উল্লাপাড়া (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি

ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ার কামারপল্লিতে বেড়েছে কর্মব্যস্ততা। প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত যেন দম ফেলার ফুসরত নেই কামারিদের। কোরবানির পশু জবাই ও মাংস প্রস্তুতের জন্য এখন চলছে চাপাতি, দা, বটি, কাটারি, ছোরাসহ নানা হাতিয়ার তৈরির কাজ। কামারপল্লিতে কেউ আসছেন পুরোনো যন্ত্রগুলো মেরামত করার জন্য। আবার কেউ আসছেন নতুন করে কিনতে।
উপজেলা সমাজসেবা অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, এ উপজেলায় অনলাইনে আবেদনকৃত মোট প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সংখ্যা রয়েছে ১ হাজার ৪১ জন। এর মধ্যে কামারের সংখ্যা রয়েছে ৭০ জন।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, কোরবানির ঈদ যতই ঘনিয়ে আসছে, কামারিদের কর্মব্যস্ততা ততই বাড়ছে। বর্তমানে তারা খুব ব্যস্ত সময় পার করছেন। কয়লার আগুনে বাতাস দিয়ে লোহার খণ্ডকে দগদগে লাল করছেন তাঁরা। সেই আগুনে লাল হওয়া লোহার খণ্ডগুলো হাতুড়ি দিয়ে একের পর এক আঘাত করছেন তাঁরা। এভাবে তৈরি করা হচ্ছে নানা ধরনের যন্ত্র।
উপজেলার দুর্গানগর ইউনিয়নের আলামিন হোসেনের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, তিনি বড় ছুড়ি ও দা তৈরি করার জন্য এসেছেন। প্রতিবারের মতো এবারও এসেছেন তিনি। তবে এবার দামটা একটু বেশি বলে দাবি করছেন আলামিন হোসেন। এখন একটি কাটারির দাম ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা এবং বড় একটা ছুরির দাম ১ হাজার ৩০০ টাকা থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা ধরা হয়েছে। যা গত বছরের তুলনায় অনেক বেশি।
বাকুয়া গ্রামের কামার মিজান হোসেন বলেন, ‘বছরের অন্য সময় অলস সময় পাড় করলেও কোরবানির ঈদকে ঘিরে এখন আমাদের ব্যস্ত সময় যাচ্ছে। প্রতিটি কামারের দোকানেই এখন টুংটাং শব্দে কেউ পুরোনো জিনিস আগুনে পিটিয়ে নতুন করছেন, কেউবা আবার লোহা কিনে এনে আগুনে পুড়িয়ে তা নানা ধরনের জিনিসে পরিণত করছে। তবে লোহা এবং কয়লার দাম বাড়ায় জিনিসের দাম এবার তুলনামূলক একটু বেশি।’
এ বিষয়ে উল্লাপাড়া উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোতালিব হোসেন আজকের পত্রিকাকে জানান, উপজেলা সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে ১৫ জন কামারকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। প্রশিক্ষণ শেষে প্রত্যেককে ১৮ হাজার করে টাকা প্রদান করা হয়।

ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ার কামারপল্লিতে বেড়েছে কর্মব্যস্ততা। প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত যেন দম ফেলার ফুসরত নেই কামারিদের। কোরবানির পশু জবাই ও মাংস প্রস্তুতের জন্য এখন চলছে চাপাতি, দা, বটি, কাটারি, ছোরাসহ নানা হাতিয়ার তৈরির কাজ। কামারপল্লিতে কেউ আসছেন পুরোনো যন্ত্রগুলো মেরামত করার জন্য। আবার কেউ আসছেন নতুন করে কিনতে।
উপজেলা সমাজসেবা অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, এ উপজেলায় অনলাইনে আবেদনকৃত মোট প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সংখ্যা রয়েছে ১ হাজার ৪১ জন। এর মধ্যে কামারের সংখ্যা রয়েছে ৭০ জন।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, কোরবানির ঈদ যতই ঘনিয়ে আসছে, কামারিদের কর্মব্যস্ততা ততই বাড়ছে। বর্তমানে তারা খুব ব্যস্ত সময় পার করছেন। কয়লার আগুনে বাতাস দিয়ে লোহার খণ্ডকে দগদগে লাল করছেন তাঁরা। সেই আগুনে লাল হওয়া লোহার খণ্ডগুলো হাতুড়ি দিয়ে একের পর এক আঘাত করছেন তাঁরা। এভাবে তৈরি করা হচ্ছে নানা ধরনের যন্ত্র।
উপজেলার দুর্গানগর ইউনিয়নের আলামিন হোসেনের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, তিনি বড় ছুড়ি ও দা তৈরি করার জন্য এসেছেন। প্রতিবারের মতো এবারও এসেছেন তিনি। তবে এবার দামটা একটু বেশি বলে দাবি করছেন আলামিন হোসেন। এখন একটি কাটারির দাম ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা এবং বড় একটা ছুরির দাম ১ হাজার ৩০০ টাকা থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা ধরা হয়েছে। যা গত বছরের তুলনায় অনেক বেশি।
বাকুয়া গ্রামের কামার মিজান হোসেন বলেন, ‘বছরের অন্য সময় অলস সময় পাড় করলেও কোরবানির ঈদকে ঘিরে এখন আমাদের ব্যস্ত সময় যাচ্ছে। প্রতিটি কামারের দোকানেই এখন টুংটাং শব্দে কেউ পুরোনো জিনিস আগুনে পিটিয়ে নতুন করছেন, কেউবা আবার লোহা কিনে এনে আগুনে পুড়িয়ে তা নানা ধরনের জিনিসে পরিণত করছে। তবে লোহা এবং কয়লার দাম বাড়ায় জিনিসের দাম এবার তুলনামূলক একটু বেশি।’
এ বিষয়ে উল্লাপাড়া উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোতালিব হোসেন আজকের পত্রিকাকে জানান, উপজেলা সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে ১৫ জন কামারকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। প্রশিক্ষণ শেষে প্রত্যেককে ১৮ হাজার করে টাকা প্রদান করা হয়।

ফরিদপুরে নগরকান্দা উপজেলায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলের এক ইউনিয়ন নির্বাচন কমিটির আহ্বায়ককে কুপিয়ে ও হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জখম করা হয়েছে। ভুক্তভোগীর পরিবারের দাবি, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গতকাল বুধবার রাতে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের লোকজন তাঁর ওপর হামলা চালিয়েছে।
৫ মিনিট আগে
ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনের বগি বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনা ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ দুই ঘণ্টা বন্ধ ছিল। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) বেলা সোয়া ৩টার দিকে গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানার মশাখালী রেলস্টেশনের আউটার দেউলপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
৩৭ মিনিট আগে
অন্তর্বর্তী সরকার প্রণীত ২০২৬—২০৫০ সালের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের মহাপরিকল্পনার খসড়াকে ত্রুটিপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) রিসার্চ ডিরেক্টর খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম।
৪২ মিনিট আগে
জুলাই জাতীয় সনদ পাস হলে সংবিধান থেকে ১৯৭১ সালের ইতিহাস মুছে ফেলা হবে কিংবা ‘বিসমিল্লাহ’ বাদ দেওয়া হবে—এমন প্রচারণার কোনো ভিত্তি নেই বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ও গণভোটসংক্রান্ত জনসচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রমের মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক আলী রীয়াজ।
৪৩ মিনিট আগে