কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি ও নাগেশ্বরী সংবাদদাতা

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে সাপুড়ে বয়েজ উদ্দিনের প্রাণ কেড়ে নেওয়া সেই বিষধর সাপ কাঁচা চিবিয়ে খেয়েছেন মোজাহার নামের আরেক সাপুড়ে। আজ বিকেলে উপজেলার বল্লভেরখাষ ইউনিয়নের গাবতলা বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
মোজাহারের বাড়ি ভূরুঙ্গামারী উপজেলার বলদিয়া ইউনিয়নের বলদিয়া বাজার এলাকায়। এলাকায় তিনি সাপখেকো মোজাহার নামে পরিচিত। তিনিও সাপ ধরেন।
আজ সকালে উপজেলার কালিগঞ্জ ইউনিয়নের কাপালিপাড়ায় সাপ ধরতে গিয়ে ছোবল খেয়ে প্রাণ হারান সাপুড়ে বয়েজ উদ্দিন। তিনি কাপালিপাড়ার ইমরান আলীর বাড়িতে সাপ ধরতে গিয়েছিলেন। ইমরান আলীর বাড়ির রান্নাঘরে একটি ইঁদুরের গর্তে বাসা বেঁধেছিল একটি ‘গোখরা’ সাপ। এটির সঙ্গে ছিল ১২-১৫টি সাপের বাচ্চা। মাটি খুঁড়ে সাপের বাচ্চাগুলো ধরার পর বড় সাপটি ধরে ফেলেন বয়েজ উদ্দিন। সাপটি বস্তায় ঢোকানোর আগেই হাতে ছোবল দেয় সেটি। প্রথম দিকে সাপের বিষে কিছু না হলেও একপর্যায়ে তাঁর শরীর নিস্তেজ হতে শুরু করে। সাপুড়েকে ভূরুঙ্গামারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
বয়েজ উদ্দিনের লাশ বল্লভেরখাষ ইউনিয়নের ডাক্তারপাড়ায় তাঁর বাড়িতে আনার পর একে একে আসতে থাকেন কয়েকজন ওঝা ও সাপুড়ে। তাঁরাও এসে বলেন, রোগী মারা গেছেন। বয়েজের বাড়িতে ওঝা মোজাহারও আসেন। তিনি বড় সাপসহ বাচ্চাগুলো নিয়ে নেন। পরে গাবতলা বাজারে এসে বড় সাপটিকে মেরে কাঁচা চিবিয়ে খান তিনি। এ সময় গাবতলা বাজারে তাঁর সাপ খাওয়া দেখতে উৎসুক মানুষের ভিড় জমে যায়।
মোজাহার জানান, বয়েজ উদ্দিনকে হাসপাতালে নেওয়ার আগে তিনি খবর পান এবং সাপের পরিচয় পাওয়ার পর বুঝতে পেরেছেন, তিনি বাঁচবেন না। তিনি বলেন, ‘আমাকে ফোনে ডেকে আনেন বয়েজ উদ্দিনের স্বজনেরা। এসে দেখি, বয়েজ উদ্দিন মারা গেছেন।’ মোজাহার আরও বলেন, ‘বয়েজ উদ্দিনের ধরা সাপের বাচ্চাগুলোসহ বড় সাপটি আমাকে দেন তাঁর স্বজনেরা। এগুলো নিয়ে এসে বড় সাপটি মেরে রক্ত-মাংস খাই। আর ছোট বাচ্চাগুলো ছেড়ে দিব।’ তিনি জানান, কাঁচা সাপ খাওয়া তাঁর পুরোনো অভ্যাস।
এদিকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করার পরও বয়েজ উদ্দিন বেঁচে আছে মনে করে তাঁকে জীবিত করার আশায় আজ সন্ধ্যা পর্যন্ত ঝাড়ফুঁক চলছিল বলে জানা গেছে। এ ব্যাপারে ভূরুঙ্গামারী স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা এস এম আবু সায়েম বলেন, ‘সাপে কাটলে ঝাড়ফুঁকে কোনো কাজ হওয়ার কথা নয়। সাপে কাটার সঙ্গে সঙ্গে রোগীকে হাসপাতালে আনতে হবে। আমাদের কাছে অ্যান্টিভেনম মজুত আছে। লোকজনকে আরও সচেতন হতে হবে। বর্ষা মৌসুমে সাপের উপদ্রব বেশি। সাপে কাটলে সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে আনতে হবে।’

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে সাপুড়ে বয়েজ উদ্দিনের প্রাণ কেড়ে নেওয়া সেই বিষধর সাপ কাঁচা চিবিয়ে খেয়েছেন মোজাহার নামের আরেক সাপুড়ে। আজ বিকেলে উপজেলার বল্লভেরখাষ ইউনিয়নের গাবতলা বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
মোজাহারের বাড়ি ভূরুঙ্গামারী উপজেলার বলদিয়া ইউনিয়নের বলদিয়া বাজার এলাকায়। এলাকায় তিনি সাপখেকো মোজাহার নামে পরিচিত। তিনিও সাপ ধরেন।
আজ সকালে উপজেলার কালিগঞ্জ ইউনিয়নের কাপালিপাড়ায় সাপ ধরতে গিয়ে ছোবল খেয়ে প্রাণ হারান সাপুড়ে বয়েজ উদ্দিন। তিনি কাপালিপাড়ার ইমরান আলীর বাড়িতে সাপ ধরতে গিয়েছিলেন। ইমরান আলীর বাড়ির রান্নাঘরে একটি ইঁদুরের গর্তে বাসা বেঁধেছিল একটি ‘গোখরা’ সাপ। এটির সঙ্গে ছিল ১২-১৫টি সাপের বাচ্চা। মাটি খুঁড়ে সাপের বাচ্চাগুলো ধরার পর বড় সাপটি ধরে ফেলেন বয়েজ উদ্দিন। সাপটি বস্তায় ঢোকানোর আগেই হাতে ছোবল দেয় সেটি। প্রথম দিকে সাপের বিষে কিছু না হলেও একপর্যায়ে তাঁর শরীর নিস্তেজ হতে শুরু করে। সাপুড়েকে ভূরুঙ্গামারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
বয়েজ উদ্দিনের লাশ বল্লভেরখাষ ইউনিয়নের ডাক্তারপাড়ায় তাঁর বাড়িতে আনার পর একে একে আসতে থাকেন কয়েকজন ওঝা ও সাপুড়ে। তাঁরাও এসে বলেন, রোগী মারা গেছেন। বয়েজের বাড়িতে ওঝা মোজাহারও আসেন। তিনি বড় সাপসহ বাচ্চাগুলো নিয়ে নেন। পরে গাবতলা বাজারে এসে বড় সাপটিকে মেরে কাঁচা চিবিয়ে খান তিনি। এ সময় গাবতলা বাজারে তাঁর সাপ খাওয়া দেখতে উৎসুক মানুষের ভিড় জমে যায়।
মোজাহার জানান, বয়েজ উদ্দিনকে হাসপাতালে নেওয়ার আগে তিনি খবর পান এবং সাপের পরিচয় পাওয়ার পর বুঝতে পেরেছেন, তিনি বাঁচবেন না। তিনি বলেন, ‘আমাকে ফোনে ডেকে আনেন বয়েজ উদ্দিনের স্বজনেরা। এসে দেখি, বয়েজ উদ্দিন মারা গেছেন।’ মোজাহার আরও বলেন, ‘বয়েজ উদ্দিনের ধরা সাপের বাচ্চাগুলোসহ বড় সাপটি আমাকে দেন তাঁর স্বজনেরা। এগুলো নিয়ে এসে বড় সাপটি মেরে রক্ত-মাংস খাই। আর ছোট বাচ্চাগুলো ছেড়ে দিব।’ তিনি জানান, কাঁচা সাপ খাওয়া তাঁর পুরোনো অভ্যাস।
এদিকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করার পরও বয়েজ উদ্দিন বেঁচে আছে মনে করে তাঁকে জীবিত করার আশায় আজ সন্ধ্যা পর্যন্ত ঝাড়ফুঁক চলছিল বলে জানা গেছে। এ ব্যাপারে ভূরুঙ্গামারী স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা এস এম আবু সায়েম বলেন, ‘সাপে কাটলে ঝাড়ফুঁকে কোনো কাজ হওয়ার কথা নয়। সাপে কাটার সঙ্গে সঙ্গে রোগীকে হাসপাতালে আনতে হবে। আমাদের কাছে অ্যান্টিভেনম মজুত আছে। লোকজনকে আরও সচেতন হতে হবে। বর্ষা মৌসুমে সাপের উপদ্রব বেশি। সাপে কাটলে সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে আনতে হবে।’

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া স্টেশনে ট্রেনের বগি থেকে মোজাহার আলী (৬০) নামের এক বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার করছে পুলিশ। তিনি উপজেলার ঘুড়িদহ ইউনিয়নের মতরপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল সর্দারের ছেলে।
৮ মিনিট আগে
মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী সরকারি আরএসকেএইচ ইনস্টিটিউশন মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশদ্বারের পাশেই সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে নির্মাণ করা হয় একটি পাবলিক টয়লেট (ওয়াশ ব্লক)। কিন্তু উদ্বোধনের পর প্রায় আড়াই বছরেও ১৬ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে নির্মিত...
১ ঘণ্টা আগে
ফিরোজ দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে ঢাকায় থেকে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকের কারবার করে আসছিলেন। ঢাকায় তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় প্রায় পাঁচ বছর আগে তিনি টঙ্গিবাড়ীর দক্ষিণ বেতকা গ্রামে খালুর বাড়িতে এসে বসবাস শুরু করেন। সেখানে থেকেই তিনি মাদকের কারবার চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৬ ঘণ্টা আগে