রংপুর প্রতিনিধি

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। আজ শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ থেকে মিছিলটি শুরু করে প্রধান ফটকে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
এ সময় বিক্ষোভকারীরা ‘আমার সোনার বাংলায় আওয়ামী লীগের ঠাঁই নাই’, ‘আওয়ামী লীগের ঠিকানা এই বাংলায় হবে না’, ‘দালালি না রাজপথ, রাজপথ রাজপথ’, ‘খুনিদের আস্তানা এই বাংলায় হবে না’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শামসুর রহমান সুমন বলেন, ‘চব্বিশের গণহত্যার বিচার হওয়ার আগে আবারও আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের অপচেষ্টা করা হচ্ছে। ছাত্র-জনতা তা কখনো মেনে নেবে না। ৫ আগস্ট সেনাবাহিনীর প্রধান বলেছেন চব্বিশের আন্দোলনের সকল হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে। আমরা তার প্রতিফলন দেখছি না। তাঁদের বিচারের আগে বাংলাদেশে রাজনীতি করার কোনো সুযোগ নেই। তাঁদের ফেরানোর যেকোনো অপচেষ্টাকে ছাত্র-জনতা রুখে দেবে।’
শিক্ষার্থী রহমত আলী বলেন, ‘যারা ছাত্র-জনতার ওপর গুলি চালিয়েছে, তাদের যদি ফেরানোর চেষ্টা করা হয়, আমরা তা বরদাশত করব না। ছাত্রসমাজ প্রস্তুত আছে যেকোনো ষড়যন্ত্র রুখে দিতে। যেহেতু আওয়ামী লীগ দল হিসেবে হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে, সেহেতু তাদের হত্যার দায় স্বীকার করতে হবে এবং তাদের পরিপূর্ণ বিচার হতে হবে। বিচার হওয়ার আগে বাংলাদেশে তাদের ফেরানোর কোনো সুযোগ নেই।’
শিক্ষার্থী জাকের হোসেন পাশা বলেন, ‘আমরা দেখতে পাচ্ছি চব্বিশের বিপ্লবের শক্তিকে নষ্ট করে দেওয়ার জন্য পেছন থেকে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। ফ্যাসিজমকে আবারও পুনর্বাসন করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তা ছাত্র-জনতা কখনো মেনে নেবে না। অতি দ্রুত আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করতে হবে।’
জাকের হোসেন আরও বলেন, ‘আমরা রাজপথ ছাড়ি নাই। রক্তের সঙ্গে বেইমানির কোনো সুযোগ নেই। ক্যান্টনমেন্টের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী বাংলাদেশ চলবে না। বাংলাদেশ চলবে গণতন্ত্র অনুযায়ী। এখানে আওয়ামী লীগের কোনো স্থান নেই। প্রয়োজনে চব্বিশের মতো কোনো বিপ্লব করা লাগলে, জীবন দিতে হলে আমরা তার জন্য প্রস্তুত আছি। কোনো ফ্যাসিস্টকে আর সুযোগ দেওয়া হবে না।’

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। আজ শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ থেকে মিছিলটি শুরু করে প্রধান ফটকে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
এ সময় বিক্ষোভকারীরা ‘আমার সোনার বাংলায় আওয়ামী লীগের ঠাঁই নাই’, ‘আওয়ামী লীগের ঠিকানা এই বাংলায় হবে না’, ‘দালালি না রাজপথ, রাজপথ রাজপথ’, ‘খুনিদের আস্তানা এই বাংলায় হবে না’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শামসুর রহমান সুমন বলেন, ‘চব্বিশের গণহত্যার বিচার হওয়ার আগে আবারও আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের অপচেষ্টা করা হচ্ছে। ছাত্র-জনতা তা কখনো মেনে নেবে না। ৫ আগস্ট সেনাবাহিনীর প্রধান বলেছেন চব্বিশের আন্দোলনের সকল হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে। আমরা তার প্রতিফলন দেখছি না। তাঁদের বিচারের আগে বাংলাদেশে রাজনীতি করার কোনো সুযোগ নেই। তাঁদের ফেরানোর যেকোনো অপচেষ্টাকে ছাত্র-জনতা রুখে দেবে।’
শিক্ষার্থী রহমত আলী বলেন, ‘যারা ছাত্র-জনতার ওপর গুলি চালিয়েছে, তাদের যদি ফেরানোর চেষ্টা করা হয়, আমরা তা বরদাশত করব না। ছাত্রসমাজ প্রস্তুত আছে যেকোনো ষড়যন্ত্র রুখে দিতে। যেহেতু আওয়ামী লীগ দল হিসেবে হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে, সেহেতু তাদের হত্যার দায় স্বীকার করতে হবে এবং তাদের পরিপূর্ণ বিচার হতে হবে। বিচার হওয়ার আগে বাংলাদেশে তাদের ফেরানোর কোনো সুযোগ নেই।’
শিক্ষার্থী জাকের হোসেন পাশা বলেন, ‘আমরা দেখতে পাচ্ছি চব্বিশের বিপ্লবের শক্তিকে নষ্ট করে দেওয়ার জন্য পেছন থেকে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। ফ্যাসিজমকে আবারও পুনর্বাসন করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তা ছাত্র-জনতা কখনো মেনে নেবে না। অতি দ্রুত আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করতে হবে।’
জাকের হোসেন আরও বলেন, ‘আমরা রাজপথ ছাড়ি নাই। রক্তের সঙ্গে বেইমানির কোনো সুযোগ নেই। ক্যান্টনমেন্টের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী বাংলাদেশ চলবে না। বাংলাদেশ চলবে গণতন্ত্র অনুযায়ী। এখানে আওয়ামী লীগের কোনো স্থান নেই। প্রয়োজনে চব্বিশের মতো কোনো বিপ্লব করা লাগলে, জীবন দিতে হলে আমরা তার জন্য প্রস্তুত আছি। কোনো ফ্যাসিস্টকে আর সুযোগ দেওয়া হবে না।’

গভীর রাতে হঠাৎ বিএনপি কার্যালয় থেকে আগুনের শিখা উঠতে দেখে এক ব্যক্তি চিৎকার শুরু করেন। তাঁর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে পানি ঢেলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এতে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া গেলেও কার্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অংশ পুড়ে যায়।
১৭ মিনিট আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে যাওয়ার সময় তিন বাংলাদেশি যুবককে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় তাঁদের ভারতে যেতে সহায়তাকারী মানব পাচার চক্রের এক সদস্যকে আটক করা হয়। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টার দিকে সদর উপজেলার বকচর সীমান্ত এলাকা থেকে তাঁদেরকে আটক করা হয়।
২৫ মিনিট আগে
রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় চলতি শীতে ঠান্ডাজনিত রোগে গত তিন মাসে প্রায় দেড় হাজার ছাগল মারা গেছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় খামারি ও পশু চিকিৎসা কর্মীরা। খামারিদের হিসাব অনুযায়ী, এতে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১ কোটি টাকা। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন চরাঞ্চলের প্রান্তিক খামারিরা।
৩২ মিনিট আগে
বরগুনার আমতলী উপজেলার টিয়াখালী কলেজ ভবনের দুটি তলার কক্ষে খনিজ সম্পদ অনুসন্ধানসামগ্রী রাখা হয়েছে। বাইরে তৈরি করা হয়েছে খোলা শৌচাগার। ভবনে আবাস গড়েছেন শ্রমিকেরা। এ অবস্থায় প্রতিষ্ঠানটির পড়াশোনার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। আট দিন ধরে পাঠদান বন্ধ রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটিতে আসছেন না শিক্ষার্থীরা।
৩৮ মিনিট আগে