নালিতাবাড়ী (শেরপুর) প্রতিনিধি

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় খাদ্যের সন্ধানে সমতলে নেমে আসছে অর্ধশতাধিক বন্য হাতি। ক্ষুধার তাড়নায় হাতির
পালটি দিশেহারা। খাচ্ছে টিলায় থাকা গাছের ছাল-বাকল। হাতি প্রতিরোধে রাত জেগে পাহারা দিচ্ছেন স্থানীয় কৃষকেরা। তবু বোরো ধান নিয়ে তাঁরা দুশ্চিন্তায় আছেন।
মধুটিলা ইকোপার্কের রেঞ্জ কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম জানান, প্রায় দেড় মাস ধরে অর্ধশতাধিক বন্য হাতির পালটি সীমান্ত এলাকায় অবস্থান করছে। হাতির পালটি গত বুধবার ছিল উপজেলার দাওধারা-কাটাবাড়ী জঙ্গলে। খাদ্যের সন্ধানে এক টিলা থেকে অন্য টিলায় চষে বেড়াচ্ছে হাতিগুলো।
গত সোমবার বিকেলে সরেজমিনে দেখা গেছে, বন্য হাতি দল বেঁধে নাকুগাঁও এলাকায় টিলা থেকে আরেক টিলায় খাদ্যের সন্ধানে ঘুরে বেড়াচ্ছে, সমতলে নেমেও অবস্থান করছে।
বন বিভাগ ও এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, হাতিগুলো খাদ্যের সন্ধানে প্রায় সময়ই টিলা থেকে সমতলে নেমে আসছে। এতে ফসল রক্ষায় কৃষকেরা দিন-রাত পাহারা দিচ্ছেন। নয়াবিল ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে হাতি প্রতিরোধে ফসলি জমি ঘেঁষে হাতিকে ভয় দেখাতে ১০০ মিটার জিআই তার ও একটি জেনারেটর স্থাপন করা হয়েছে।
নাকুগাঁও গ্রামের কৃষক মো. ইব্রাহিম বলেন, ‘সন্ধ্যা নামার আগেই হাতির দলটি বোরো খেতে নেমে আসার চেষ্টা করে। তখন হুল্লোড় করে হাতির দলকে প্রতিরোধ করা হয়। এলাকায় হাতি থাকায় আমাদের পালা করে রাত জেগে পাহারা দিতে হচ্ছে।’
নয়াবিল ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বলেন, ‘প্রতিবছর বন্য হাতির পাল খাবারের খোঁজে লোকালয়ে এসে ফসল নষ্টের পাশাপাশি প্রাণহানি ঘটাচ্ছে। কৃষকদের সঙ্গে আমিও হাতি প্রতিরোধে সেখানে অবস্থান করছি।’
ময়মনসিংহ বন বিভাগের মধুটিলা রেঞ্জ কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ফসল রক্ষায় এবং হাতিকে নিরাপদ রাখতে বন বিভাগের পাশাপাশি এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিম কাজ করছে। হাতির কারণে কোনো কৃষকের ফসল নষ্ট হলে ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। তাই আমরা বলব, হাতিকে যেন কেউ
বিরক্ত না করে।’

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় খাদ্যের সন্ধানে সমতলে নেমে আসছে অর্ধশতাধিক বন্য হাতি। ক্ষুধার তাড়নায় হাতির
পালটি দিশেহারা। খাচ্ছে টিলায় থাকা গাছের ছাল-বাকল। হাতি প্রতিরোধে রাত জেগে পাহারা দিচ্ছেন স্থানীয় কৃষকেরা। তবু বোরো ধান নিয়ে তাঁরা দুশ্চিন্তায় আছেন।
মধুটিলা ইকোপার্কের রেঞ্জ কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম জানান, প্রায় দেড় মাস ধরে অর্ধশতাধিক বন্য হাতির পালটি সীমান্ত এলাকায় অবস্থান করছে। হাতির পালটি গত বুধবার ছিল উপজেলার দাওধারা-কাটাবাড়ী জঙ্গলে। খাদ্যের সন্ধানে এক টিলা থেকে অন্য টিলায় চষে বেড়াচ্ছে হাতিগুলো।
গত সোমবার বিকেলে সরেজমিনে দেখা গেছে, বন্য হাতি দল বেঁধে নাকুগাঁও এলাকায় টিলা থেকে আরেক টিলায় খাদ্যের সন্ধানে ঘুরে বেড়াচ্ছে, সমতলে নেমেও অবস্থান করছে।
বন বিভাগ ও এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, হাতিগুলো খাদ্যের সন্ধানে প্রায় সময়ই টিলা থেকে সমতলে নেমে আসছে। এতে ফসল রক্ষায় কৃষকেরা দিন-রাত পাহারা দিচ্ছেন। নয়াবিল ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে হাতি প্রতিরোধে ফসলি জমি ঘেঁষে হাতিকে ভয় দেখাতে ১০০ মিটার জিআই তার ও একটি জেনারেটর স্থাপন করা হয়েছে।
নাকুগাঁও গ্রামের কৃষক মো. ইব্রাহিম বলেন, ‘সন্ধ্যা নামার আগেই হাতির দলটি বোরো খেতে নেমে আসার চেষ্টা করে। তখন হুল্লোড় করে হাতির দলকে প্রতিরোধ করা হয়। এলাকায় হাতি থাকায় আমাদের পালা করে রাত জেগে পাহারা দিতে হচ্ছে।’
নয়াবিল ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বলেন, ‘প্রতিবছর বন্য হাতির পাল খাবারের খোঁজে লোকালয়ে এসে ফসল নষ্টের পাশাপাশি প্রাণহানি ঘটাচ্ছে। কৃষকদের সঙ্গে আমিও হাতি প্রতিরোধে সেখানে অবস্থান করছি।’
ময়মনসিংহ বন বিভাগের মধুটিলা রেঞ্জ কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ফসল রক্ষায় এবং হাতিকে নিরাপদ রাখতে বন বিভাগের পাশাপাশি এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিম কাজ করছে। হাতির কারণে কোনো কৃষকের ফসল নষ্ট হলে ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। তাই আমরা বলব, হাতিকে যেন কেউ
বিরক্ত না করে।’

পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
২০ মিনিট আগে
ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে প্রতিবছর সুন্দরবনে অনেক বন্য প্রাণী মারা যায়। এসব প্রাকৃতিক দুর্যোগে বন্য প্রাণীদের নিরাপদে রাখতে বানানো হয়েছে সাতটি টাইগার টিলা (উঁচু কিল্লা)। বাঘ সংরক্ষণ প্রকল্পের আওতায় এসব বানানো হয়েছে। এ ছাড়া টিলার পাশে বন্য প্রাণীদের সুপেয় পানি সরবরাহে খনন করা হয়েছে মিষ্টি পানির পুকুর।
২৪ মিনিট আগে
দীর্ঘ ২৮ বছরের অচলাবস্থা কাটিয়ে ২০ জানুয়ারিতে হতে যাওয়া শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন নিয়ে যেন শঙ্কা কাটছে না। নির্বাচনে দুবার তফসিল ঘোষণা, নির্বাচন কমিশন কর্তৃক স্থগিত করা শেষে এখন ভোট গ্রহণ নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
২৬ মিনিট আগে
সেন্ট মার্টিনের পরিবেশ-প্রতিবেশ রক্ষায় গত বছর থেকে সরকার পর্যটক নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নেয়। পর্যটক সীমিত করার পাশাপাশি দ্বীপে নিষিদ্ধ পলিথিন ও একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিক পণ্য বহন রোধ করাসহ ভ্রমণে ১২টি নির্দেশনা বা শর্ত আরোপ করে।
২৯ মিনিট আগে