
রংপুরের গঙ্গাচড়ায় প্যারাগন অ্যাগ্রো অ্যান্ড ডেইরি লিমিটেডের ডেইরি ফার্ম ও স্থানীয় ঐতিহ্যবাহী তেলের ঘানি পরিদর্শন করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন। আজ রোববার (৩০ আগস্ট) সকালে উপজেলার বেতগাড়ী ইউনিয়নের খাপরিখাল এলাকায় ফার্ম পরিদর্শন শেষে চন্দনের হাটে তেলের ঘানি দেখতে যান তিনি।
প্যারাগন ডেইরি ফার্মে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা প্রায় ১ হাজার ২০০টি উন্নত জাতের গরুর লালন-পালন কার্যক্রম ঘুরে দেখেন রাষ্ট্রদূত। এ সময় গরুর পরিচর্যা, খাদ্য ব্যবস্থাপনা, দুধ উৎপাদন ও প্রজনন কার্যক্রম সম্পর্কে ফার্মের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন। পরে খামারে উৎপাদিত দুধ পান করেন তিনি।
রাষ্ট্রদূত বলেন, উন্নত জেনেটিকস ও মানসম্মত পশুখাদ্য বাংলাদেশের প্রাণিসম্পদের উৎপাদনশীলতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে এসব কৃষিপণ্য যুক্তরাষ্ট্রের কৃষক ও রপ্তানিকারকদের জন্য নতুন বাজারের সুযোগ তৈরি করতে পারে।
পরে চন্দনের হাটে ঐতিহ্যবাহী ঘানিতে তেল উৎপাদনের প্রক্রিয়া দেখেন রাষ্ট্রদূত। এ সময় ঘানি ভাঙা শর্ষের তেল তৈরির ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতি টিকে থাকায় সন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি।
রাষ্ট্রদূতের সফরসঙ্গী ছিলেন তাঁর স্ত্রী ডিয়েন ডাওসহ মার্কিন দূতাবাসের কর্মকর্তারা। স্থানীয় প্রশাসন ও প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তারাও এ সময় উপস্থিত ছিলেন। পরে বেলা ১১টার দিকে লালমনিরহাটের তিস্তা ব্যারাজ পরিদর্শনের উদ্দেশ্যে গঙ্গাচড়া ত্যাগ করেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত।

বিয়ের পর যৌতুকের জন্য সাজু সরদার বিভিন্ন সময় নির্যাতন করতেন হাসিনাকে। একপর্যায়ে তাঁকে বাবার বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হতো। যৌতুক হিসেবে হাসিনার বাবার কাছ থেকে নগদ লক্ষাধিক টাকা ও গরুও নেওয়া হয়েছিল বলে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।
২১ মিনিট আগে
শরতের শুরুতেই পঞ্চগড়ে দেখা মিলল ঘন কুয়াশার। আজ মঙ্গলবার ভোরে জেলার বিভিন্ন এলাকা ঢেকে যায় কুয়াশার ঘন চাদরে। কয়েক হাত দূরের দৃশ্যও অস্পষ্ট হয়ে পড়ায় হেডলাইট জ্বালিয়ে ধীর গতিতে চলতে হয় যানবাহনগুলোকে।
২৬ মিনিট আগে
ঘটনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা খ্রিষ্টান তরুণীর নাম জয়া গাইন। সে রাজৈর থানার লখন্ডা গ্রামের পিজুস গাইনের মেয়ে। অপর তরুণী শ্রীপুরের টুপিপাড়া গ্রামের মিরাজ বিশ্বাসের মেয়ে মিরা খাতুন (১৬)। সে ধর্মে মুসলিম। বর্তমানে জয়া গাইন মিরাজ বিশ্বাসের বাড়িতে অবস্থান করছে।
১ ঘণ্টা আগে
রংপুরের পীরগাছায় একসঙ্গে তিন কন্যাসন্তান জন্ম নেওয়ায় সৌর মিয়া ও হাসি বেগমের পরিবারে নেমেছিল আনন্দের জোয়ার। কিন্তু সেই আনন্দের মাঝেই দেখা দিয়েছে চরম আর্থিক সংকট। বেকার বাবার পক্ষে তিন নবজাতকের দুধ, ডায়াপার ও চিকিৎসার খরচের পাশাপাশি প্রসূতি মায়ের চিকিৎসা ও পুষ্টিকর খাবারের জোগান দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।
১ ঘণ্টা আগে