গঙ্গাচড়া (রংপুর) প্রতিনিধি

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনে নিজেদের প্রার্থী দেওয়ার ঘোষণা দিলেও রংপুর-১ আসনসহ আওয়ামী লীগে ২৯৮ জন এবং জাতীয় পার্টিতে ২৮৭ জনকে মনোনীত করা হয়েছে। তবে জোটের অংশীজন হয়ে রংপুর-১ আসনটি আবারও হারানোর আশঙ্কায় রয়েছেন আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী-সমর্থকেরা।
আসনটিতে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হয়েছেন অ্যাডভোকেট মো. রেজাউল করিম রাজু। জাতীয় পার্টি থেকে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন দলটির চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের ভাতিজা আসিফ শাহরিয়ার।
দলের নেতা-কর্মীরা বলছেন, রংপুর-১ আসনটি দীর্ঘদিন ধরে মহাজোটের জটে আটকা পড়েছে। ফলে নৌকার মাঝি হিসেবে দলীয় মনোনয়ন পেলেও আটকে যায় নৌকা প্রতীক। নৌকাবিহীন নির্বাচনে লাঙ্গল প্রতীকেই ভোট দেন আওয়ামী লীগ, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী-সমর্থকেরা, যা স্থানীয় আওয়ামী লীগকে দলীয় সংসদ সদস্য থেকে বঞ্চিত রেখেছে। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় আওয়ামী লীগ দলীয় সিদ্ধান্ত মানলেও তাঁদের কারও মনেই স্বস্তি নেই। তাঁদের এমন আক্ষেপ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন আওয়ামী লীগ সদস্য আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বিগত নির্বাচনগুলোর দিকে তাকালে এবারও আমাদের লাঙ্গলে ভোট দেওয়া লাগতে পারে। এটাই আমাদের দুশ্চিন্তার কারণ। তবে যাই হোক, দল যেহেতু করি, দলীয় নির্দেশ তো মেনে চলতেই হবে।’
অন্যদিকে একই শর্তে কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, ‘মহাজোটের কারণে আমাদের কেবল ত্যাগই বাড়ছে, প্রাপ্তির খাতা প্রায় শূন্যই থাকছে। তাই আমরা দলীয় প্রধানের কাছে আশা করব, এবার যেন আমাদের আর ত্যাগ করতে না হয়। এবার যেন নৌকায় ভোট দিতে পারি।’
এবারে রংপুর-১ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে গত সোমবার (২৭ নভেম্বর) গঙ্গাচড়া উপজেলা রিটার্নিং (নির্বাহী) অফিসারের কার্যালয় থেকে অ্যাডভোকেট রেজাউল করিম রাজুর পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়। ৩০ নভেম্বরের মধ্যে নৌকা প্রতীকের এই মনোনয়নপত্র দাখিলও করা হবে। ১৭ নভেম্বর প্রতীক ঘোষণার দিন পর্যন্ত এই মনোনয়নপত্র বহাল থাকবে কি না, সে নিয়েও আতঙ্কে রয়েছেন দলীয় অনেক নেতা-কর্মী ও সমর্থক।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনে নিজেদের প্রার্থী দেওয়ার ঘোষণা দিলেও রংপুর-১ আসনসহ আওয়ামী লীগে ২৯৮ জন এবং জাতীয় পার্টিতে ২৮৭ জনকে মনোনীত করা হয়েছে। তবে জোটের অংশীজন হয়ে রংপুর-১ আসনটি আবারও হারানোর আশঙ্কায় রয়েছেন আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী-সমর্থকেরা।
আসনটিতে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হয়েছেন অ্যাডভোকেট মো. রেজাউল করিম রাজু। জাতীয় পার্টি থেকে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন দলটির চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের ভাতিজা আসিফ শাহরিয়ার।
দলের নেতা-কর্মীরা বলছেন, রংপুর-১ আসনটি দীর্ঘদিন ধরে মহাজোটের জটে আটকা পড়েছে। ফলে নৌকার মাঝি হিসেবে দলীয় মনোনয়ন পেলেও আটকে যায় নৌকা প্রতীক। নৌকাবিহীন নির্বাচনে লাঙ্গল প্রতীকেই ভোট দেন আওয়ামী লীগ, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী-সমর্থকেরা, যা স্থানীয় আওয়ামী লীগকে দলীয় সংসদ সদস্য থেকে বঞ্চিত রেখেছে। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় আওয়ামী লীগ দলীয় সিদ্ধান্ত মানলেও তাঁদের কারও মনেই স্বস্তি নেই। তাঁদের এমন আক্ষেপ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন আওয়ামী লীগ সদস্য আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বিগত নির্বাচনগুলোর দিকে তাকালে এবারও আমাদের লাঙ্গলে ভোট দেওয়া লাগতে পারে। এটাই আমাদের দুশ্চিন্তার কারণ। তবে যাই হোক, দল যেহেতু করি, দলীয় নির্দেশ তো মেনে চলতেই হবে।’
অন্যদিকে একই শর্তে কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, ‘মহাজোটের কারণে আমাদের কেবল ত্যাগই বাড়ছে, প্রাপ্তির খাতা প্রায় শূন্যই থাকছে। তাই আমরা দলীয় প্রধানের কাছে আশা করব, এবার যেন আমাদের আর ত্যাগ করতে না হয়। এবার যেন নৌকায় ভোট দিতে পারি।’
এবারে রংপুর-১ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে গত সোমবার (২৭ নভেম্বর) গঙ্গাচড়া উপজেলা রিটার্নিং (নির্বাহী) অফিসারের কার্যালয় থেকে অ্যাডভোকেট রেজাউল করিম রাজুর পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়। ৩০ নভেম্বরের মধ্যে নৌকা প্রতীকের এই মনোনয়নপত্র দাখিলও করা হবে। ১৭ নভেম্বর প্রতীক ঘোষণার দিন পর্যন্ত এই মনোনয়নপত্র বহাল থাকবে কি না, সে নিয়েও আতঙ্কে রয়েছেন দলীয় অনেক নেতা-কর্মী ও সমর্থক।

রাজধানীর মগবাজার মোড়ে নির্মাণাধীন ভবন থেকে লোহার পাইপ মাথায় পড়ে তাইজুল ইসলাম (২০) নামে এক নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।
১৪ মিনিট আগে
সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, চন্দ্রদ্বীপসহ বাউফলের বিভিন্ন এলাকায় জামায়াতের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা, ভয়ভীতি প্রদর্শন, কর্মসূচিতে বাধা, দোকানে চাঁদা দাবি, চাঁদা না দিলে হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া কয়েকটি ঘটনায় হত্যাচেষ্টার ও সাক্ষীদের ওপর ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটেছে বলেও অভিযোগ করা হয়।
২৩ মিনিট আগে
নারায়ণপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান জানান, আজিজুল ইসলাম পেশায় ছোট চা-দোকানি। তিনি গ্রামের পাশের কালারচর বাজারে ব্যবসা করেন। বুধবার রাতে বড় মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে তিনি দোকানে ছিলেন। এ সময় বাড়িতে শহিদা বেগম ও তাঁর চার বছর বয়সী ছোট মেয়ে ছিল। শহিদা রাতের রান্নার চাল ধুতে নলকূপের...
১ ঘণ্টা আগে
জানাজা শেষে ডাবলুর বড় ভাই শরিফুল ইসলাম কাজল বলেন, ‘গতকাল জানাজায় সবাই সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস দিয়েছে। আমরা শুধু আশ্বাসে বিশ্বাসী না, জড়িতদের বিচার চাই। কেউ যেন ছাড় না পায়। আমরা যেন বিচার দেখে যেতে পারি।’
১ ঘণ্টা আগে