
চলতি গ্রীষ্মে ইউরোপে পরপর চারটি রেকর্ডভাঙা তাপপ্রবাহে গত বছরের গ্রীষ্মের তুলনায় অন্তত ৩৫ হাজার মানুষের অতিরিক্ত মৃত্যু হয়েছে। মহাদেশটির অর্ধেকেরও কম এলাকার অসম্পূর্ণ তথ্যের ভিত্তিতে এই হিসাব করা হয়েছে। ফলে চূড়ান্ত মৃত্যুর সংখ্যা আরও অনেক বেশি হতে পারে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদন থ

দীর্ঘ দুই মাস ধোঁয়াশা আর রুক্ষতার মাঝে বন্দী থাকার পর অবশেষে বহু কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টি নামল যুক্তরাজ্যের সারে কাউন্টির উইসলি গ্রামে। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, টানা ৬২ দিন এক ফোঁটা বৃষ্টিরও দেখা মেলেনি উইসলিতে।

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কয়েক দিন ধরেই চলছে বৃষ্টি। তবে সেই অনুযায়ী কমছে না গরমের অনুভূতি। আবহাওয়া বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা সিলেট ও তেঁতুলিয়ায় ৩৬ ডিগ্রি রেকর্ড করা হয়েছে, যা মৃদু তাপপ্রবাহ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এদিকে সর্বোচ্চ ৬১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে গোপালগঞ্জে।

তীব্র তাপপ্রবাহ, দীর্ঘস্থায়ী খরা ও ভয়াবহ দাবানলের মধ্যেই চলতি গ্রীষ্মে পশ্চিম ইউরোপে তাপমাত্রার নতুন রেকর্ড তৈরি হয়েছে। সোমবার (১০ আগস্ট) ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) জলবায়ু পর্যবেক্ষণ সংস্থা ‘কোপার্নিকাস ক্লাইমেট চেঞ্জ সার্ভিস’ জানিয়েছে, এবার জুন ও জুলাই—গ্রীষ্মের এই প্রথম দুই মাস পশ্চিম ইউরোপের ইতিহাসে