া খাতুনের স্বামী আব্দুল করিম বলেন, ‘বেতন করে দেওয়ার কথা বলে সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক যে টাকা নিয়েছিলেন তা ফেরত পেয়েছি। তবে আমার স্ত্রীকে বিগত ২০টি বছর বেতনহীন খাঁটিয়ে নিয়েছেন তার পারিশ্রমিক চাই আমরা। জেলা প্রশাসক বরাবর অভিযোগ দিয়েছি।’
এর আগে একাধিকবার ঘুষ দিয়েও এমপিওভুক্তি না হওয়ার হতাশায় রোকেয়া খাতুন স্ট্রোক করে গত সোমবার মারা যান। পরে ঘুষের টাকা ফেরতের দাবিতে ওই দিন সকালে শিক্ষিকার মরদেহ নিয়ে বিদ্যালয়ে অবস্থান নেন স্বজনেরা। তোপের মুখে জনতার সামনে ঘুষের ৩ লাখ ৯৫ হাজার টাকা ফেরতের প্রতিশ্রুতি দেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফরিদুল ইসলাম এবং বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও কাজীপুর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান দ্বীন মোহাম্মদ বাবলু। ইউএনও সোহরাব হোসেন ও কাজীপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুল মজিদের উপস্থিতিতে তিন দিনের মধ্যে সেই টাকা ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলে স্বজনেরা মরদেহ দাফনের ব্যবস্থা করেন।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে