রংপুর প্রতিনিধি

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের বলেছেন, সরকার বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়েছে। সিন্ডিকেট সরকারকে পাত্তা দিচ্ছে না। তাই বাণিজ্য মন্ত্রণালয় পণ্যের বেঁধে দিলেও সফল হবে না।
আজ শুক্রবার রংপুর পল্লি নিবাসে জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের কবর জিয়ারত শেষে উপস্থিত নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী জিএম কাদের বলেন, ‘যেখানে সরকারের ইন্টারফেয়ার করার কথা, সেসব জায়গায় তারা সঠিকভাবে কিছু করছে, এ ধরনের কোন প্রমাণ আমরা পাই না। এ কারণে দ্রব্যমূল্য সরকার যাই বেঁধে দিয়ে থাকুক, বাজারে এর চেয়ে দাম বেশি। কৃষকেরা অনেক সময় কম দামে দিচ্ছে, শহরে তা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। তা নিয়ন্ত্রণে সরকারের কোনো রকমের পদক্ষেপ জনগণের চোখে পড়ছে না।’
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ব্যর্থতার কথা উল্লেখ করে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, দাম যেটা বেঁধে দেওয়া হয়েছে, আমি মনে করি, এটা কখনই সফল হওয়ার নয়। দাম বেঁধে দেওয়ার একটা নিয়ম আছে, কতটুকু দাম রিজেনবেল হতে পারে। হিসাব-নিকাশ করে সেটা জানানো হয়। রিজনেবলের বাইরে কেউ নিলে একটা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে হয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘সহনীয় যেটাকে বলা হবে তা যুক্তিসংগত দাম। সেটার জন্য অনেক পরিশ্রম করতে হয়, যথেষ্ট ঘাঁটাঘাঁটি করতে হয়, ডেটা নিতে হয়, ইভেন্ট ডিমান্ড অ্যান্ড সাপ্লাইয়ের ওপর তা নির্ধারণ হয়। যদি সেটা ঠিক না থাকে, তাহলে আমি যতই চাপাচাপি করি, এটা স্বাভাবিকভাবে ঠিক হবে না।’
এ সময় তার সঙ্গে চেয়ারম্যানের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য শেরিফা কাদের এমপি, অতিরিক্ত মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী এমপি, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা এমপি, ভাইস চেয়ারম্যান আদেলুর রহমান আদেল এমপি, রংপুর মহানগর জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক এস এম ইয়াসির, জেলা জাতীয় পার্টির সদস্যসচিব হাজি আব্দুর রাজ্জাক, কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাফিউল ইসলাম সাফি, সাংস্কৃতিক সম্পাদক আজমল হোসেন লেবু, কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য লোকমান হোসেন, জাতীয় ছাত্র সমাজের কেন্দ্রীয় সভাপতি আল মামুন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের বলেছেন, সরকার বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়েছে। সিন্ডিকেট সরকারকে পাত্তা দিচ্ছে না। তাই বাণিজ্য মন্ত্রণালয় পণ্যের বেঁধে দিলেও সফল হবে না।
আজ শুক্রবার রংপুর পল্লি নিবাসে জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের কবর জিয়ারত শেষে উপস্থিত নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী জিএম কাদের বলেন, ‘যেখানে সরকারের ইন্টারফেয়ার করার কথা, সেসব জায়গায় তারা সঠিকভাবে কিছু করছে, এ ধরনের কোন প্রমাণ আমরা পাই না। এ কারণে দ্রব্যমূল্য সরকার যাই বেঁধে দিয়ে থাকুক, বাজারে এর চেয়ে দাম বেশি। কৃষকেরা অনেক সময় কম দামে দিচ্ছে, শহরে তা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। তা নিয়ন্ত্রণে সরকারের কোনো রকমের পদক্ষেপ জনগণের চোখে পড়ছে না।’
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ব্যর্থতার কথা উল্লেখ করে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, দাম যেটা বেঁধে দেওয়া হয়েছে, আমি মনে করি, এটা কখনই সফল হওয়ার নয়। দাম বেঁধে দেওয়ার একটা নিয়ম আছে, কতটুকু দাম রিজেনবেল হতে পারে। হিসাব-নিকাশ করে সেটা জানানো হয়। রিজনেবলের বাইরে কেউ নিলে একটা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে হয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘সহনীয় যেটাকে বলা হবে তা যুক্তিসংগত দাম। সেটার জন্য অনেক পরিশ্রম করতে হয়, যথেষ্ট ঘাঁটাঘাঁটি করতে হয়, ডেটা নিতে হয়, ইভেন্ট ডিমান্ড অ্যান্ড সাপ্লাইয়ের ওপর তা নির্ধারণ হয়। যদি সেটা ঠিক না থাকে, তাহলে আমি যতই চাপাচাপি করি, এটা স্বাভাবিকভাবে ঠিক হবে না।’
এ সময় তার সঙ্গে চেয়ারম্যানের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য শেরিফা কাদের এমপি, অতিরিক্ত মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী এমপি, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা এমপি, ভাইস চেয়ারম্যান আদেলুর রহমান আদেল এমপি, রংপুর মহানগর জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক এস এম ইয়াসির, জেলা জাতীয় পার্টির সদস্যসচিব হাজি আব্দুর রাজ্জাক, কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাফিউল ইসলাম সাফি, সাংস্কৃতিক সম্পাদক আজমল হোসেন লেবু, কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য লোকমান হোসেন, জাতীয় ছাত্র সমাজের কেন্দ্রীয় সভাপতি আল মামুন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে