ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

একদিকে খরা অন্যদিকে তীব্র তাপপ্রবাহে ঠাকুরগাঁওয়ে বিরূপ প্রভাব পড়ছে ফসলের মাঠে। প্রচণ্ড গরমে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে সবজির খেত। তাপে ঝলসে যাচ্ছে গাছের কুঁড়ি ও পাতা।
কৃষকেরা বলছেন, অনাবৃষ্টি ও খরার হাত থেকে ফসল রক্ষায় সকাল-বিকেল খেতে পানি দিয়েও গাছ বাঁচাতে পারছেন না। এতে সবজির উৎপাদন নিয়ে শঙ্কিত তাঁরা।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর তথ্য মতে, চলমান গ্রীষ্মকালীন সবজি আবাদের তালিকায় আছে লাউ, মিষ্টি কুমড়া চিচিঙ্গা, ধুন্দুল, করলা, টমেটো, শসা ও মরিচসহ প্রায় সব ধরনের সবজি। তবে তীব্র গরমসহ রোদের তাপে মারাত্মক প্রভাব পড়ছে এই সব ফসলি মাঠে।
সদরের রুহিয়া কুজিশহর এলাকার কৃষক তসলিম উদ্দিন বলেন, ‘তীব্র গরমে পুড়ে বিবর্ণ হয়ে গেছে তার ৫ বিঘা জমির মিষ্টি কুমড়া খেত। সকালে পানি দিলে দুপুরের আগেই শুকিয়ে যায়। বৃষ্টি না হলে কোনো গাছই টিকিয়ে রাখা সম্ভব হবে না।’
একই এলাকার সবজি চাষি আব্দুর রশিদ বলেন, ‘অতিরিক্ত খরার কারণে সেচ কাজে ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে। স্বাভাবিকের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি সেচ লাগছে জমিতে। কৃষিকাজে শ্রমিকও লাগছে বেশি। এবার বড় ধরনের লোকসান গুনতে হবে।’
সদরের মোহাম্মদপুর এলাকার কৃষক হাবিবুর রহমান জানান, মিষ্টি কুমড়ো, করলা, টমেটো, শসা, মরিচ ও লাউয়ের মতো সবজি গাছগুলো শুকিয়ে মারা যাচ্ছে। কিছু কিছু গাছের পাতার রস শুকিয়ে পাতা কুঁকড়ে গাছ মরে যাচ্ছে।
ওই গ্রামের বাদামচাষি রফিকুল ইসলাম বলেন, রোদ আর তাপমাত্রায় বাদাম গাছ শুকিয়ে বিবর্ণ হয়ে গেছে। ভয়াবহ এই তাপপ্রবাহ ও অনাবৃষ্টির কারণে ফলন কাঙ্ক্ষিত ফলন হবে না।
৫৬ শতক জমিতে চিচিঙ্গা, ধুন্দুল, করলাসহ বিভিন্ন জাতের শাক লাগিয়েছেন সদরের জগন্নাথপুর এলাকার কৃষক হামিদুর। তীব্র রোদে গাছগুলো পুড়ে যাচ্ছে জানিয়ে হামিদুর বলেন, এ বছর এমনিতেই চাষাবাদে উৎপাদন খরচ কয়েক গুণ বেশি। এখন ফলন ধরার সময়ে এসে গরমে বিবর্ণ হয়ে মরে যাচ্ছে মাঠে লাগানো বিভিন্ন সবজি গাছ। সকাল-বিকেল পানি দিচ্ছি। তারপরও গাছগুলা শুকিয়ে মরে যাচ্ছে।
জেলায় চলতি মৌসুমে পাঁচ হাজার ৩৭৫ হেক্টর জমিতে গ্রীষ্মকালীন সবজি আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে বলে জানালেন ঠাকুরগাঁও জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সিরাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, এখনো খরিফ এক মৌসুমের আবাদ চলছে। চলমান তীব্র তাপপ্রবাহে শাকসবজির গাছগুলো ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। ফসল রক্ষায় কৃষকদের সার্বক্ষণিক পরামর্শ দিচ্ছে কৃষি বিভাগ। বিশেষ করে জমিতে রসের ঘাটতি যেন না হয় সে দিকে কৃষকদের সেচ ব্যবস্থা চালু রাখাসহ নানা রকম পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

একদিকে খরা অন্যদিকে তীব্র তাপপ্রবাহে ঠাকুরগাঁওয়ে বিরূপ প্রভাব পড়ছে ফসলের মাঠে। প্রচণ্ড গরমে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে সবজির খেত। তাপে ঝলসে যাচ্ছে গাছের কুঁড়ি ও পাতা।
কৃষকেরা বলছেন, অনাবৃষ্টি ও খরার হাত থেকে ফসল রক্ষায় সকাল-বিকেল খেতে পানি দিয়েও গাছ বাঁচাতে পারছেন না। এতে সবজির উৎপাদন নিয়ে শঙ্কিত তাঁরা।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর তথ্য মতে, চলমান গ্রীষ্মকালীন সবজি আবাদের তালিকায় আছে লাউ, মিষ্টি কুমড়া চিচিঙ্গা, ধুন্দুল, করলা, টমেটো, শসা ও মরিচসহ প্রায় সব ধরনের সবজি। তবে তীব্র গরমসহ রোদের তাপে মারাত্মক প্রভাব পড়ছে এই সব ফসলি মাঠে।
সদরের রুহিয়া কুজিশহর এলাকার কৃষক তসলিম উদ্দিন বলেন, ‘তীব্র গরমে পুড়ে বিবর্ণ হয়ে গেছে তার ৫ বিঘা জমির মিষ্টি কুমড়া খেত। সকালে পানি দিলে দুপুরের আগেই শুকিয়ে যায়। বৃষ্টি না হলে কোনো গাছই টিকিয়ে রাখা সম্ভব হবে না।’
একই এলাকার সবজি চাষি আব্দুর রশিদ বলেন, ‘অতিরিক্ত খরার কারণে সেচ কাজে ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে। স্বাভাবিকের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি সেচ লাগছে জমিতে। কৃষিকাজে শ্রমিকও লাগছে বেশি। এবার বড় ধরনের লোকসান গুনতে হবে।’
সদরের মোহাম্মদপুর এলাকার কৃষক হাবিবুর রহমান জানান, মিষ্টি কুমড়ো, করলা, টমেটো, শসা, মরিচ ও লাউয়ের মতো সবজি গাছগুলো শুকিয়ে মারা যাচ্ছে। কিছু কিছু গাছের পাতার রস শুকিয়ে পাতা কুঁকড়ে গাছ মরে যাচ্ছে।
ওই গ্রামের বাদামচাষি রফিকুল ইসলাম বলেন, রোদ আর তাপমাত্রায় বাদাম গাছ শুকিয়ে বিবর্ণ হয়ে গেছে। ভয়াবহ এই তাপপ্রবাহ ও অনাবৃষ্টির কারণে ফলন কাঙ্ক্ষিত ফলন হবে না।
৫৬ শতক জমিতে চিচিঙ্গা, ধুন্দুল, করলাসহ বিভিন্ন জাতের শাক লাগিয়েছেন সদরের জগন্নাথপুর এলাকার কৃষক হামিদুর। তীব্র রোদে গাছগুলো পুড়ে যাচ্ছে জানিয়ে হামিদুর বলেন, এ বছর এমনিতেই চাষাবাদে উৎপাদন খরচ কয়েক গুণ বেশি। এখন ফলন ধরার সময়ে এসে গরমে বিবর্ণ হয়ে মরে যাচ্ছে মাঠে লাগানো বিভিন্ন সবজি গাছ। সকাল-বিকেল পানি দিচ্ছি। তারপরও গাছগুলা শুকিয়ে মরে যাচ্ছে।
জেলায় চলতি মৌসুমে পাঁচ হাজার ৩৭৫ হেক্টর জমিতে গ্রীষ্মকালীন সবজি আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে বলে জানালেন ঠাকুরগাঁও জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সিরাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, এখনো খরিফ এক মৌসুমের আবাদ চলছে। চলমান তীব্র তাপপ্রবাহে শাকসবজির গাছগুলো ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। ফসল রক্ষায় কৃষকদের সার্বক্ষণিক পরামর্শ দিচ্ছে কৃষি বিভাগ। বিশেষ করে জমিতে রসের ঘাটতি যেন না হয় সে দিকে কৃষকদের সেচ ব্যবস্থা চালু রাখাসহ নানা রকম পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

বিলম্বের বৃত্ত থেকে বের হতে পারছে না বাংলাদেশ রেলওয়ের ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন রেলপথ প্রকল্প। ইতিমধ্যে চার দফা মেয়াদ বাড়ানো এই প্রকল্প শেষ করতে আরও দুই বছর মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে প্রকল্প কর্তৃপক্ষ। প্রায় এক যুগে প্রকল্পের কাজ হয়েছে ৫৪ শতাংশ।
২ ঘণ্টা আগে
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আজম পাশা চৌধুরী রুমেল এবং হাতিয়া পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বঙ্গবন্ধু আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ছাইফ উদ্দিন আহমদ দীর্ঘদিন হত্যা-বিস্ফোরকসহ একাধিক মামলার আসামি হয়ে জেলা কারাগারে রয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
যুগ যুগ ধরে সমুদ্রের পানি দিয়ে লবণ উৎপাদন করে আসছেন কৃষকেরা। তবে লবণ উৎপাদন কারখানার পরিত্যক্ত পানি দিয়ে আবার লবণ তৈরির সম্ভাবনা বাস্তবে রূপ দিয়েছেন চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার কৃষকেরা।
৩ ঘণ্টা আগে
খুলনা জেলায় খাদ্যশস্য সংগ্রহ মৌসুমে বস্তা কেনায় অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নতুন বস্তার সঙ্গে পুরোনো বস্তাও সরবরাহ ও ব্যবহার হচ্ছে বলে জানা গেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, পুরোনো নিম্নমানের বস্তা ক্রয় এবং অবৈধ লেনদেনের মাধ্যমে খাদ্যগুদামের অর্থ আত্মসাৎ করা হচ্ছে। তবে খাদ্য কর্মকর্তাদের দাবি...
৩ ঘণ্টা আগে