কাউনিয়া (রংপুর) প্রতিনিধি

রংপুরের কাউনিয়ায় এক যুবককে অচেতন করে বিশেষ অঙ্গ কেটে জখম করে দিয়েছে অজ্ঞান পার্টির লোকজন। গতকাল শনিবার কাউনিয়া রেলওয়ে স্টেশন থেকে তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে রেলওয়ে জিআরপি পুলিশ।
আজ বোরবার দুপরে হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায় পুরুষ ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ওই যুবক। এ সময় পরিবারের লোকজনকে কাছে পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।
ভুক্তভোগী ওই যুবক জানান, প্রায় দুই সপ্তাহ আগে রংপুর মহানগরীর বেতপট্টি বাজারে ঠাকুরগাঁও জেলার অজ্ঞাত এক লোকের সঙ্গে পরিচয় হয় তাঁর। ওই ব্যক্তি তাঁকে জেলা প্রশাসকের অফিসে চাকরি নিয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখান। গত শুক্রবার রাতে মহানগরীর জাহাজ কোম্পানির মোড় এলাকায় ওই ব্যক্তি তাঁকে দেখা করতে বলেন। পরে উল্লেখিত স্থানে রাত ৯টার দিকে অজ্ঞাত ব্যক্তির সঙ্গে তাঁর দেখা হয়। এ সময় ওই অজ্ঞাত ব্যক্তি তাঁকে বোতলে ভরা দুধ পান করতে দেন। এরপর তাঁকে অটোরিকশায় করে মহানগরীর সাতমাথা এলাকায় নিয়ে যান। সাতমাথায় পৌঁছার পর তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। পরে গতকাল শনিবার তাঁকে কে বা কারা হাসপাতালে নিয়ে এসেছে তা তিনি বলতে পারেন না। জ্ঞান ফেরার পর রোববার সকালে তিনি বুঝতে পারেন, তাঁর বিশেষ অঙ্গের চারদিকে কাটা। তিনি বিষয়টি হাসপাতালের চিকিৎসককে জানান। পরে চিকিৎসকেরা ওই জায়গায় ১৬টি সেলাই দেন।
ওই যুবক আরও জানান, অজ্ঞাত ওই লোক তাঁকে দুধ পান করিয়ে অচেতন করে। এরপর তাঁর সঙ্গে থাকা মোবাইল, টাকা ও জ্যাকেট নিয়ে যায়। এ ছাড়া তাঁকে শারীরিকভাবে বড় ধরনের ক্ষতি করেছে বলে জানান তিনি।
কাউনিয়া রেলওয়ে ফাঁড়ির ইনচার্জ আব্দুল মতিন জানান, গতকাল শনিবার সকাল ৭টার দিকে স্টেশনের ওভারব্রিজের নিচে এক যুবক অচেতন অবস্থায় পড়ে ছিলেন। পরে সেখান থেকে তাঁকে উদ্ধার করে উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। উদ্ধারের সময় যুবকের জ্ঞান ছিল না, শুধু থরথর করে কাঁপছিলেন।
তিনি বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, ওই যুবকের কাছ থেকে কোনো কিছু ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে কেউ চেতনানাশক ব্যবহারে অচেতন করে স্টেশন এলাকায় ফেলে রেখে গেছে।

রংপুরের কাউনিয়ায় এক যুবককে অচেতন করে বিশেষ অঙ্গ কেটে জখম করে দিয়েছে অজ্ঞান পার্টির লোকজন। গতকাল শনিবার কাউনিয়া রেলওয়ে স্টেশন থেকে তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে রেলওয়ে জিআরপি পুলিশ।
আজ বোরবার দুপরে হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায় পুরুষ ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ওই যুবক। এ সময় পরিবারের লোকজনকে কাছে পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।
ভুক্তভোগী ওই যুবক জানান, প্রায় দুই সপ্তাহ আগে রংপুর মহানগরীর বেতপট্টি বাজারে ঠাকুরগাঁও জেলার অজ্ঞাত এক লোকের সঙ্গে পরিচয় হয় তাঁর। ওই ব্যক্তি তাঁকে জেলা প্রশাসকের অফিসে চাকরি নিয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখান। গত শুক্রবার রাতে মহানগরীর জাহাজ কোম্পানির মোড় এলাকায় ওই ব্যক্তি তাঁকে দেখা করতে বলেন। পরে উল্লেখিত স্থানে রাত ৯টার দিকে অজ্ঞাত ব্যক্তির সঙ্গে তাঁর দেখা হয়। এ সময় ওই অজ্ঞাত ব্যক্তি তাঁকে বোতলে ভরা দুধ পান করতে দেন। এরপর তাঁকে অটোরিকশায় করে মহানগরীর সাতমাথা এলাকায় নিয়ে যান। সাতমাথায় পৌঁছার পর তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। পরে গতকাল শনিবার তাঁকে কে বা কারা হাসপাতালে নিয়ে এসেছে তা তিনি বলতে পারেন না। জ্ঞান ফেরার পর রোববার সকালে তিনি বুঝতে পারেন, তাঁর বিশেষ অঙ্গের চারদিকে কাটা। তিনি বিষয়টি হাসপাতালের চিকিৎসককে জানান। পরে চিকিৎসকেরা ওই জায়গায় ১৬টি সেলাই দেন।
ওই যুবক আরও জানান, অজ্ঞাত ওই লোক তাঁকে দুধ পান করিয়ে অচেতন করে। এরপর তাঁর সঙ্গে থাকা মোবাইল, টাকা ও জ্যাকেট নিয়ে যায়। এ ছাড়া তাঁকে শারীরিকভাবে বড় ধরনের ক্ষতি করেছে বলে জানান তিনি।
কাউনিয়া রেলওয়ে ফাঁড়ির ইনচার্জ আব্দুল মতিন জানান, গতকাল শনিবার সকাল ৭টার দিকে স্টেশনের ওভারব্রিজের নিচে এক যুবক অচেতন অবস্থায় পড়ে ছিলেন। পরে সেখান থেকে তাঁকে উদ্ধার করে উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। উদ্ধারের সময় যুবকের জ্ঞান ছিল না, শুধু থরথর করে কাঁপছিলেন।
তিনি বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, ওই যুবকের কাছ থেকে কোনো কিছু ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে কেউ চেতনানাশক ব্যবহারে অচেতন করে স্টেশন এলাকায় ফেলে রেখে গেছে।

রাজধানীর মগবাজার মোড়ে নির্মাণাধীন ভবন থেকে লোহার পাইপ মাথায় পড়ে তাইজুল ইসলাম (২০) নামে এক নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।
১০ মিনিট আগে
সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, চন্দ্রদ্বীপসহ বাউফলের বিভিন্ন এলাকায় জামায়াতের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা, ভয়ভীতি প্রদর্শন, কর্মসূচিতে বাধা, দোকানে চাঁদা দাবি, চাঁদা না দিলে হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া কয়েকটি ঘটনায় হত্যাচেষ্টার ও সাক্ষীদের ওপর ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটেছে বলেও অভিযোগ করা হয়।
১৮ মিনিট আগে
নারায়ণপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান জানান, আজিজুল ইসলাম পেশায় ছোট চা-দোকানি। তিনি গ্রামের পাশের কালারচর বাজারে ব্যবসা করেন। বুধবার রাতে বড় মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে তিনি দোকানে ছিলেন। এ সময় বাড়িতে শহিদা বেগম ও তাঁর চার বছর বয়সী ছোট মেয়ে ছিল। শহিদা রাতের রান্নার চাল ধুতে নলকূপের...
১ ঘণ্টা আগে
জানাজা শেষে ডাবলুর বড় ভাই শরিফুল ইসলাম কাজল বলেন, ‘গতকাল জানাজায় সবাই সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস দিয়েছে। আমরা শুধু আশ্বাসে বিশ্বাসী না, জড়িতদের বিচার চাই। কেউ যেন ছাড় না পায়। আমরা যেন বিচার দেখে যেতে পারি।’
১ ঘণ্টা আগে