সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি

নৈতিক স্খলন, দুর্নীতি ও অদক্ষতার অভিযোগ উঠেছে নীলফামারীর সৈয়দপুর পৌরসভার মেয়র রাফিকা আকতার জাহান বেবীর বিরুদ্ধে। এসব অভিযোগ তুলে তাঁকে অপসারণের জন্য স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বরাবর আবেদন করেছেন স্থানীয় কাউন্সিলররা।
অপসারণের আবেদনপত্র গতকাল বুধবার নীলফামারী জেলা প্রশাসক ও রংপুর বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে গিয়ে জমা দেওয়া হয়। আবেদনপত্রে প্যানেল মেয়রসহ ১৪ জন কাউন্সিলর স্বাক্ষর করেন।
লিখিত ওই আবেদনে জানানো হয়, নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই মেয়র রাফিকার ঔদ্ধত্যপূর্ণ ও বেলেল্লাপনা আচরণে পৌরবাসী ক্ষুব্ধ। ২০২৩ সালে তাঁর একটি অশ্লীল ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। ওই সময় মেয়র চারজন কাউন্সিলর নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে সেই ভিডিওকে সুপার এডিট বলে দাবি করেন। কিন্তু এক বছর না ঘুরতেই তাঁর আরও একটি অশ্লীল ভিডিও গত সপ্তাহে ভাইরাল হয়। এতে পৌরবাসীর মধ্যে বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
আবেদনে আরও বলা হয়েছে, মেয়র রাফিকা চারজন ব্যক্তিগত সহকারী ও ১৫ জন গৃহকর্মীকে নিয়োগ দিয়ে তাঁদের বেতনের টাকা নিজেই উত্তোলন করে আত্মসাৎ করছেন। পৌর সুপার মার্কেটে দোকান বরাদ্দ, পৌরসভার গাড়ি ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহারসহ বিভিন্ন আর্থিক দুর্নীতি করেছেন। এ ছাড়া পৌরসভার প্রতিটি রাস্তাঘাটের বেহাল অবস্থা হওয়ায় সংস্কারে কোনো উদ্যোগ নেই, উল্টো পৌরসভার বিভিন্ন ফান্ডের টাকা আত্মসাৎ করছেন।
পৌরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর জোবাইদুর রহমান শাহিন মেয়রকে অপসারণ করার আবেদনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘এর আগে ২০২৩ সালে কুরুচিপূর্ণ ভিডিও ক্লিপ, স্বেচ্ছাচারিতা, পৌরসভা পরিচালনায় দুর্নীতির বিষয়ে পৌর পরিষদে মিটিংয় করা হলে এ ধরনের কাজ করবেন না বলে প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু সেই প্রতিশ্রুতি তো রাখেননি বরং আরও বেপরোয়া হয়েছেন তিনি। তাই আমরা তার অপসারণ চেয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বরাবর আবেদন করেছি।’
এ বিষয়ে জানতে পৌর মেয়র রাফিকা আকতার জাহানের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হয়। তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।

নৈতিক স্খলন, দুর্নীতি ও অদক্ষতার অভিযোগ উঠেছে নীলফামারীর সৈয়দপুর পৌরসভার মেয়র রাফিকা আকতার জাহান বেবীর বিরুদ্ধে। এসব অভিযোগ তুলে তাঁকে অপসারণের জন্য স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বরাবর আবেদন করেছেন স্থানীয় কাউন্সিলররা।
অপসারণের আবেদনপত্র গতকাল বুধবার নীলফামারী জেলা প্রশাসক ও রংপুর বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে গিয়ে জমা দেওয়া হয়। আবেদনপত্রে প্যানেল মেয়রসহ ১৪ জন কাউন্সিলর স্বাক্ষর করেন।
লিখিত ওই আবেদনে জানানো হয়, নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই মেয়র রাফিকার ঔদ্ধত্যপূর্ণ ও বেলেল্লাপনা আচরণে পৌরবাসী ক্ষুব্ধ। ২০২৩ সালে তাঁর একটি অশ্লীল ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। ওই সময় মেয়র চারজন কাউন্সিলর নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে সেই ভিডিওকে সুপার এডিট বলে দাবি করেন। কিন্তু এক বছর না ঘুরতেই তাঁর আরও একটি অশ্লীল ভিডিও গত সপ্তাহে ভাইরাল হয়। এতে পৌরবাসীর মধ্যে বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
আবেদনে আরও বলা হয়েছে, মেয়র রাফিকা চারজন ব্যক্তিগত সহকারী ও ১৫ জন গৃহকর্মীকে নিয়োগ দিয়ে তাঁদের বেতনের টাকা নিজেই উত্তোলন করে আত্মসাৎ করছেন। পৌর সুপার মার্কেটে দোকান বরাদ্দ, পৌরসভার গাড়ি ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহারসহ বিভিন্ন আর্থিক দুর্নীতি করেছেন। এ ছাড়া পৌরসভার প্রতিটি রাস্তাঘাটের বেহাল অবস্থা হওয়ায় সংস্কারে কোনো উদ্যোগ নেই, উল্টো পৌরসভার বিভিন্ন ফান্ডের টাকা আত্মসাৎ করছেন।
পৌরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর জোবাইদুর রহমান শাহিন মেয়রকে অপসারণ করার আবেদনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘এর আগে ২০২৩ সালে কুরুচিপূর্ণ ভিডিও ক্লিপ, স্বেচ্ছাচারিতা, পৌরসভা পরিচালনায় দুর্নীতির বিষয়ে পৌর পরিষদে মিটিংয় করা হলে এ ধরনের কাজ করবেন না বলে প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু সেই প্রতিশ্রুতি তো রাখেননি বরং আরও বেপরোয়া হয়েছেন তিনি। তাই আমরা তার অপসারণ চেয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বরাবর আবেদন করেছি।’
এ বিষয়ে জানতে পৌর মেয়র রাফিকা আকতার জাহানের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হয়। তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৪ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে