রংপুর প্রতিনিধি

অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের বলেছেন, ‘আপনি যদি পুলিশকে কাজ করাতে না পারেন, প্রশাসনকে কাজ করাতে না পারেন, মব দিয়ে কি আপনি ইলেকশন করতে পারবেন? যে ইলেকশন করবেন, সেই মবের ইলেকশন কি দেশে-বিদেশে গ্রহণযোগ্য হবে?’
আজ সোমবার বেলা ১টার দিকে রংপুরের পল্লী নিবাসে সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণসভায় জি এম কাদের এসব কথা বলেন।
জি এম কাদের বলেন, ‘এই মব কিন্তু বিভিন্নভাবে মদদ দেওয়া হয়েছিল, ব্যবহার করা হয়েছিল। এই মব যাঁরা করেছিলেন, এটাকে ব্যবহার করে শক্তি প্রদর্শন করেছেন, ফায়দা লুটেছেন, তাঁরা কিন্তু এটা আর কন্ট্রোল করতে পারছেন না। কারণ, পুলিশ হোক, প্রশাসন হোক—সবগুলোকে মনবলশূন্য করেছে। তাদের তাঁরা দলীয়করণের দূষিত করেছেন। তাদের দ্বারা তাঁরা কোনো কাজ করাতে পারছেন না।’
দেশ চরম নিরাপত্তাহীনতার দিকে যাচ্ছে দাবি করে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, ‘মানুষের মধ্যে অনিশ্চয়তা—দেশ কোথায় যাচ্ছে? আমরা কোথায় চলে যাচ্ছি, সামনের দিকে? আমরা কি একটা গৃহযুদ্ধের দিকে যাচ্ছি? আমরা কি একটা দুর্ভিক্ষের দিকে যাচ্ছি? আমরা কি একটা ব্যর্থ রাষ্ট্রের দিকে যাচ্ছি? আমাদের কি কোনো গতি হবে না? আমরা কি উন্নয়নশীল উন্নত জাতি হওয়ার জন্য পথে দাঁড়াব না?’
জি এম কাদের আরও বলেন, ‘কয়েক দিন আগের ঘটনা আমি জানিয়েছি। বর্তমানে দেশে চরম নিরাপত্তাহীনতা চলছে। কোনো মানুষের কোনো নিরাপত্তা নেই। সকালে বেরিয়ে সন্ধ্যায় ফিরবে কি না, কোনো খবর নেই। স্ত্রী-পুত্র-সন্তান-কন্যারা ফিরে আসবে কি না, কোনো খবর নাই। সন্ধ্যা পর্যন্ত আপনি চিন্তায় থাকবেন, আপনি বাইরে গেলে আপনার পরিবার চিন্তায় থাকবে, আপনি ফিরবেন কি না ঠিক নাই।’

অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের বলেছেন, ‘আপনি যদি পুলিশকে কাজ করাতে না পারেন, প্রশাসনকে কাজ করাতে না পারেন, মব দিয়ে কি আপনি ইলেকশন করতে পারবেন? যে ইলেকশন করবেন, সেই মবের ইলেকশন কি দেশে-বিদেশে গ্রহণযোগ্য হবে?’
আজ সোমবার বেলা ১টার দিকে রংপুরের পল্লী নিবাসে সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণসভায় জি এম কাদের এসব কথা বলেন।
জি এম কাদের বলেন, ‘এই মব কিন্তু বিভিন্নভাবে মদদ দেওয়া হয়েছিল, ব্যবহার করা হয়েছিল। এই মব যাঁরা করেছিলেন, এটাকে ব্যবহার করে শক্তি প্রদর্শন করেছেন, ফায়দা লুটেছেন, তাঁরা কিন্তু এটা আর কন্ট্রোল করতে পারছেন না। কারণ, পুলিশ হোক, প্রশাসন হোক—সবগুলোকে মনবলশূন্য করেছে। তাদের তাঁরা দলীয়করণের দূষিত করেছেন। তাদের দ্বারা তাঁরা কোনো কাজ করাতে পারছেন না।’
দেশ চরম নিরাপত্তাহীনতার দিকে যাচ্ছে দাবি করে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, ‘মানুষের মধ্যে অনিশ্চয়তা—দেশ কোথায় যাচ্ছে? আমরা কোথায় চলে যাচ্ছি, সামনের দিকে? আমরা কি একটা গৃহযুদ্ধের দিকে যাচ্ছি? আমরা কি একটা দুর্ভিক্ষের দিকে যাচ্ছি? আমরা কি একটা ব্যর্থ রাষ্ট্রের দিকে যাচ্ছি? আমাদের কি কোনো গতি হবে না? আমরা কি উন্নয়নশীল উন্নত জাতি হওয়ার জন্য পথে দাঁড়াব না?’
জি এম কাদের আরও বলেন, ‘কয়েক দিন আগের ঘটনা আমি জানিয়েছি। বর্তমানে দেশে চরম নিরাপত্তাহীনতা চলছে। কোনো মানুষের কোনো নিরাপত্তা নেই। সকালে বেরিয়ে সন্ধ্যায় ফিরবে কি না, কোনো খবর নেই। স্ত্রী-পুত্র-সন্তান-কন্যারা ফিরে আসবে কি না, কোনো খবর নাই। সন্ধ্যা পর্যন্ত আপনি চিন্তায় থাকবেন, আপনি বাইরে গেলে আপনার পরিবার চিন্তায় থাকবে, আপনি ফিরবেন কি না ঠিক নাই।’

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী সরকারি আরএসকেএইচ ইনস্টিটিউশন মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশদ্বারের পাশেই সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে নির্মাণ করা হয় একটি পাবলিক টয়লেট (ওয়াশ ব্লক)। কিন্তু উদ্বোধনের পর প্রায় আড়াই বছরেও ১৬ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে নির্মিত...
৩৭ মিনিট আগে
ফিরোজ দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে ঢাকায় থেকে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকের কারবার করে আসছিলেন। ঢাকায় তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় প্রায় পাঁচ বছর আগে তিনি টঙ্গিবাড়ীর দক্ষিণ বেতকা গ্রামে খালুর বাড়িতে এসে বসবাস শুরু করেন। সেখানে থেকেই তিনি মাদকের কারবার চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
৪০ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৬ ঘণ্টা আগে