
রাঙামাটির জুরাছড়ি উপজেলায় বাংলা নববর্ষ বরণ উপলক্ষে ‘দেব-মনুষ্যসহ জগতের সকল প্রাণীর হিত, সুখ ও মঙ্গল’ কামনায় মহতী পুণ্যানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকালে ধামাইপাড়া বৌদ্ধ বনবিহার পরিচালনা কমিটি ও সদ্ধর্মপ্রাণ দায়ক-দায়িকাদের উদ্যোগে এ আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে দিনব্যাপী বুদ্ধপূজা, সীবলী পূজা, অরহৎ পূজা, পঞ্চশীল গ্রহণ, হাজার প্রদীপ দান, সর্বজনীন বুদ্ধমূর্তি দান, সংঘ দান, অষ্টপরিষ্কার দান, পিণ্ডদানসহ নানাবিধ ধর্মীয় আচার পালন করা হয়। এতে বিপুলসংখ্যক ধর্মপ্রাণ নারী-পুরুষ অংশ নেন।
পঞ্চশীল প্রার্থনা পরিচালনা করেন অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আয়ন চন্দ্র চাকমা। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সঞ্জীব চাকমা। এ সময় স্থানীয় হেডম্যান রিতেশ চাকমা, বিহার পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও কারবারি রিটেন চাকমা, দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক জাপানি বিজয় দেওয়ান এবং নতুনপাড়া-বেকাবেক্যা এলাকার কারবারি আশুগোপাল চাকমাসহ শিক্ষক, সুশীল সমাজ প্রতিনিধি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বুদ্ধের বাণী নিয়ে আলোচনা করেন বিহারের আবাসিক ভিক্ষু কালদ্বয় স্থবির। তিনি বলেন, মানুষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহমর্মিতা ও মৈত্রীর চর্চাই প্রকৃত শান্তির পথ দেখায়।
বক্তারা সম্মিলিত ঐক্য ও মৈত্রীপূর্ণ সমাজ গঠনে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। তাঁরা বলেন, ধর্মীয় মূল্যবোধ ও মানবিক চেতনা লালনের মধ্য দিয়েই সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা সম্ভব।

আজ সকালে রাফিয়া ও রাইসা বাড়ির পাশে পুকুরপাড়ে খেলাধুলা করছিল। একপর্যায়ে অসাবধানতাবশত রাইসা পুকুরের পানিতে পড়ে যায়। পরে তাকে বাঁচাতে বড় বোন রাফিয়া পানিতে ঝাঁপ দেয়। সাঁতার না জানায় একপর্যায়ে দুজনই পানিতে ডুবে যায়।
৯ মিনিট আগে
মজুরি কমিশন বাস্তবায়নসহ তিনদফা দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন রাজশাহী চিনিকলের শ্রমিকেরা। এর অংশ হিসেবে আজ মঙ্গলবার সকালে তাঁরা চিনিকলের প্রশাসনিক ভবনের সামনে ফটক সভা করেছেন। আগামী বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) পর্যন্ত নানা কর্মসূচির মাধ্যমে এ আন্দোলন চলবে বলে জানান শ্রমিকেরা।
১৩ মিনিট আগে
গতকাল রাতে উপজেলার চাঁদপাড়া বাজারে নিজের সেলুন বন্ধ করে বাইসাইকেলে বাড়িতে যাচ্ছিলেন কেষ্ট দাস। চৌগাছা-মহেশপুর সড়কের জিসিবি কলেজের সামনে পৌঁছালে পেছন থেকে আসা একটি ট্রাক (চুয়াডাঙ্গা-ট-১১-০৯১৬) তাঁকে সজোরে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
উপজেলার বর্ণি ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের নাসির সড়কে একটি কালভার্ট ছিল। এতে পানি সরাসরি নদীতে প্রবাহিত হতো। প্রায় তিন বছর আগে পার্শ্ববর্তী গ্রামের বাবুল শেখ নামের এক ব্যক্তি সরকারি জায়গা দখল করে কালভার্টের মুখে মাটি ও বালু ভরাট করে।
১ ঘণ্টা আগে