বদরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি

শীতের দাপটে জবুথবু উত্তরাঞ্চলের আট জেলার মানুষ। এসব অঞ্চলের নিম্ন আয়ের মানুষ শীতবস্ত্রের অভাবে খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন। গত ১০ দিনে অসাবধানতাবশত দুই শিশুসহ সাত নারী দগ্ধ হয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি হয়। তাঁদের মধ্যে দুজনের মৃত্যু হয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার জবা বেগম (৪০) ও ৬ ডিসেম্বর (শুক্রবার) লালমনিরহাটের শাপটিবাড়ী এলাকার গৃহবধূ আরিফা বেগমের (২০) মৃত্যু হয়েছে।
আজ শুক্রবার আজকের পত্রিকাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন রমেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের চিকিৎসক শাহিন শাহ্।
রমেক হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আগুন পোহাতে গিয়ে দগ্ধ হয়ে বার্ন ইউনিটে ভর্তি হয় শিশুসহ পাঁচজন। তারা হলেন—রংপুরের পীরগঞ্জের জফুনা বেগম (৯০), লালমনির হাটের আদিতমারী উপজেলার সালমা বেগম (৬৫), দিনাজপুরের বিরল উপজেলার পপি আক্তার (২০), কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার শিশু সুমাইয়া (৬), নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার শিশু সাউরিল (৪)। তাঁদের মধ্যে পপি আক্তারের অবস্থার আশঙ্কাজনক হওয়ায় ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
এদিকে রমেক হাসপাতালে বার্ন ইউনিটে কর্মরতরা জানান, হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে শয্যা রয়েছে মাত্র ১৪টি। কিন্তু বিভিন্নভাবে আগুনে পোড়া রোগী রয়েছে ৪৬ জন। শয্যা সংকটের কারণে তাঁদের অন্যান্য ওয়ার্ডে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
রমেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের চিকিৎসক শাহিন শাহ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘গত ১০ দিনে খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণ করতে গিয়ে দগ্ধ হয়ে হাসপাতালে দুই শিশুসহ সাত নারী ভর্তি হয়। তাঁদের মধ্যে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুজন মারা গেছেন।’
তিনি বলেন, ‘উত্তরের দুই কোটি মানুষের চিকিৎসাস্থল রমেক হাসপাতাল। এখানে বার্ন ইউনিটে শয্যা রয়েছে মাত্র ১৪টি। শয্যা সংকটের কারণে বিভিন্নভাবে আগুনে দগ্ধ রোগীকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে অন্যান্য ওয়ার্ডে রেখে।’

শীতের দাপটে জবুথবু উত্তরাঞ্চলের আট জেলার মানুষ। এসব অঞ্চলের নিম্ন আয়ের মানুষ শীতবস্ত্রের অভাবে খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন। গত ১০ দিনে অসাবধানতাবশত দুই শিশুসহ সাত নারী দগ্ধ হয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি হয়। তাঁদের মধ্যে দুজনের মৃত্যু হয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার জবা বেগম (৪০) ও ৬ ডিসেম্বর (শুক্রবার) লালমনিরহাটের শাপটিবাড়ী এলাকার গৃহবধূ আরিফা বেগমের (২০) মৃত্যু হয়েছে।
আজ শুক্রবার আজকের পত্রিকাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন রমেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের চিকিৎসক শাহিন শাহ্।
রমেক হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আগুন পোহাতে গিয়ে দগ্ধ হয়ে বার্ন ইউনিটে ভর্তি হয় শিশুসহ পাঁচজন। তারা হলেন—রংপুরের পীরগঞ্জের জফুনা বেগম (৯০), লালমনির হাটের আদিতমারী উপজেলার সালমা বেগম (৬৫), দিনাজপুরের বিরল উপজেলার পপি আক্তার (২০), কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার শিশু সুমাইয়া (৬), নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার শিশু সাউরিল (৪)। তাঁদের মধ্যে পপি আক্তারের অবস্থার আশঙ্কাজনক হওয়ায় ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
এদিকে রমেক হাসপাতালে বার্ন ইউনিটে কর্মরতরা জানান, হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে শয্যা রয়েছে মাত্র ১৪টি। কিন্তু বিভিন্নভাবে আগুনে পোড়া রোগী রয়েছে ৪৬ জন। শয্যা সংকটের কারণে তাঁদের অন্যান্য ওয়ার্ডে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
রমেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের চিকিৎসক শাহিন শাহ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘গত ১০ দিনে খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণ করতে গিয়ে দগ্ধ হয়ে হাসপাতালে দুই শিশুসহ সাত নারী ভর্তি হয়। তাঁদের মধ্যে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুজন মারা গেছেন।’
তিনি বলেন, ‘উত্তরের দুই কোটি মানুষের চিকিৎসাস্থল রমেক হাসপাতাল। এখানে বার্ন ইউনিটে শয্যা রয়েছে মাত্র ১৪টি। শয্যা সংকটের কারণে বিভিন্নভাবে আগুনে দগ্ধ রোগীকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে অন্যান্য ওয়ার্ডে রেখে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৩ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে