
ভারত-বাংলাদেশ সীমানার দেবহাটার ইছামতী নদী থেকে এক মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। আজ মঙ্গলবার ইছামতী নদীর কোমরপুর এলাকার নদীরচর থেকে মরদেহ উদ্ধার হয়। মরদেহের পকেট থেকে ভারতীয় আধার কার্ড উদ্ধার করা হয়েছে।
নিহত ব্যক্তির নাম আহছান হাবিবুল হক (৪৫)। তাঁর পকেট থেকে পাওয়া আইডি কার্ড থেকে জানা গেছে তিনি ভারতের উত্তর ২৪ পরগনার আয়নাল হকের ছেলে।
কোমরপুর বিজিবি ক্যাম্প কমান্ডার এনামুল হক বলেন, ‘ইছামতী নদীতে ভেসে একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা আমাদের খবর দেন। পরে দেবহাটা থানা–পুলিশ ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) উপস্থিতিতে অজ্ঞাত মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘লাশের পরনে ছিল কালো টি-শার্ট ও জিনস প্যান্ট, তাঁর গায়ের রং শ্যামলা। মরদেহের প্যান্টের পকেটে থাকা আইডি কার্ডের মাধ্যমে তাঁর পরিচয় শনাক্ত করে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষাকারী বাহিনীকে (বিএসএফ) বার্তা পাঠানো হয়েছে।’ লাশ উদ্ধারকালে দেবহাটা থানা–পুলিশ ও ১৭ বিজিবি শাখরা ক্যাম্পের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এ বিষয়ে দেবহাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মাহমুদ জানান, ভারতীয় এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বিজিবির পক্ষ থেকে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সঙ্গে কথা হয়েছে। বিষয়টি সরকারি নিয়ম মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মৌলভীবাজার তথা সিলেট বিভাগের ইফতারে অন্যতম জনপ্রিয় ঐতিহ্যবাহী খাবার হলো আখনি পোলাও। এই অঞ্চলের মানুষেরা নিজ বাড়িতে আখনি তৈরির পাশাপাশি রোজার মাসে বড় হাঁড়ির আখনি খাবারের স্বাদ নিতে পরিবার-পরিজন নিয়ে বিভিন্ন হোটেল-রেস্তোরাঁয় ইফতার করতে আসেন। সুগন্ধি চাল, ঘি, গরম মসলা
৫ ঘণ্টা আগে
এবারও নির্ধারিত সময়ে (২৮ ফেব্রুয়ারি) শেষ হয়নি সুনামগঞ্জের হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধের কাজ। অভিযোগ রয়েছে, বাঁধের কাজে সীমাহীন অনিয়ম-দুর্নীতি হয়েছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে মোটা অঙ্কের টাকায় সাব্যস্ত হয়েছে বাঁধ, বরাদ্দ ও প্রকল্প। টেকসই কাজ ও নির্ধারিত সময়সীমার বিপরীতে কে কত টাকায় প্রকল্প বাগিয়ে নিতে...
৫ ঘণ্টা আগে
উঠানে হাঁটুপানি। সেই পানিতে ভাসছে শেওলা। প্রথমে মনে হবে পরিত্যক্ত বাড়ি। অথচ এই বাড়িতেই স্বামী-সন্তান নিয়ে বসবাস করছেন রেখা হালদার। রাস্তা থেকে বাড়িতে ঢুকতে একমাত্র ভরসা বাঁশের সাঁকো। ঘর থেকে পানি সরলেও এখনো কর্দমাক্ত রান্নাঘর, গোয়ালঘর।
৫ ঘণ্টা আগে
এই দিনের জন্যই অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় ছিলেন সবাই। পয়সা খরচ করে বই বের করা প্রকাশক তো বটেই, বইপ্রেমী পাঠকেরাও। জনশূন্য মেলায় ঘুরতে কার ভালো লাগে! স্টলে স্টলে থাকবে ক্রেতা-পাঠকের ভিড়। হাতে থাকবে একগাদা বইয়ের ব্যাগ। সেটিই তো বইমেলার চিরচেনা রূপ!।
৫ ঘণ্টা আগে