
রংপুর-কুড়িগ্রাম সড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ, অবৈধ যান চলাচল বন্ধ ও নিরাপদ সড়কের দাবিতে অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছেন শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা।
বুধবার (১৪ মে) সকাল ১০টা থেকে রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার মীরবাগ বাসস্ট্যান্ডে রংপুর-কুড়িগ্রাম সড়কে অবস্থান নিয়ে অবরোধ কর্মসূচি পালন করেন তাঁরা। এতে ওই সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এর আগে সেখানে বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দারা মানববন্ধন করেন।
কাউনিয়া উপজেলা সচেতন নাগরিক ফোরামের (সনাফ) নেতা জালাল উদ্দিন ভূইয়া মামুনের সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য দেন সনাফের আহ্বায়ক মমিন মিল্লাত, সদস্য নাজমুল হাসান নান্নু, রবিউল ইসলাম, মাইদুল ইসলামসহ আরও অনেকে।
বক্তারা বলেন, ‘আমরা এক কঠিন সময় পার করছি। রংপুর-কুড়িগ্রাম মহাসড়কে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা ঘটছে, আর এতে হারাচ্ছি আমাদের প্রিয়জনদের। এই মৃত্যুর মিছিল আর কত দিন চলবে? কিছুদিন আগে আমাদের এলাকার সাত্তার ও তার পরিবারের তিন সদস্যের মধ্যে দুজন নিহত হয়েছে। মঙ্গলবারও একই গ্রামের আরেকটি পরিবারে তিনজন একসঙ্গে নিহত হয়।
এ দুর্ঘটনার পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ হলো, রংপুর-কুড়িগ্রাম মহাসড়ক এখনো চার লেনে উন্নীত হয়নি। এই সড়কে অবৈধ যান চলাচল করে। সরু রাস্তার কারণে যান চলাচলে বিশৃঙ্খলা তৈরি হচ্ছে, আর এতে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। আর কত?’
বক্তারা অবিলম্বে তাঁদের দাবি মেনে নেওয়ার আহ্বান জানান। তা না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারি দেন।
প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে স্ত্রী রুবিনা, দুই বছর বয়সের সন্তান রহমত ও এসএসসি পরীক্ষার্থী ভাতিজি আফসানা আক্তার স্নেহাকে নিয়ে মোটরসাইকেলে উপজেলা সদরে পরীক্ষাকেন্দ্রে যাচ্ছিলেন মীরবাগ বাজারের লন্ড্রি ব্যবসায়ী আশরাফুল। জুম্মারপাড় কৃষি কলেজের সামনে পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মোটরসাইকেলটি পড়ে গেলে তিন আরোহী রাস্তার ওপরে ছিটকে পড়েন। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বাস রাস্তার ওপরে পড়ে থাকা মোটরসাইকেলের তিন আরোহীকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তিনজন মারা যান। গুরুতর আহত হন মোটরসাইকেলচালক আশরাফুল। পরে স্থানীয় লোকজন এসে আশরাফুলকে আহত অবস্থায় এবং বাকি তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করেন।

আজ মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা তাঁকে ফের রিমান্ডে নেওয়ার নির্দেশ দেন। ৫ দিনের রিমান্ড শেষে মামুন খালেদকে আদালতে হাজির করে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
৪ মিনিট আগে
সমুদ্রপথে মালয়েশিয়ায় পাচারের জন্য আটকে রাখা নারী, শিশুসহ সাতজনকে উদ্ধার করেছে কোস্ট গার্ড। কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার দক্ষিণ লম্বরী এলাকার একটি বাড়ি থেকে তাঁদের উদ্ধার করা হয়। আজ মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে কোস্ট গার্ডের গণমাধ্যম কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এসব তথ্য জানিয়েছেন।
১১ মিনিট আগে
বখতিয়ারের চাচাতো ভাই আবুল হোসেন জানান, সকালে আলমডাঙ্গা উপজেলা চত্বরে জ্বালানি কার্ডের লাইনে দাঁড়ান বখতিয়ার। প্রচণ্ড ভিড়ে বখতিয়ার স্ট্রোক করে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে একটা স্থানীয় বেসরকারি ক্লিনিকে নিলে জানা যায় যে তিনি মারা গেছেন।
১ ঘণ্টা আগে
সোমবার বিকেল ৫টা থেকে মঙ্গলবার ভোর ৩টা পর্যন্ত সদর উপজেলার আখনেরহাট, চেয়ারম্যান স্টেশন, হরিণা ঘাট বহরিয়া, মিনি কক্সবাজার, পৌর এলাকার টিলাবাড়ি, আনন্দবাজার, লালপুর ও গাজীপুর টেক এলাকায় টাস্কফোর্স অভিযান চালায়। এ সময় জাটকা ধরার অপরাধে ১৭ জেলেকে হাতেনাতে আটক করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে