সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

সদ্য সমাপ্ত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরার চারটি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী ৩০ জন প্রার্থীর মধ্যে জামানত হারিয়েছেন ২৩ জন প্রার্থী। এর মধ্যে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেওয়া সাবেক দুইজন সংসদ সদস্যসহ জাতীয় পার্টির তিন প্রার্থী রয়েছেন।
জেলা নির্বাচন অফিসের তথ্য মতে, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরার চারটি সংসদীয় আসনে ১০টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের ২২ জন এবং ৮ জন স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ ৩০ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
সাতক্ষীরা-১ আসনে ১০ জন, সাতক্ষীরা-২ আসনে ৭ জন, সাতক্ষীরা-৩ আসনে ৬ জন এবং সাতক্ষীরা-৪ আসনে ৭ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। সাতক্ষীরা-১ আসন থেকে অংশ নেওয়া বর্তমান সংসদ সদস্য মুস্তফা লুৎফুল্লাহ ও সাবেক সংসদ সদস্য শেখ মুজিবুর রহমান নির্ধারিত দিনে প্রত্যাহার না করলেও পরে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন। যে কারণে তাঁদের নাম ও প্রতীক ব্যালট পেপারে রয়ে যায়।
নির্বাচন কমিশনে নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনও প্রার্থী তাঁর আসনে পড়া মোট ভোটের ৮ ভাগের ১ ভাগ, অর্থাৎ সাড়ে ১২ শতাংশ ভোট না পেলে তাঁর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।
সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনে ৪৩১ ভোট পেয়ে জামানাত হারিয়েছেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির হাতুড়ি প্রতীকের প্রার্থী অ্যাডভোকেট মুস্তফা লুৎফুল্লাহ, বাংলাদেশ কংগ্রেসের ডাব প্রতীকের প্রার্থী ইয়ারুল ইসলাম ৮৩৫ ভোট, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের ছড়ি প্রতীকের প্রার্থী শেখ মো. আলমগীর ২৩৫ ভোট, তৃণমূল বিএনপি’র সোনালী আশ প্রতীকের প্রার্থী সুমি ইসলাম ৪৪২ ভোট, স্বতন্ত্র দোলনা প্রতীকের প্রার্থী এস এম মুজিবুর রহমান ওরফে সরদার মুজিব ১৫ হাজার ৭০৮ ভোট, স্বতন্ত্র ঈগল প্রতীকের প্রার্থী মো. নুরুল ইসলাম ২০৮ ভোট, স্বতন্ত্র ট্রাক প্রতীকের প্রার্থী শেখ নুরুল ইসলাম ৫ হাজার ৯৪৮ ভোট এবং স্বতন্ত্র কাঁচি প্রতীকের প্রার্থী প্রকৌশলী শেখ মুজিবুর রহমান ৩৫৩ ভোট পেয়ে তাদের জামানাত হারিয়েছেন।
এই আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ফিরোজ আহমেদ স্বপন ১ লাখ ৪৪ হাজার ৯৯ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী লাঙ্গল প্রতীকের জাতীয় পার্টির প্রার্থী সৈয়দ দিদার বখ্ত পেয়েছেন ২৬ হাজার ৮২১ ভোট। এই আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৭২ হাজার ৪৩ জন।
সাতক্ষীরা-২ (সাতক্ষীরা সদর উপজেলা ও পৌরসভা) আসনে ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) আম প্রতীকের প্রার্থী মো. আনোয়ার হোসেন ৯৩৮ ভোট, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন (বিএনএম) এর নোঙ্গর প্রতীকের প্রার্থী মো. কামরুজ্জামান বুলু ৭২৫ ভোট, তৃণমূল বিএনপির সোনালী আঁশ প্রতীকের প্রার্থী মোস্তফা ফারহান মেহেদী ৩০৩ ভোট, স্বতন্ত্র কাঁচি প্রতীকের প্রার্থী এনছান বাহার বুলবুল ৪৮০ ভোট এবং স্বতন্ত্র ট্রাক প্রতীকের প্রার্থী মো. আফসার আলী পেয়েছেন ৭ হাজার ৭৯৪ ভোট। ৮ ভাগের এক ভাগ ভোট না পাওয়ায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
এই আসনে জাতীয় পাটি মনোনীত লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী মো. আশরাফুজ্জামান আশু ৮৮ হাজার ৩৫৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র ঈগল প্রতীকের প্রার্থী মীর মোস্তাক আহমেদ রবি পেয়েছেন ২৭ হাজার ৪৪৭ ভোট। এই আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৬০৮ জন।
সাতক্ষীরা-৩ (আশাশুনি-দেবহাটা ও কালিগঞ্জের আংশিক) আসনে জাতীয় পার্টি মনোনীত লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী মো. আলিপ হোসেন ১২ হাজার ৪৭৩ ভোট, ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি) আম প্রতীকের প্রার্থী মো. আব্দুল হামিদ ৪ হাজার ১৮৩ ভোট, জাকের পার্টির গোলাপ ফুল প্রতীকের প্রার্থী মো. মঞ্জুর হোসেন ১ হাজার ৮৫৫ ভোট, তৃণমূল বিএনপির সোনালী আঁশ প্রতীকের প্রার্থী রুবেল হোসেন ৮৪৭ ভোট এবং বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল (এমএল) এর চাকা প্রতীকের প্রার্থী শেখ তরিকুল ইসলাম ৭৭৮ ভোট পেয়ে তাদের জামানাত হারিয়েছেন।
এই আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আ. ফ. ম রুহুল হক ১ লাখ ৭৩ হাজার ৮৭৩ ভোট পেয়ে টানা চতুর্থবারের মতো এমপি নির্বাচিত হয়েছেন।
সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর-কালিগঞ্জের আংশিক) নির্বাচনী এলাকায় তৃণমূল বিএনপির সোনালী আঁশ প্রতীকের আসলাম আল মেহেদী ৫০৯ ভোট, জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী মো. মাহবুবর রহমান ৩ হাজার ৩৩৯ ভোট, বাংলাদেশ কংগ্রেসের ডাব প্রতীকের প্রার্থী মো. শফিকুল ইসলাম ১ হাজার ৩২ ভোট, ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি) এর আম প্রতীকের প্রার্থী শেখ ইকরামুল ৪৯৩ ভোট ও স্বতন্ত্র কাচি প্রতীকের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান পেয়েছেন ৫৮২ ভোট পেয়ে তাদের জামানাত হারিয়েছেন।
এই আসনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী এস. এম আতাউল হক দোলন ১ লাখ ৩৬ হাজার ৩৯৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন (বিএনএম) এর নোঙ্গর প্রতীকের প্রার্থী এইচএম গোলাম রেজা পেয়েছেন ৩৮ হাজার ৮৮ ভোট।

সদ্য সমাপ্ত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরার চারটি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী ৩০ জন প্রার্থীর মধ্যে জামানত হারিয়েছেন ২৩ জন প্রার্থী। এর মধ্যে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেওয়া সাবেক দুইজন সংসদ সদস্যসহ জাতীয় পার্টির তিন প্রার্থী রয়েছেন।
জেলা নির্বাচন অফিসের তথ্য মতে, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরার চারটি সংসদীয় আসনে ১০টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের ২২ জন এবং ৮ জন স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ ৩০ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
সাতক্ষীরা-১ আসনে ১০ জন, সাতক্ষীরা-২ আসনে ৭ জন, সাতক্ষীরা-৩ আসনে ৬ জন এবং সাতক্ষীরা-৪ আসনে ৭ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। সাতক্ষীরা-১ আসন থেকে অংশ নেওয়া বর্তমান সংসদ সদস্য মুস্তফা লুৎফুল্লাহ ও সাবেক সংসদ সদস্য শেখ মুজিবুর রহমান নির্ধারিত দিনে প্রত্যাহার না করলেও পরে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন। যে কারণে তাঁদের নাম ও প্রতীক ব্যালট পেপারে রয়ে যায়।
নির্বাচন কমিশনে নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনও প্রার্থী তাঁর আসনে পড়া মোট ভোটের ৮ ভাগের ১ ভাগ, অর্থাৎ সাড়ে ১২ শতাংশ ভোট না পেলে তাঁর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।
সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনে ৪৩১ ভোট পেয়ে জামানাত হারিয়েছেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির হাতুড়ি প্রতীকের প্রার্থী অ্যাডভোকেট মুস্তফা লুৎফুল্লাহ, বাংলাদেশ কংগ্রেসের ডাব প্রতীকের প্রার্থী ইয়ারুল ইসলাম ৮৩৫ ভোট, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের ছড়ি প্রতীকের প্রার্থী শেখ মো. আলমগীর ২৩৫ ভোট, তৃণমূল বিএনপি’র সোনালী আশ প্রতীকের প্রার্থী সুমি ইসলাম ৪৪২ ভোট, স্বতন্ত্র দোলনা প্রতীকের প্রার্থী এস এম মুজিবুর রহমান ওরফে সরদার মুজিব ১৫ হাজার ৭০৮ ভোট, স্বতন্ত্র ঈগল প্রতীকের প্রার্থী মো. নুরুল ইসলাম ২০৮ ভোট, স্বতন্ত্র ট্রাক প্রতীকের প্রার্থী শেখ নুরুল ইসলাম ৫ হাজার ৯৪৮ ভোট এবং স্বতন্ত্র কাঁচি প্রতীকের প্রার্থী প্রকৌশলী শেখ মুজিবুর রহমান ৩৫৩ ভোট পেয়ে তাদের জামানাত হারিয়েছেন।
এই আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ফিরোজ আহমেদ স্বপন ১ লাখ ৪৪ হাজার ৯৯ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী লাঙ্গল প্রতীকের জাতীয় পার্টির প্রার্থী সৈয়দ দিদার বখ্ত পেয়েছেন ২৬ হাজার ৮২১ ভোট। এই আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৭২ হাজার ৪৩ জন।
সাতক্ষীরা-২ (সাতক্ষীরা সদর উপজেলা ও পৌরসভা) আসনে ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) আম প্রতীকের প্রার্থী মো. আনোয়ার হোসেন ৯৩৮ ভোট, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন (বিএনএম) এর নোঙ্গর প্রতীকের প্রার্থী মো. কামরুজ্জামান বুলু ৭২৫ ভোট, তৃণমূল বিএনপির সোনালী আঁশ প্রতীকের প্রার্থী মোস্তফা ফারহান মেহেদী ৩০৩ ভোট, স্বতন্ত্র কাঁচি প্রতীকের প্রার্থী এনছান বাহার বুলবুল ৪৮০ ভোট এবং স্বতন্ত্র ট্রাক প্রতীকের প্রার্থী মো. আফসার আলী পেয়েছেন ৭ হাজার ৭৯৪ ভোট। ৮ ভাগের এক ভাগ ভোট না পাওয়ায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
এই আসনে জাতীয় পাটি মনোনীত লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী মো. আশরাফুজ্জামান আশু ৮৮ হাজার ৩৫৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র ঈগল প্রতীকের প্রার্থী মীর মোস্তাক আহমেদ রবি পেয়েছেন ২৭ হাজার ৪৪৭ ভোট। এই আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৬০৮ জন।
সাতক্ষীরা-৩ (আশাশুনি-দেবহাটা ও কালিগঞ্জের আংশিক) আসনে জাতীয় পার্টি মনোনীত লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী মো. আলিপ হোসেন ১২ হাজার ৪৭৩ ভোট, ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি) আম প্রতীকের প্রার্থী মো. আব্দুল হামিদ ৪ হাজার ১৮৩ ভোট, জাকের পার্টির গোলাপ ফুল প্রতীকের প্রার্থী মো. মঞ্জুর হোসেন ১ হাজার ৮৫৫ ভোট, তৃণমূল বিএনপির সোনালী আঁশ প্রতীকের প্রার্থী রুবেল হোসেন ৮৪৭ ভোট এবং বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল (এমএল) এর চাকা প্রতীকের প্রার্থী শেখ তরিকুল ইসলাম ৭৭৮ ভোট পেয়ে তাদের জামানাত হারিয়েছেন।
এই আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আ. ফ. ম রুহুল হক ১ লাখ ৭৩ হাজার ৮৭৩ ভোট পেয়ে টানা চতুর্থবারের মতো এমপি নির্বাচিত হয়েছেন।
সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর-কালিগঞ্জের আংশিক) নির্বাচনী এলাকায় তৃণমূল বিএনপির সোনালী আঁশ প্রতীকের আসলাম আল মেহেদী ৫০৯ ভোট, জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী মো. মাহবুবর রহমান ৩ হাজার ৩৩৯ ভোট, বাংলাদেশ কংগ্রেসের ডাব প্রতীকের প্রার্থী মো. শফিকুল ইসলাম ১ হাজার ৩২ ভোট, ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি) এর আম প্রতীকের প্রার্থী শেখ ইকরামুল ৪৯৩ ভোট ও স্বতন্ত্র কাচি প্রতীকের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান পেয়েছেন ৫৮২ ভোট পেয়ে তাদের জামানাত হারিয়েছেন।
এই আসনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী এস. এম আতাউল হক দোলন ১ লাখ ৩৬ হাজার ৩৯৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন (বিএনএম) এর নোঙ্গর প্রতীকের প্রার্থী এইচএম গোলাম রেজা পেয়েছেন ৩৮ হাজার ৮৮ ভোট।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগে