আব্দুর রহিম পায়েল, গঙ্গাচড়া (রংপুর)

‘হামার সারা জীবন এমনে যাইবে। আর যে কয়টা দিন বাঁচমো, সে কয়টা দিনও এমন করি কাটা লাগবে। বাহে, নদীত ভাঙতে ভাঙতে আইজ হামরা নিঃস্ব। সারা জীবন খালি শুনি, আসনো নদী বান্দিবে, কিন্তু নদী আর বান্দা হইল না। হামার নদীও বান্দা হইবে না, আর হামার কপালও খুলবে না।’
গতকাল রোববার ক্ষোভের সঙ্গে এসব কথা বলেন রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার লক্ষ্মীটারী ইউনিয়নের চর বাগেরহাট আবাসন এলাকার বাসিন্দা মজিবর রহমান (৫৪)।
জানা গেছে, কয়েক দিনের টানা ভারী বৃষ্টি ও উজানের পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর পানি বেড়েছে। এতে বন্যায় রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় পানিবন্দী হয়ে পড়েছে প্রায় আড়াই হাজার পরিবার।
মজিবর রহমান আরও বলেন, ‘দক্ষিণে বন্যা হইতে খালি ত্রাণ নিয়া দৌড়াদৌড়ি সবার। আর উত্তরের মানুষ হামরা পানিত ডুবি মরলেও কায়ও হামার খবর নেয় না। বাহে, তোরা ছবি তুলি হামার কী করেন?’
পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, রোববার সকাল ৬টায় দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজের ডালিয়া পয়েন্টে পানির প্রবাহ রেকর্ড করা হয় ৫২.১৭ মিটার, যা বিপৎসীমার (স্বাভাবিক ৫২.১৫ মিটার) ২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে একটু একটু করে কমতে শুরু করে পানি। বেলা ৩টার তথ্য অনুযায়ী, পানির প্রবাহ রেকর্ড করা হয় ৫২.৭ মিটার, যা বিপৎসীমার ৮ সেন্টিমিটার নিচে।
এদিকে তিস্তার কাউনিয়া পয়েন্টে বেলা ৩টার তথ্য অনুযায়ী, বিপৎসীমার ৩১ সেমি ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে নদীতীরবর্তী অঞ্চল বন্যায় প্লাবিত হয়েছে। এতে রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার সদর, কোলকোন্দ, লক্ষ্মীটারী, গজঘণ্টা, মর্ণেয়া, নোহালী ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলে পানিবন্দী হয়ে পড়েছে প্রায় আড়াই হাজার পরিবার।
এ বিষয়ে পাউবোর রংপুর কার্যালয়ের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আহসান হাবিব বলেন, পানি বাড়লেও এই পানি নেমে যাবে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নদীর পানি হ্রাস পেয়ে বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে। তিস্তা বাঁচাও, নদী বাঁচাও সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম হক্কানি বলেন, এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য তিস্তা খনন, সংরক্ষণ ও তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা ছাড়া বিকল্প নেই।
গঙ্গাচড়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সজীবুল করিম বলেন, ‘উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের মোট পানিবন্দীর সংখ্যা ২ হাজারের মতো। শনিবার আমরা ১০০ পরিবারকে শুকনা খাবার দিয়েছি, সোমবার ১ হাজার ২০০ পরিবারকে শুকনো খাবার দেওয়া হবে।’

‘হামার সারা জীবন এমনে যাইবে। আর যে কয়টা দিন বাঁচমো, সে কয়টা দিনও এমন করি কাটা লাগবে। বাহে, নদীত ভাঙতে ভাঙতে আইজ হামরা নিঃস্ব। সারা জীবন খালি শুনি, আসনো নদী বান্দিবে, কিন্তু নদী আর বান্দা হইল না। হামার নদীও বান্দা হইবে না, আর হামার কপালও খুলবে না।’
গতকাল রোববার ক্ষোভের সঙ্গে এসব কথা বলেন রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার লক্ষ্মীটারী ইউনিয়নের চর বাগেরহাট আবাসন এলাকার বাসিন্দা মজিবর রহমান (৫৪)।
জানা গেছে, কয়েক দিনের টানা ভারী বৃষ্টি ও উজানের পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর পানি বেড়েছে। এতে বন্যায় রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় পানিবন্দী হয়ে পড়েছে প্রায় আড়াই হাজার পরিবার।
মজিবর রহমান আরও বলেন, ‘দক্ষিণে বন্যা হইতে খালি ত্রাণ নিয়া দৌড়াদৌড়ি সবার। আর উত্তরের মানুষ হামরা পানিত ডুবি মরলেও কায়ও হামার খবর নেয় না। বাহে, তোরা ছবি তুলি হামার কী করেন?’
পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, রোববার সকাল ৬টায় দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজের ডালিয়া পয়েন্টে পানির প্রবাহ রেকর্ড করা হয় ৫২.১৭ মিটার, যা বিপৎসীমার (স্বাভাবিক ৫২.১৫ মিটার) ২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে একটু একটু করে কমতে শুরু করে পানি। বেলা ৩টার তথ্য অনুযায়ী, পানির প্রবাহ রেকর্ড করা হয় ৫২.৭ মিটার, যা বিপৎসীমার ৮ সেন্টিমিটার নিচে।
এদিকে তিস্তার কাউনিয়া পয়েন্টে বেলা ৩টার তথ্য অনুযায়ী, বিপৎসীমার ৩১ সেমি ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে নদীতীরবর্তী অঞ্চল বন্যায় প্লাবিত হয়েছে। এতে রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার সদর, কোলকোন্দ, লক্ষ্মীটারী, গজঘণ্টা, মর্ণেয়া, নোহালী ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলে পানিবন্দী হয়ে পড়েছে প্রায় আড়াই হাজার পরিবার।
এ বিষয়ে পাউবোর রংপুর কার্যালয়ের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আহসান হাবিব বলেন, পানি বাড়লেও এই পানি নেমে যাবে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নদীর পানি হ্রাস পেয়ে বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে। তিস্তা বাঁচাও, নদী বাঁচাও সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম হক্কানি বলেন, এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য তিস্তা খনন, সংরক্ষণ ও তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা ছাড়া বিকল্প নেই।
গঙ্গাচড়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সজীবুল করিম বলেন, ‘উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের মোট পানিবন্দীর সংখ্যা ২ হাজারের মতো। শনিবার আমরা ১০০ পরিবারকে শুকনা খাবার দিয়েছি, সোমবার ১ হাজার ২০০ পরিবারকে শুকনো খাবার দেওয়া হবে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
৫ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ছয়জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামলেও বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সোনার গয়না আছে ৩০ তোলার; যার দাম ৫০ হাজার টাকা। জামায়াতের...
৬ ঘণ্টা আগে
বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
৬ ঘণ্টা আগে
চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে...
৬ ঘণ্টা আগে