তালা (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি

হারিয়ে যেতে বসেছে দেশীয় প্রজাতির বিচিকলা। কাঁচা অবস্থায় তরকারি, পাকা কলা দিয়ে সুস্বাদু পায়েস রান্না এমনকি অতিথি আপ্যায়নেও বিচিকলার কদর ছিল গ্রামে। দেশীয় প্রজাতির এমন সুগন্ধি ও সুস্বাদু কলা দ্বিতীয়টি নেই!
কিন্তু আধুনিক বাণিজ্যিক কৃষিতে তথাকথিত উচ্চফলনশীল বা উফসী জাতের দৌরাত্ম্যে কোণঠাসা দেশীয় জাতের ফল ও ফসল। এমনকি ঐতিহ্যবাহী অরগানিক চাষপদ্ধতিও ভুলতে বসেছে মানুষ। খোঁজ নিলে দেখা যাবে, নতুন প্রজন্মের অনেকেই বিচিকলা কখনো দেখেনি।
সাতক্ষীরার তালা উপজেলা সদরের প্রবীণ ব্যক্তি আনার আলী বলেন, ‘প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষায় কলাগাছের জুড়ি ছিল না। একসময় ঘূর্ণিঝড়ের কবল থেকে ঘরবাড়ি রক্ষা করতে মানুষ বিচিকলাগাছ রোপণ করত। এই গাছের গুণাবলি বলে শেষ করা যাবে না! বিচিকলা কাঁচা থাকতে তরকারি আর পেকে গেলে সুগন্ধযুক্ত ও অত্যন্ত সুস্বাদু হয়। কাঁচা কলা ইলিশ মাছের সঙ্গে রান্না করলে দারুণ তরকারি হয়। বিচিকলা আর ইলিশ মাছের তরকারির স্বাদই ছিল আলাদা!’
আনার আলী আরও বলেন, ‘ঈদ-পার্বণে অতিথি আপ্যায়নেও বিচিকলার কদর ছিল। চালের গুঁড়ার সঙ্গে পাকা বিচিকলা ও গরুর দুধ মিশিয়ে পায়েস (নোম) তৈরি করলে অমৃত লাগে!’
প্রতিবছর কৃষিমেলার সময় হারিয়ে যাওয়া এই দয়াকলা (বিচিকলা) প্রদর্শনী করলে নতুন প্রজন্ম এ দেশি ফল চিনতে পারবে এবং এই প্রজাতি রক্ষায় এগিয়ে আসবে বলে মনে করেন তালার শাহাপুর গ্রামের বাসিন্দা কাদের শেখ।
বিষয়টিতে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তালা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাজিরা খাতুন বলেন, ‘প্রকৃতির নিয়মে এবং হাইব্রিডসহ নানা উন্নত জাতের কলা জাতের আগমনে এই দেশীয় প্রজাতির বিচিকলা হারিয়ে যাচ্ছে। হারিয়ে যেতে বসা এই স্থানীয় প্রজাতির বিচিকলাকে বাঁচাতে এবং বিস্তার লক্ষ্যে কৃষি গবেষণা কেন্দ্র কাজ করলে এটি আবার বিস্তার লাভ করবে।’

হারিয়ে যেতে বসেছে দেশীয় প্রজাতির বিচিকলা। কাঁচা অবস্থায় তরকারি, পাকা কলা দিয়ে সুস্বাদু পায়েস রান্না এমনকি অতিথি আপ্যায়নেও বিচিকলার কদর ছিল গ্রামে। দেশীয় প্রজাতির এমন সুগন্ধি ও সুস্বাদু কলা দ্বিতীয়টি নেই!
কিন্তু আধুনিক বাণিজ্যিক কৃষিতে তথাকথিত উচ্চফলনশীল বা উফসী জাতের দৌরাত্ম্যে কোণঠাসা দেশীয় জাতের ফল ও ফসল। এমনকি ঐতিহ্যবাহী অরগানিক চাষপদ্ধতিও ভুলতে বসেছে মানুষ। খোঁজ নিলে দেখা যাবে, নতুন প্রজন্মের অনেকেই বিচিকলা কখনো দেখেনি।
সাতক্ষীরার তালা উপজেলা সদরের প্রবীণ ব্যক্তি আনার আলী বলেন, ‘প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষায় কলাগাছের জুড়ি ছিল না। একসময় ঘূর্ণিঝড়ের কবল থেকে ঘরবাড়ি রক্ষা করতে মানুষ বিচিকলাগাছ রোপণ করত। এই গাছের গুণাবলি বলে শেষ করা যাবে না! বিচিকলা কাঁচা থাকতে তরকারি আর পেকে গেলে সুগন্ধযুক্ত ও অত্যন্ত সুস্বাদু হয়। কাঁচা কলা ইলিশ মাছের সঙ্গে রান্না করলে দারুণ তরকারি হয়। বিচিকলা আর ইলিশ মাছের তরকারির স্বাদই ছিল আলাদা!’
আনার আলী আরও বলেন, ‘ঈদ-পার্বণে অতিথি আপ্যায়নেও বিচিকলার কদর ছিল। চালের গুঁড়ার সঙ্গে পাকা বিচিকলা ও গরুর দুধ মিশিয়ে পায়েস (নোম) তৈরি করলে অমৃত লাগে!’
প্রতিবছর কৃষিমেলার সময় হারিয়ে যাওয়া এই দয়াকলা (বিচিকলা) প্রদর্শনী করলে নতুন প্রজন্ম এ দেশি ফল চিনতে পারবে এবং এই প্রজাতি রক্ষায় এগিয়ে আসবে বলে মনে করেন তালার শাহাপুর গ্রামের বাসিন্দা কাদের শেখ।
বিষয়টিতে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তালা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাজিরা খাতুন বলেন, ‘প্রকৃতির নিয়মে এবং হাইব্রিডসহ নানা উন্নত জাতের কলা জাতের আগমনে এই দেশীয় প্রজাতির বিচিকলা হারিয়ে যাচ্ছে। হারিয়ে যেতে বসা এই স্থানীয় প্রজাতির বিচিকলাকে বাঁচাতে এবং বিস্তার লক্ষ্যে কৃষি গবেষণা কেন্দ্র কাজ করলে এটি আবার বিস্তার লাভ করবে।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
২ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে