সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে তরুণীকে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ ও গর্ভপাতের অভিযোগে সাব্বির আহমেদ (২৫) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর খিলক্ষেত এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে ভুক্তিভোগী বাদী হয়ে কালিগঞ্জ থানায় একটি মামলা করেন।
গ্রেপ্তার সাব্বির আহমেদ উপজেলা নারায়ণপুর গ্রামের মহসিন গাজীর ছেলে। তিনি ঢাকায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত বলে জানা গেছে।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রায় পাঁচ বছর আগে তরুণীর সঙ্গে বিয়ের অনুষ্ঠানে সাব্বির আহমেদের পরিচয় হয়। পরিচয়ের শুরু থেকেই আসামি প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে তাঁকে বিরক্ত করতেন। একপর্যায়ে তাঁদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
বাদীর অভিযোগ, এই সম্পর্কের সুযোগে সাব্বির তাঁকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জায়গায় এমনকি ঢাকায় নিয়ে গিয়ে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক করেন। একপর্যায়ে তিনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে তাঁকে জোর করে উপজেলা একটি বেসরকারি ক্লিনিকে নিয়ে গর্ভপাত করানো হয়।
পরে সাব্বির তাঁকে রাজধানীর খিলক্ষেতের একটি বাসায় নিয়ে যান এবং গত ২১ জুন থেকে ১ জুলাই পর্যন্ত একত্রে অবস্থান করেন। সেই সময়েও যুবক তাঁর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক চালিয়ে যান এবং নানা ধরনের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করেন। পরে তাঁকে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়ে বিদেশ যাওয়ার কথা বলে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন।
এ বিষয়ে কালিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান জানান, এজাহার দায়েরের পরপরই অভিযান চালিয়ে আসামি সাব্বির আহমেদকে ঢাকার খিলক্ষেত এলাকা থেকে গতকাল সন্ধ্যার দিকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাতেই তাঁকে কালিগঞ্জ থানায় নিয়ে আসা হয়। আজ শুক্রবার তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

অভিযানে গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে ১ কেজি ২১৫ গ্রাম গাঁজা; ২ হাজার ২৯০ ইয়াবা; দরজা ও জানালায় ব্যবহৃত বিভিন্ন আকারের ১৫টি পুরোনো অ্যালুমিনিয়াম ফ্রেমের টুকরা; একটি চাকু; একটি অ্যান্টিকাটার; পাঁচটি মোবাইল ফোন; একটি মোটরসাইকেল এবং নগদ ৮ হাজার ৩৫০ টাকা উদ্ধার করা হয়।
১৮ মিনিট আগে
দিনাজপুরে এক ব্যক্তিকে অপহরণ ও চাঁদাবাজির অভিযোগে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সহযোগী সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় নেতা আরিফ মুনসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে মঙ্গলবার সকালে তাঁদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
২৯ মিনিট আগে
সুমনের বাড়ি হবিগঞ্জের কমলগঞ্জ উপজেলায়। বাবার নাম নবী মিয়া। বর্তমানে ছোট স্ত্রী নাসিমা আক্তারের সঙ্গে নাজিমুদ্দিন রোডের বাসায় থাকতেন। বড় স্ত্রী ডলি বেগম দুই ছেলে, এক মেয়েকে নিয়ে হোসেনি দালান এলাকায় বসবাস করেন।
৩৬ মিনিট আগে
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল সোমবার রাতে হাসুর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করা হয়। এ সময় তাঁর ঘর থেকে ২০ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার করে পুলিশ।
৪০ মিনিট আগে