পাটকেলঘাটা (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি

চলছে আমের মৌসুম। আমের মুকুল থেকে এখন ছোট-ছোট আমের দেখা মিলছে গাছে গাছে। একই পরিস্থিতি সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটার আমগাছগুলোতেও। স্থানীয়দের ভাষায় এই ছোট্ট আমকে বলা হয় ‘আমের গুটি’। এখনো পর্যন্ত প্রাকৃতিক আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় আমের গুটির ধরন থেকে ভালো ফলন পাওয়ার আশা করছেন এই এলাকার আমচাষিরা।
উপজেলা কৃষি অফিস বলছে, নিজেদের ও স্থানীয় বাজারের চাহিদা মিটিয়ে পাটকেলঘাটার আম বিদেশে রপ্তানিও করা হয়। নানান প্রজাতের ও নামের আম চাষ হয় এই এলাকায়। গোপালভোগ, হিমসাগর, রুপালী, মল্লিকাসহ উৎপাদন হয় বিভিন্ন জাতের আম। বিগত বছরগুলোতে বিদেশে রপ্তানি করে এ অঞ্চলে অর্থনৈতিক পরিবেশে পরিবর্তন এসেছে অনেক কৃষকের। অনেকেই বাণিজ্যিকভাবে আম চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন।
উপজেলার পাটকেলঘাটা গ্রামের মৌসুমি আমচাষি ও ব্যবসায়ী ফারুক হোসেন বলেন, ‘আমের মৌসুমে শুরু থেকে এখন পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকূলে। এটা অব্যাহত থাকলে এবারও আমের বাম্পার ফলন ও উৎপাদনে লাভের মুখ দেখা যেতে পারে। তবে অনেক দিন বৃষ্টির প্রভাব না ধাকায় আমের গুটি ঝরতে শুরু করেছে।’
একই এলাকার আম চাষি মজনু মোড়ল আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘অনেকে নিজেদের আম গাছের পাশাপাশি অন্যদের আম গাছ লিজ নিয়ে থাকেন। সেটা ছাড়াও পোকা-মাকড় মুক্ত রাখতে ওষুধ, স্প্রে থেকে শুরু করে আম গাছের পরিচর্যা ও ফলনের পর সেটা বাজারজাতকরণ পর্যন্ত অনেক পরিশ্রম ও খরচ হয়। ভালো ফলন ও শেষ পর্যন্ত উৎপাদন ঠিকঠাক থাকলে লাভবান হন আমচাষিরা।’
এ বিষয়ে তালা উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ হাজিরা বেগম জানান, ‘এ বছর উপজেলায় ৬৫০ হেক্টর জমিতে আমের ফলন হচ্ছে। অনেকে বাণিজ্যিকভাবে আম চাষ করে আবার অনেক বাগান কিনে পরিচর্যা করে লাভবান হচ্ছেন। প্রতিবছর এ উপজেলায় প্রতি হেক্টরে প্রায় ১৫ মেট্রিক টনের মতো ফলন হয়।’

চলছে আমের মৌসুম। আমের মুকুল থেকে এখন ছোট-ছোট আমের দেখা মিলছে গাছে গাছে। একই পরিস্থিতি সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটার আমগাছগুলোতেও। স্থানীয়দের ভাষায় এই ছোট্ট আমকে বলা হয় ‘আমের গুটি’। এখনো পর্যন্ত প্রাকৃতিক আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় আমের গুটির ধরন থেকে ভালো ফলন পাওয়ার আশা করছেন এই এলাকার আমচাষিরা।
উপজেলা কৃষি অফিস বলছে, নিজেদের ও স্থানীয় বাজারের চাহিদা মিটিয়ে পাটকেলঘাটার আম বিদেশে রপ্তানিও করা হয়। নানান প্রজাতের ও নামের আম চাষ হয় এই এলাকায়। গোপালভোগ, হিমসাগর, রুপালী, মল্লিকাসহ উৎপাদন হয় বিভিন্ন জাতের আম। বিগত বছরগুলোতে বিদেশে রপ্তানি করে এ অঞ্চলে অর্থনৈতিক পরিবেশে পরিবর্তন এসেছে অনেক কৃষকের। অনেকেই বাণিজ্যিকভাবে আম চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন।
উপজেলার পাটকেলঘাটা গ্রামের মৌসুমি আমচাষি ও ব্যবসায়ী ফারুক হোসেন বলেন, ‘আমের মৌসুমে শুরু থেকে এখন পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকূলে। এটা অব্যাহত থাকলে এবারও আমের বাম্পার ফলন ও উৎপাদনে লাভের মুখ দেখা যেতে পারে। তবে অনেক দিন বৃষ্টির প্রভাব না ধাকায় আমের গুটি ঝরতে শুরু করেছে।’
একই এলাকার আম চাষি মজনু মোড়ল আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘অনেকে নিজেদের আম গাছের পাশাপাশি অন্যদের আম গাছ লিজ নিয়ে থাকেন। সেটা ছাড়াও পোকা-মাকড় মুক্ত রাখতে ওষুধ, স্প্রে থেকে শুরু করে আম গাছের পরিচর্যা ও ফলনের পর সেটা বাজারজাতকরণ পর্যন্ত অনেক পরিশ্রম ও খরচ হয়। ভালো ফলন ও শেষ পর্যন্ত উৎপাদন ঠিকঠাক থাকলে লাভবান হন আমচাষিরা।’
এ বিষয়ে তালা উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ হাজিরা বেগম জানান, ‘এ বছর উপজেলায় ৬৫০ হেক্টর জমিতে আমের ফলন হচ্ছে। অনেকে বাণিজ্যিকভাবে আম চাষ করে আবার অনেক বাগান কিনে পরিচর্যা করে লাভবান হচ্ছেন। প্রতিবছর এ উপজেলায় প্রতি হেক্টরে প্রায় ১৫ মেট্রিক টনের মতো ফলন হয়।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগে