
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে বিএনপির নেতা মো. ইলিয়াস মিয়া হত্যা মামলার প্রধান আসামি মো. সুমন মিয়াকে ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মো. সুমন মিয়া সুন্দরগঞ্জ উপজেলার সর্বানন্দ ইউনিয়নের রামভদ্র খানাবাড়ি গ্রামের মো. মজিবর রহমানের ছেলে।
শনিবার (২১ জুন) বেলা ৩টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সুন্দরগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সেলিম রেজা।
সেলিম রেজা বলেন, গতকাল শুক্রবার রাতে ঢাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে সুন্দরগঞ্জ থানার পুলিশ। এ মামলায় আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে হত্যার কাজে ব্যবহৃত অস্ত্রও। বাকি আসামিদের ধরতে পুলিশ তৎপর আছে।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, ৬ জুন রাত ১১টার দিকে বিএনপির নেতা ইলিয়াস মিয়া তাঁর মৎস্য খামার থেকে বাড়ি ফেরার পথে জামগাছতলা এলাকায় পরিকল্পিত হামলার শিকার হন। হামলাকারীরা তাঁকে লাঠি, রড ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরদিন ৭ জুন বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
ঘটনার তিন দিন পর ৯ জুন নিহতের স্ত্রী মোছা. লিপি বেগম বাদী হয়ে সুন্দরগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় ১০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ২০-২৫ জনকে আসামি করা হয়।
নিহত ইলিয়াস মিয়া রামভদ্র খানাবাড়ি গ্রামের মৃত আব্দুল ব্যাপারীর ছেলে। তিনি সর্বানন্দ ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
নিহত মো. ইলিয়াস মিয়ার সঙ্গে প্রতিবেশী প্রবাসী তারাজুল ইসলামের জমিজমাসংক্রান্ত বিরোধ ছিল। বিদেশে অবস্থান করেও তারাজুল ইসলামের পরিকল্পনা ও মদদেই সুমন মিয়া এ হত্যাকাণ্ড ঘটায় বলেও উল্লেখ করা হয়েছে এজাহারে।

শেরপুরে বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষে শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিম (৪০) নিহতের ঘটনার ৩ দিন পর থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে নিহত রেজাউল করিমের স্ত্রী মোছা. মার্জিয়া (৩৪) বাদী হয়ে ঝিনাইগাতী থানায় এ হত্যা মামলা করেন।
১ ঘণ্টা আগে
বরগুনা-২ আসনে নির্বাচনী প্রচারকালে ইসলামী আন্দোলনের নেতা মাওলানা নাসির উদ্দিন ও তাঁর মায়ের ওপর জামায়াত কর্মীদের হামলার প্রতিবাদে বেতাগীতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
প্রায় আড়াই মাস ভারতের কারাগারে বন্দী থাকার পর অবশেষে দেশে ফিরেছেন ১২৮ জন মৎস্যজীবী। দুই দেশের মধ্যকার সমঝোতা ও বন্দিবিনিময় চুক্তির অংশ হিসেবে গতকাল বৃহস্পতিবার তাঁদের দেশে পাঠানো হয়।
২ ঘণ্টা আগে
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) সমাজকর্ম বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয় এলাকাসংলগ্ন মেহেরচণ্ডীর একটি বাসা থেকে মরদেহ উদ্ধার করা। পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (রামেক) নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন
৪ ঘণ্টা আগে