ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

ঠাকুরগাঁওয়ে খেতে কাজ করতে গিয়ে প্রচণ্ড তাপপ্রবাহে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন কৃষিশ্রমিকেরা। কাঠফাটা রোদে দীর্ঘ সময় ধরে মাঠে কাজ করতে পারছেন না তাঁরা। কিছু সময় পরপর গাছের ছায়ায় বিশ্রাম নিতে হচ্ছে। অন্যদিকে কৃষিসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, আমন ধান ঘরে তোলার সময় ঘনিয়ে এসেছে। আর মাত্র ২৫-৩০ দিন পর কাটা শুরু হবে আমন ধান। তবে এই সময়ে অতি খরা, উচ্চ তাপমাত্রার কারণে ফসলের উৎপাদন কমে যাওয়ারও শঙ্কা রয়েছে।
সদর উপজেলার দৌলতপুর গ্রামের কৃষক আফতাব আলী বলেন, আশ্বিন মাসে এত গরম কখনো অনুভব করিনি। গরমের কারণে খেতে ঠিকমতো কাজ করা যাচ্ছে না। কিছুক্ষণ কাজ করলে গরমে শরীর পুড়ে যাচ্ছে। বাধ্য হয়ে কাজ ফেলে রেখে গাছের তলায় বিশ্রাম নিতে হচ্ছে।
সদরের বিলপাড়া গ্রামের কৃষিশ্রমিক ফয়েজ আলী বলেন, ‘গরমে খেতের পানিও টগবগ করছে। জমিতে পা ভেজালে মনে হয় গরম পানিতে পা ঝলসে যাচ্ছে। চুক্তি অনুযায়ী মাঠে ঠিকমতো কাজ করতে না পারায় মজুরিও কম পাচ্ছি।’
একই গ্রামের কৃষক হাফিজুল ইসলাম বলেন, ‘এই গরমে দিনমজুরির চুক্তিতে কৃষিশ্রমিক নিয়ে পোষানো যাচ্ছে না। তাই কাজ সম্পন্ন করে দেবে এমন চুক্তিতে শ্রমিক নিচ্ছি।’
অন্যদিকে এভাবে তাপপ্রবাহ চলতে থাকলে আমন ধানে ফলন বিপর্যয়ের শঙ্কার কথা জানিয়েছেন একাধিক কৃষক। জানতে চাইলে জেলার হরিপুর উপজেলার কাড়িগাঁও গ্রামের কৃষক জলিল মিয়া বলেন, প্রচণ্ড গরমে আমন ফসলের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা আছে। আমনের জন্য আদর্শ তাপমাত্র ৩৫ ডিগ্রি। কিন্তু গত এক মাস ধরে ৪০ ডিগ্রি তাপমাত্রা ওঠানামা করছে।
একই উপজেলার মশানগাঁও গ্রামের কৃষক শিমুল বিশ্বাস বলেন, অতিরিক্ত গরমে খেতে বিভিন্ন ক্ষতিকর পোকার প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে কারেন্ট পোকাসহ অন্যান্য পোকা গাছের পাতা ঝলসে দিচ্ছে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর জেলায় ১ লাখ ৩৭ হাজার ২৮০ হেক্টর জমিতে আমনের চাষ হয়েছে।
আবহাওয়ার এই পরিস্থিতিতে ফসলের ওপর কেমন প্রভাব পড়তে পারে—এমন প্রশ্নের জবাবে ঠাকুরগাঁও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সিরাজুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, এখন পর্যন্ত গরমে আমন খেতের ক্ষতি হওয়ার কোনো শঙ্কা নেই।
এ সময় খেতে পর্যাপ্ত সেচ দিতে হবে। তবে অতি তাপমাত্রা চলতে থাকলে জমিতে ক্ষতিকর পোকার আক্রমণ দেখা দিতে পারে। এই কৃষি কর্মকর্তা আরও বলেন, এ বছর অস্বাভাবিক গরম পড়ছে। বাতাসের আর্দ্রতার পরিমাণ খুবই কম। গত ২৪ ঘণ্টায় এই জেলায় ৪০ ডিগ্রি তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।

ঠাকুরগাঁওয়ে খেতে কাজ করতে গিয়ে প্রচণ্ড তাপপ্রবাহে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন কৃষিশ্রমিকেরা। কাঠফাটা রোদে দীর্ঘ সময় ধরে মাঠে কাজ করতে পারছেন না তাঁরা। কিছু সময় পরপর গাছের ছায়ায় বিশ্রাম নিতে হচ্ছে। অন্যদিকে কৃষিসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, আমন ধান ঘরে তোলার সময় ঘনিয়ে এসেছে। আর মাত্র ২৫-৩০ দিন পর কাটা শুরু হবে আমন ধান। তবে এই সময়ে অতি খরা, উচ্চ তাপমাত্রার কারণে ফসলের উৎপাদন কমে যাওয়ারও শঙ্কা রয়েছে।
সদর উপজেলার দৌলতপুর গ্রামের কৃষক আফতাব আলী বলেন, আশ্বিন মাসে এত গরম কখনো অনুভব করিনি। গরমের কারণে খেতে ঠিকমতো কাজ করা যাচ্ছে না। কিছুক্ষণ কাজ করলে গরমে শরীর পুড়ে যাচ্ছে। বাধ্য হয়ে কাজ ফেলে রেখে গাছের তলায় বিশ্রাম নিতে হচ্ছে।
সদরের বিলপাড়া গ্রামের কৃষিশ্রমিক ফয়েজ আলী বলেন, ‘গরমে খেতের পানিও টগবগ করছে। জমিতে পা ভেজালে মনে হয় গরম পানিতে পা ঝলসে যাচ্ছে। চুক্তি অনুযায়ী মাঠে ঠিকমতো কাজ করতে না পারায় মজুরিও কম পাচ্ছি।’
একই গ্রামের কৃষক হাফিজুল ইসলাম বলেন, ‘এই গরমে দিনমজুরির চুক্তিতে কৃষিশ্রমিক নিয়ে পোষানো যাচ্ছে না। তাই কাজ সম্পন্ন করে দেবে এমন চুক্তিতে শ্রমিক নিচ্ছি।’
অন্যদিকে এভাবে তাপপ্রবাহ চলতে থাকলে আমন ধানে ফলন বিপর্যয়ের শঙ্কার কথা জানিয়েছেন একাধিক কৃষক। জানতে চাইলে জেলার হরিপুর উপজেলার কাড়িগাঁও গ্রামের কৃষক জলিল মিয়া বলেন, প্রচণ্ড গরমে আমন ফসলের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা আছে। আমনের জন্য আদর্শ তাপমাত্র ৩৫ ডিগ্রি। কিন্তু গত এক মাস ধরে ৪০ ডিগ্রি তাপমাত্রা ওঠানামা করছে।
একই উপজেলার মশানগাঁও গ্রামের কৃষক শিমুল বিশ্বাস বলেন, অতিরিক্ত গরমে খেতে বিভিন্ন ক্ষতিকর পোকার প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে কারেন্ট পোকাসহ অন্যান্য পোকা গাছের পাতা ঝলসে দিচ্ছে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর জেলায় ১ লাখ ৩৭ হাজার ২৮০ হেক্টর জমিতে আমনের চাষ হয়েছে।
আবহাওয়ার এই পরিস্থিতিতে ফসলের ওপর কেমন প্রভাব পড়তে পারে—এমন প্রশ্নের জবাবে ঠাকুরগাঁও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সিরাজুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, এখন পর্যন্ত গরমে আমন খেতের ক্ষতি হওয়ার কোনো শঙ্কা নেই।
এ সময় খেতে পর্যাপ্ত সেচ দিতে হবে। তবে অতি তাপমাত্রা চলতে থাকলে জমিতে ক্ষতিকর পোকার আক্রমণ দেখা দিতে পারে। এই কৃষি কর্মকর্তা আরও বলেন, এ বছর অস্বাভাবিক গরম পড়ছে। বাতাসের আর্দ্রতার পরিমাণ খুবই কম। গত ২৪ ঘণ্টায় এই জেলায় ৪০ ডিগ্রি তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।

টানা ছয় দিন ধরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বিরাজ করছে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে। কনকনে শীত ও ঘন কুয়াশায় দিন শুরু হলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কুয়াশা কেটে গিয়ে রোদ ওঠায় কিছুটা স্বস্তি মিলছে। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় জেলার তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে
২২ মিনিট আগে
নদের এক পারে মনিরামপুর উপজেলার ডুমুরখালি বাজার এবং অপর পারে ঝিকরগাছা উপজেলার উজ্জ্বলপুর গ্রাম। এ ছাড়া নদীর ওপারে ডুমুরখালী গ্রামের মানুষের বিস্তীর্ণ ফসলি জমি ও মাছের ঘের রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে যোগাযোগব্যবস্থার অভাবে দুই পারের মানুষকে নৌকায় পারাপারের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হতো।
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আপিল শুনানিতে পিরোজপুর-২ (কাউখালী, ভান্ডারিয়া ও নেছারাবাদ) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মাহমুদ হোসেনের মনোনয়ন বাতিল বহাল রাখা হয়েছে। ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থনসূচক তালিকায় গরমিল এবং ঋণখেলাপি থাকার অভিযোগে তাঁর আপিল নামঞ্জুর করেছে নির্বাচন কমিশন। ফলে আসন্ন নির্বাচনে তাঁর
১ ঘণ্টা আগে
অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে নবীন সৈনিকদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন এবং কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও অভিবাদন গ্রহণ করবেন।
২ ঘণ্টা আগে