কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

বারবার তলব করার পরও সাক্ষ্য দিতে না আসায় পুলিশের দুই উপপরিদর্শকের (এসআই) বেতন স্থগিতের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে ওই দুই কর্মকর্তাকে ‘কেন সাজা দেওয়া হবে না’, তা সশরীরে আদালতে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এই দুই কর্মকর্তার মধ্যে এসআই মো. আশেদুজ্জামানকে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি এবং এসআই মো. তসির উদ্দিনকে ১৩ ফেব্রুয়ারি আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার কুড়িগ্রাম চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের (তৃতীয় আদালত) বিচারক মো. মজনু মিয়া এ আদেশ দেন। আদালত সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
আদেশে বলা হয়েছে, রাজারহাট থানায় ২০১৯ সালের একটি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আশেদুজ্জামানকে তাঁর অভিযোগপত্রের সপক্ষে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য তলব করেন আদালত। ১৮টি ধার্য দিবস অতিবাহিত হলেও তিনি সাক্ষ্য দিতে আসেননি। এরপর ‘এর জন্য কেন তাঁকে শাস্তি দেওয়া হবে না’ মর্মে ব্যাখ্যা দিতে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এর পরও তিনি আদালতে হাজির হননি, সাক্ষ্যও দেননি। আদালত থেকে পর্যায়ক্রমে ১৯টি ধার্য তারিখে সাক্ষ্য দেওয়ার যাবতীয় প্রক্রিয়াসহ আদেশের কপি ইস্যু করা হলেও ওই সাক্ষী আদালতে উপস্থিত হয়ে সাক্ষ্য দেননি। এটি আদালত অবমাননার শামিল।
এ কারণে আদালত কর্তৃক ইস্যুকৃত কোর্ট সার্টিফিকেট সংশ্লিষ্ট শাখায় জমা না দেওয়া পর্যন্ত অথবা আদালত পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত তাঁর বেতন আটকে রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে একই থানায় ২০২১ সালের একটি মামলার এজাহারকারী এসআই মো. তসির উদ্দিনকে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য বেশ কয়েকবার তলব করেছিলেন আদালত। বারবার প্রসেস দেওয়া সত্ত্বেও এজাহারকারী কর্মকর্তা সাক্ষ্য না দেওয়ায় ‘কেন শাস্তি দেওয়া হবে না’ মর্মে ব্যাখ্যা দাখিলের দিন ধার্য ছিল বৃহস্পতিবার। এই মামলার দুই আসামির মধ্যে একজনের হাজিরা এবং অপরজনের সময়ের আবেদন করা হয়েছিল। এদিন তদন্তকারী কর্মকর্তার সাক্ষী হাজির হলেও অপর সাক্ষী এজাহারকারী এসআই মো. তসির উদ্দিনের হাজিরা ও ব্যাখ্যা আদালতে উপস্থাপন করা হয়নি।
২০২১ সালের ওই মামলায় এজাহারের সপক্ষে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য এসআই তসির উদ্দিনকে প্রথমে আদালতে হাজির হতে বলা হয়। ১১টি ধার্য কার্যদিবস অতিবাহিত হলেও তিনি আদেশ তামিল করেননি। সর্বশেষ ধার্য তারিখে ‘এর জন্য তাঁকে কেন শাস্তি দেওয়া হবে না’ মর্মে ব্যাখ্যা তলব করা হয়। কিন্তু তিনি এই আদেশও তামিল করেননি। আদালত থেকে পর্যায়ক্রমে ১১টি ধার্য তারিখে সাক্ষ্য দেওয়ার যাবতীয় প্রসেসসহ আদেশের কপি ইস্যু করা হলেও এসআই তসির উদ্দিন আদালতে উপস্থিত হয়ে সাক্ষ্য দেননি।
এটি আদালত অবমাননার শামিল বলে উল্লেখ করেছেন বিচারক। এ কারণে তাঁর বেতন বন্ধের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
উভয় আদেশের কপি রাজারহাট থানাসহ পুলিশের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট ডিভিশনের বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চের ২০১৯ সালের একটি আদেশের বরাত দিয়ে আদালত তাঁর আদেশে বলেন, ‘যেসব সরকারি কর্মচারী মামলায় সাক্ষী রয়েছেন, তাঁরা যদি সাক্ষ্য দিতে আদালতে হাজির না হন, তাহলে অন্যান্য নির্দেশনার পাশাপাশি তাঁদের বেতন আটকে দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে।’

বারবার তলব করার পরও সাক্ষ্য দিতে না আসায় পুলিশের দুই উপপরিদর্শকের (এসআই) বেতন স্থগিতের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে ওই দুই কর্মকর্তাকে ‘কেন সাজা দেওয়া হবে না’, তা সশরীরে আদালতে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এই দুই কর্মকর্তার মধ্যে এসআই মো. আশেদুজ্জামানকে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি এবং এসআই মো. তসির উদ্দিনকে ১৩ ফেব্রুয়ারি আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার কুড়িগ্রাম চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের (তৃতীয় আদালত) বিচারক মো. মজনু মিয়া এ আদেশ দেন। আদালত সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
আদেশে বলা হয়েছে, রাজারহাট থানায় ২০১৯ সালের একটি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আশেদুজ্জামানকে তাঁর অভিযোগপত্রের সপক্ষে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য তলব করেন আদালত। ১৮টি ধার্য দিবস অতিবাহিত হলেও তিনি সাক্ষ্য দিতে আসেননি। এরপর ‘এর জন্য কেন তাঁকে শাস্তি দেওয়া হবে না’ মর্মে ব্যাখ্যা দিতে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এর পরও তিনি আদালতে হাজির হননি, সাক্ষ্যও দেননি। আদালত থেকে পর্যায়ক্রমে ১৯টি ধার্য তারিখে সাক্ষ্য দেওয়ার যাবতীয় প্রক্রিয়াসহ আদেশের কপি ইস্যু করা হলেও ওই সাক্ষী আদালতে উপস্থিত হয়ে সাক্ষ্য দেননি। এটি আদালত অবমাননার শামিল।
এ কারণে আদালত কর্তৃক ইস্যুকৃত কোর্ট সার্টিফিকেট সংশ্লিষ্ট শাখায় জমা না দেওয়া পর্যন্ত অথবা আদালত পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত তাঁর বেতন আটকে রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে একই থানায় ২০২১ সালের একটি মামলার এজাহারকারী এসআই মো. তসির উদ্দিনকে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য বেশ কয়েকবার তলব করেছিলেন আদালত। বারবার প্রসেস দেওয়া সত্ত্বেও এজাহারকারী কর্মকর্তা সাক্ষ্য না দেওয়ায় ‘কেন শাস্তি দেওয়া হবে না’ মর্মে ব্যাখ্যা দাখিলের দিন ধার্য ছিল বৃহস্পতিবার। এই মামলার দুই আসামির মধ্যে একজনের হাজিরা এবং অপরজনের সময়ের আবেদন করা হয়েছিল। এদিন তদন্তকারী কর্মকর্তার সাক্ষী হাজির হলেও অপর সাক্ষী এজাহারকারী এসআই মো. তসির উদ্দিনের হাজিরা ও ব্যাখ্যা আদালতে উপস্থাপন করা হয়নি।
২০২১ সালের ওই মামলায় এজাহারের সপক্ষে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য এসআই তসির উদ্দিনকে প্রথমে আদালতে হাজির হতে বলা হয়। ১১টি ধার্য কার্যদিবস অতিবাহিত হলেও তিনি আদেশ তামিল করেননি। সর্বশেষ ধার্য তারিখে ‘এর জন্য তাঁকে কেন শাস্তি দেওয়া হবে না’ মর্মে ব্যাখ্যা তলব করা হয়। কিন্তু তিনি এই আদেশও তামিল করেননি। আদালত থেকে পর্যায়ক্রমে ১১টি ধার্য তারিখে সাক্ষ্য দেওয়ার যাবতীয় প্রসেসসহ আদেশের কপি ইস্যু করা হলেও এসআই তসির উদ্দিন আদালতে উপস্থিত হয়ে সাক্ষ্য দেননি।
এটি আদালত অবমাননার শামিল বলে উল্লেখ করেছেন বিচারক। এ কারণে তাঁর বেতন বন্ধের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
উভয় আদেশের কপি রাজারহাট থানাসহ পুলিশের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট ডিভিশনের বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চের ২০১৯ সালের একটি আদেশের বরাত দিয়ে আদালত তাঁর আদেশে বলেন, ‘যেসব সরকারি কর্মচারী মামলায় সাক্ষী রয়েছেন, তাঁরা যদি সাক্ষ্য দিতে আদালতে হাজির না হন, তাহলে অন্যান্য নির্দেশনার পাশাপাশি তাঁদের বেতন আটকে দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে।’

যশোরে গত এক বছরে খুন হয়েছেন অন্তত ৬২ জন। অধিকাংশ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়েছে বিদেশি পিস্তল। সীমান্ত দিয়ে যে হারে অস্ত্র ঢুকছে, সেই তুলনায় উদ্ধার তৎপরতা কম। এমন বাস্তবতায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
রবিশস্য ও বোরো মৌসুম চলছে। দেশের উত্তরাঞ্চলের কৃষিপ্রধান জেলা নীলফামারীতে মাঠজুড়ে কৃষকের ব্যস্ততা। আলু, গম, ভুট্টা, শাকসবজি ও বোরো ক্ষেতে সেচ ও পরিচর্যায় সময় কাটছে কৃষকদের। তবে এই ব্যস্ততার আড়ালে চলছে আরেক লড়াই—সার সংগ্রহের। আবাদের জন্য প্রয়োজনীয় সার পাচ্ছেন না অনেক কৃষক।
৪ ঘণ্টা আগে
বরিশাল নগরের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের রুপাতলীতে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী লালার দীঘি দখলবাজির কারণে ক্রমশ ছোট হয়ে আসছে। দীঘিটির দক্ষিণ পাড়ের ৫০ শতাংশ জায়গা পাইপের মাধ্যমে ভরাট করেছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনে বরিশাল নগরের রুপাতলী হাউজিং স্টেট কর্তৃপক্ষ। এ জন্য দীঘির বিশাল অংশ নিয়ে তারা পাইলিংও দিয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি) প্রধান ও সহপ্রধান নিয়োগের ক্ষেত্রে পরীক্ষাভিত্তিক ব্যবস্থা চালু করতে যাচ্ছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। এ ব্যবস্থায় ওই দুই পদের প্রার্থীদের লিখিত বা বাছাই এবং মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে।
৫ ঘণ্টা আগে