
পাহাড়ের গা ঘেঁষে এঁকেবেঁকে চলা কাপ্তাই হ্রদের শান্ত নীল জলরাশি। তার বুকেই জেগে ওঠা রাঙামাটির বরকল উপজেলার সুবলং বিল। বছরের এই সময়ে বিলজুড়ে দেখা মিলছে হাজারো সাদা-কালো অতিথি পাখির। শামুকখোল পাখির ঝাঁকে এখন মুখর হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা।
সম্প্রতি সুবলং বিল এলাকায় তাকালেই চোখে পড়ে মনোমুগ্ধকর দৃশ্য। বিলের অগভীর পানিতে কাদা ঘেঁটে খাবার খুঁজছে অসংখ্য পাখি। আবার হঠাৎ করে কোনো এক ইশারায় ঝাঁকে ঝাঁকে আকাশে উড়াল দিচ্ছে তারা। ডানা ঝাপটানির শব্দ আর কলকাকলিতে মুখর হয়ে উঠছে চারপাশের প্রকৃতি। দূর থেকে মনে হয় যেন সাদা-কালো মেঘের টুকরা নেমে এসেছে বিলের বুকে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে পাখিগুলো ‘শামুকখোল’ বা ‘শামুক ভাঙা’ নামে পরিচিত। ইংরেজিতে তাদের বলা হয় এশিয়ান ওপেনবিল (Asian Openbill)। বকজাতীয় এই জলচর পাখির দেহ ধবধবে সাদা, তবে ডানার পালক ও লেজের অংশ কালো। দূর থেকে দেখলে সাদা শরীরে কালোর স্পষ্ট ছাপ চোখে পড়ে।
শামুকখোল পাখির অন্যতম বৈশিষ্ট্য তাদের ঠোঁটের গঠন। ওপর ও নিচের ঠোঁটের মাঝখানে ফাঁকা থাকে। এই বিশেষ গঠন তাদের প্রধান খাদ্য শামুক ও ঝিনুকের শক্ত খোলস ভাঙতে সহায়তা করে। খোলস ভেঙে ভেতরের নরম অংশ সহজে খেয়ে নিতে পারে তারা। এ কারণেই পাখিটির নাম হয়েছে শামুকখোল।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, শুষ্ক মৌসুমে সুবলং বিলের পানি কমে অগভীর জলাশয়ে পরিণত হয়। তখন কাদামাটিতে প্রচুর শামুক, ঝিনুক, ছোট মাছ, ব্যাঙ ও জলজ কীটপতঙ্গ পাওয়া যায়। সহজলভ্য খাদ্যের টানে হাজার হাজার শামুকখোল এখানে জড়ো হয় এবং দল বেঁধে খাবার সংগ্রহ করে।
পরিবেশবিদদের মতে, শামুকখোল পাখি জলাশয়ের বাস্তুতন্ত্র রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ক্ষতিকর জলজ কীটপতঙ্গ ও পচা শামুক খেয়ে তারা জলাশয়কে পরিষ্কার রাখতে সহায়তা করে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, সুবলং বিলের এই প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ধরে রাখতে পাখিদের সংরক্ষণ জরুরি। পর্যটক ও স্থানীয় বাসিন্দারা সচেতন হলে এবং পাখিদের বিরক্ত না করলে রাঙামাটির পাহাড়ঘেরা এই জনপদে প্রতিবছরই দেখা মিলবে শামুকখোলের এমন মনোমুগ্ধকর সমাবেশ।

কিশোরগঞ্জের সরকারি প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থা বর্তমানে শিক্ষকসংকট ও বিতর্কিত বদলির দ্বিমুখী চাপে বিপর্যস্ত। জেলার ১ হাজার ৩২৮টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৮০৫টিতে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য থাকায় পাঠদান ও প্রশাসনিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এরই মধ্যে হাওরাঞ্চলের বিভিন্ন উপজেলা থেকে...
১ ঘণ্টা আগে
বরগুনার বামনা উপজেলা সদরের পূর্বসফিপুর গ্রাম। এক সপ্তাহ আগেও আম, জাম, কাঁঠালসহ বিভিন্ন গাছপালা সবুজ পাতায় ভরপুর ছিল। কিন্তু হঠাৎ করে এসব গাছের সবুজ পাতা শুকিয়ে ঝরে যাচ্ছে। শুধু গাছ নয়, জলাশয়ের মাছও মরে ভেসে উঠছে। মানুষের শ্বাসকষ্ট, কাশি ও চোখ জ্বালাপোড়ার মতো স্বাস্থ্যগত সমস্যাও দেখা দিয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে গাছের চারা ও জৈব সার বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। কৃষকেরা বলছেন, জৈব সারের পরিবর্তে পলিথিন, ময়লা ও বিভিন্ন ধরনের আবর্জনা মিশ্রিত পদার্থ বিতরণ করা হচ্ছিল। এ অবস্থায় অনেকেই সার গ্রহণ না করে শুধু গাছের চারা ও বাঁশের খুঁটি নিয়ে বাড়ি চলে যান।
২ ঘণ্টা আগে
ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় বজ্রপাতে কলেজছাত্রীসহ দুজন মারা গেছে। বুধবার (২৪ জুন) সন্ধ্যায় উপজেলার পুটিজানা ইউনিয়নের দেবগ্রাম ও কালাদহ ইউনিয়নের নিজপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তিরা হলো উপজেলার পুটিজানা ইউনিয়নের দেবগ্রামের ঝুটন চন্দ্র সেনের মেয়ে তুলী রানী সেন (১৬) ও অপরজন কালাদহ ইউনিয়নের নিজপাড়া...
৩ ঘণ্টা আগে