
চার দফা দাবিতে নীলফামারীর সৈয়দপুরে দিনব্যাপী অনশন ধর্মঘট পালন করেছেন ২৩টি ক্যাম্পের কয়েক শ উর্দুভাষী নারী-পুরুষ। আজ রোববার (২৯ ডিসেম্বর) সকালে শহীদ ডা. জিকরুল হক সড়কের শহীদ স্মৃতি অম্লান চত্বরে স্ট্যান্ডার্ড পিপলস জেনারেল রিহ্যাবিলিটেশন কমিটি (এসপিজিআরসি) সৈয়দপুর শাখার উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
চার দফা দাবি হলো—
১. সরকারিভাবে পুনর্বাসন।
২. বিনা মূল্যে বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ।
৩. রেলওয়েসহ অন্যান্য জায়গা থেকে উচ্ছেদ অভিযান বন্ধ।
৪. বৈষম্যমুক্ত মৌলিক অধিকার নিশ্চিতকরণ।
অনশন কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন এসপিজিআরসির সৈয়দপুর শাখার সভাপতি রেয়াজ আকবর। বক্তব্য দেন সংগঠনের সহসভাপতি মো. মোক্তার, সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ, সহসাধারণ সম্পাদক মো. মোবারক ও মো. মোক্তার হোসেন পাপ্পু, প্রচার সম্পাদক মো. জাফর এবং নয়াবাজার ক্যাম্পের বাসিন্দা সনি বেগম।
অনশনে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য দেন সৈয়দপুর সাংগঠনিক জেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যক্ষ আব্দুল গফুর সরকার, জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ওবাইদুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক শাহীন আকতার, সৈয়দপুর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শেখ বাবলু এবং সৈয়দপুর পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর ইকবাল হোসেন গুড্ডু।
আন্দোলনকারীরা জানান, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে উর্দুভাষী ক্যাম্পবাসীদের সরকার বিনা মূল্যে বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ করছিল। কিন্তু পুনর্বাসন না করেই একসময় এসব সুবিধা বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ পরিস্থিতিতে তারা মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

বাংলাদেশ থেকে ভারত ভ্রমণে বিধিনিষেধ, ভিসায় কড়াকড়ি, নানা শর্ত আরোপ আর ভ্রমণ কর বৃদ্ধির নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে বেনাপোল স্থলবন্দরে। এক বছরের ব্যবধানে এই বন্দর দিয়ে ভারতগামী ও প্রত্যাবর্তনকারী পাসপোর্টধারী যাত্রীর সংখ্যা কমেছে ১৩ লাখ ৫০ হাজারের বেশি।
১ ঘণ্টা আগে
কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রামে খালের ওপর নির্মিত ৬৭ লাখ টাকার একটি গার্ডার সেতু পাঁচ বছরেও মানুষের ব্যবহারে আসেনি। সেতুর দুই পাশে সংযোগ সড়ক না থাকায় এটি এখন কার্যত অকার্যকর। কাজ শেষ না করেই বিল উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে।
১ ঘণ্টা আগে
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার তেরাইল এলাকায় বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে ধান, গমসহ নানা ধরনের ফসল। তারই মাঝখানে একখণ্ড জমিতে কোদাল দিয়ে তামাকগাছ পরিচর্যা করছেন এক কৃষক। একসময় এই জমিতেও বিভিন্ন ফসল উৎপাদন হতো। অধিক লাভের প্রলোভনে এখন সেখানে ঢুকে পড়েছে তামাক চাষ।
২ ঘণ্টা আগে
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বরিশালে আসছেন ৪ ফেব্রুয়ারি। ঠিক তার এক দিন পর ৬ ফেব্রুয়ারি বরিশাল সফর করবেন জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান। এর মাঝে ৫ ফেব্রুয়ারি বরিশালে নির্বাচনী জনসভায় আসছেন ইসলামী আন্দোলনের আমির চরমোনাই পীর সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম।
২ ঘণ্টা আগে