রাবি প্রতিনিধি

খাগড়াছড়িতে পাহাড়ি ছাত্রপরিষদের সাবেক সভাপতি বিপুল চাকমা, বর্তমান সহসভাপতি সুনীল ত্রিপুরাসহ চারজনকে হত্যার প্রতিবাদে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) মানববন্ধন করা হয়েছে। আজ সোমবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনসংলগ্ন প্যারিস রোডে ছাত্র-শিক্ষকদের ব্যানারে এই মানববন্ধন হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা পাহাড় থেকে সেনাশাসন প্রত্যাহার, শান্তিচুক্তির দফাগুলোর প্রতিটি সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়ন এবং পাহাড় থেকে অনুপ্রবেশকারীদের সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানান।
মানববন্ধনে পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের পক্ষ থেকে শামিম ত্রিপুরা বলেন, ‘আমরা পাহাড় বা সমতলের যারাই কোনো সংগ্রামে লিপ্ত হচ্ছি, শোষিত মানুষের কথা বলছি, তাদের ওপর সরকার কোনো না কোনোভাবে দমন-পীড়ন চালাচ্ছে। এই হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে তারা পাহাড়ের স্বপ্ন ও নেতৃত্বকে দমন করার চেষ্টা করেছে। এ ঘটনায় আমরা আমাদের সহযোদ্ধাদের হারিয়েছি। এই হারানোর কারণে আমরা থেমে থাকব না। আমরা রাজপথ ছাড়ব না। নিহত সহযোদ্ধাদের নীতি-আদর্শ ও সংগ্রামী চেতনা আমরা ধারণ করে এগিয়ে যাব। হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার ও শাস্তির দাবি আমি জনগণের কাছেই দিলাম।’
কর্মসূচিতে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘১১ ডিসেম্বরে পাহাড়ে সংঘটিত মর্মান্তিক ঘটনাটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, এটা খুবই পরিকল্পিত এবং সংঘবদ্ধভাবে সংঘটিত অপরাধ। রাষ্ট্রের পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়া এ রকম অপরাধ সংঘটিত হওয়া সম্ভব না—এটা শুধু আমরা জানি না, এটা বোধহয় যেকোনো সাধারণ মানুষই বুঝতে পারবে।’
বাংলা বিভাগের অধ্যাপক সৌভিক রেজা বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, সরকারের মদদ ছাড়া এ রকম চারজন জনপ্রিয় নেতাকে হত্যা করা সম্ভব না। কাজেই আমরা যেমন প্যালেস্টাইনে ইসরায়েলের অপশাসনের বিরুদ্ধে, তেমনি পাহাড়ে ন্যায্য অধিকারের প্রতি দৃঢ় সমর্থন জানাই। আমরাও মনে করি, পাহাড় থেকে সেনাশাসন প্রত্যাহার করতে হবে। শান্তিচুক্তির দফাগুলো প্রতিটি সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। পাশাপাশি পাহাড়িদের স্বায়ত্তশাসনের দাবিকে শ্রদ্ধা জানাতে হবে। পাহাড় থেকে অনুপ্রবেশকারীদের সরিয়ে ফেলতে হবে।
অধ্যাপক সৌভিক রেজা আরও বলেন, ‘আমরা জানি, সরকার আমাদের দাবি বাস্তবায়ন করবে না। আমরা আমাদের বিচার জনগণের কাছে দিতে এসেছি। জনগণ জানুক, আমরা সমতলে যেমন নিষ্পেষিত হচ্ছি, পাহাড়িরা তার চেয়ে বেশি নিষ্পেষিত হচ্ছে। পাহাড়ি ও সমতলের জনগণ ঐক্যবদ্ধ হয়ে সক্রিয়ভাবে মুক্তির লড়াই চালিয়ে যেতে হবে।’
গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক কাজি মামুন হায়দার রানা বলেন, ‘যে বিষয় নিয়ে আমরা আজ এখানে দাঁড়িয়েছি, এটা আর পাহাড় কিংবা সমতলের বিষয় নয়। এটা এখন সারা বাংলাদেশের বিষয়। এখানে (সমতলে) যেমন মাইক্রোবাস বা মোটরসাইকেলে করে তুলে নিয়ে যায়, মুখোশধারীরা পিটিয়ে হাত-পা ভেঙে ফেলে, পাহাড়েও তাই চলছে। সেটা আরও দীর্ঘদিন ধরে। জনসংহতি থেকে তৈরি ইউপিডিএফকে গণতান্ত্রিক-লিবারেল ইত্যাদি নামে অসংখ্য ভাগে ভাগ করা হয়েছে। ভাই ভাইয়ে দ্বন্দ্ব চলছে সেখানে। এগুলো কোনোটাই রাষ্ট্রীয় মদদ ছাড়া সংঘটিত হওয়া সম্ভব নয়।’
মানববন্ধনে ‘পার্বত্য চট্টগ্রামে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস বন্ধ কর’, ‘পার্বত্য চট্টগ্রামে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বন্ধ কর’, ‘পার্বত্য চট্টগ্রামে মানবাধিকার লঙ্ঘন বন্ধ কর’, ‘পার্বত্য চট্টগ্রামে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস বন্ধ কর’, ‘পানছড়িতে ৪ হত্যাকাণ্ডের বিচার বিভাগীয় তদন্ত কর’, ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে সেনাশাসন তুলে নাও’সহ বিভিন্ন দাবি সংবলিত প্লাকার্ড বহন করা হয়।
বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর সাংগঠনিক সম্পাদক শাহরিয়ারের আলিফের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে আরও বক্তব্য দেন ইতিহাস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক গোলাম সারওয়ার, নাট্যকলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক কাজি শুসমিন আফসানা, নাগরিক ছাত্র ঐক্যের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক মেহেদী হাসান, রাবি শাখা ছাত্র গণমঞ্চের আহ্বায়ক নাসিম আহমেদ, বিপ্লবী ছাত্র যুব আন্দোলনের আহ্বায়ক তারেক আশরাফ, ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি রায়হান আলী, সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের আহ্বায়ক ফুয়াদ রাতুল, পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের শামিম ত্রিপুরা। এ সময় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের অর্ধশত শিক্ষক-শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে গত বুধবার পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের সাবেক সভাপতিসহ চারজনকে হত্যার প্রতিবাদে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে মশাল মিছিল করেছিল ক্যাম্পাসের প্রগতিশীল বাম ছাত্র সংগঠনগুলো এবং পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের সদস্যরা।
প্রসঙ্গত, ১১ ডিসেম্বর খাগড়াছড়ির পানছড়িতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ) চার নেতা-কর্মী হত্যার শিকার হন।

খাগড়াছড়িতে পাহাড়ি ছাত্রপরিষদের সাবেক সভাপতি বিপুল চাকমা, বর্তমান সহসভাপতি সুনীল ত্রিপুরাসহ চারজনকে হত্যার প্রতিবাদে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) মানববন্ধন করা হয়েছে। আজ সোমবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনসংলগ্ন প্যারিস রোডে ছাত্র-শিক্ষকদের ব্যানারে এই মানববন্ধন হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা পাহাড় থেকে সেনাশাসন প্রত্যাহার, শান্তিচুক্তির দফাগুলোর প্রতিটি সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়ন এবং পাহাড় থেকে অনুপ্রবেশকারীদের সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানান।
মানববন্ধনে পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের পক্ষ থেকে শামিম ত্রিপুরা বলেন, ‘আমরা পাহাড় বা সমতলের যারাই কোনো সংগ্রামে লিপ্ত হচ্ছি, শোষিত মানুষের কথা বলছি, তাদের ওপর সরকার কোনো না কোনোভাবে দমন-পীড়ন চালাচ্ছে। এই হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে তারা পাহাড়ের স্বপ্ন ও নেতৃত্বকে দমন করার চেষ্টা করেছে। এ ঘটনায় আমরা আমাদের সহযোদ্ধাদের হারিয়েছি। এই হারানোর কারণে আমরা থেমে থাকব না। আমরা রাজপথ ছাড়ব না। নিহত সহযোদ্ধাদের নীতি-আদর্শ ও সংগ্রামী চেতনা আমরা ধারণ করে এগিয়ে যাব। হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার ও শাস্তির দাবি আমি জনগণের কাছেই দিলাম।’
কর্মসূচিতে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘১১ ডিসেম্বরে পাহাড়ে সংঘটিত মর্মান্তিক ঘটনাটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, এটা খুবই পরিকল্পিত এবং সংঘবদ্ধভাবে সংঘটিত অপরাধ। রাষ্ট্রের পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়া এ রকম অপরাধ সংঘটিত হওয়া সম্ভব না—এটা শুধু আমরা জানি না, এটা বোধহয় যেকোনো সাধারণ মানুষই বুঝতে পারবে।’
বাংলা বিভাগের অধ্যাপক সৌভিক রেজা বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, সরকারের মদদ ছাড়া এ রকম চারজন জনপ্রিয় নেতাকে হত্যা করা সম্ভব না। কাজেই আমরা যেমন প্যালেস্টাইনে ইসরায়েলের অপশাসনের বিরুদ্ধে, তেমনি পাহাড়ে ন্যায্য অধিকারের প্রতি দৃঢ় সমর্থন জানাই। আমরাও মনে করি, পাহাড় থেকে সেনাশাসন প্রত্যাহার করতে হবে। শান্তিচুক্তির দফাগুলো প্রতিটি সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। পাশাপাশি পাহাড়িদের স্বায়ত্তশাসনের দাবিকে শ্রদ্ধা জানাতে হবে। পাহাড় থেকে অনুপ্রবেশকারীদের সরিয়ে ফেলতে হবে।
অধ্যাপক সৌভিক রেজা আরও বলেন, ‘আমরা জানি, সরকার আমাদের দাবি বাস্তবায়ন করবে না। আমরা আমাদের বিচার জনগণের কাছে দিতে এসেছি। জনগণ জানুক, আমরা সমতলে যেমন নিষ্পেষিত হচ্ছি, পাহাড়িরা তার চেয়ে বেশি নিষ্পেষিত হচ্ছে। পাহাড়ি ও সমতলের জনগণ ঐক্যবদ্ধ হয়ে সক্রিয়ভাবে মুক্তির লড়াই চালিয়ে যেতে হবে।’
গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক কাজি মামুন হায়দার রানা বলেন, ‘যে বিষয় নিয়ে আমরা আজ এখানে দাঁড়িয়েছি, এটা আর পাহাড় কিংবা সমতলের বিষয় নয়। এটা এখন সারা বাংলাদেশের বিষয়। এখানে (সমতলে) যেমন মাইক্রোবাস বা মোটরসাইকেলে করে তুলে নিয়ে যায়, মুখোশধারীরা পিটিয়ে হাত-পা ভেঙে ফেলে, পাহাড়েও তাই চলছে। সেটা আরও দীর্ঘদিন ধরে। জনসংহতি থেকে তৈরি ইউপিডিএফকে গণতান্ত্রিক-লিবারেল ইত্যাদি নামে অসংখ্য ভাগে ভাগ করা হয়েছে। ভাই ভাইয়ে দ্বন্দ্ব চলছে সেখানে। এগুলো কোনোটাই রাষ্ট্রীয় মদদ ছাড়া সংঘটিত হওয়া সম্ভব নয়।’
মানববন্ধনে ‘পার্বত্য চট্টগ্রামে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস বন্ধ কর’, ‘পার্বত্য চট্টগ্রামে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বন্ধ কর’, ‘পার্বত্য চট্টগ্রামে মানবাধিকার লঙ্ঘন বন্ধ কর’, ‘পার্বত্য চট্টগ্রামে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস বন্ধ কর’, ‘পানছড়িতে ৪ হত্যাকাণ্ডের বিচার বিভাগীয় তদন্ত কর’, ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে সেনাশাসন তুলে নাও’সহ বিভিন্ন দাবি সংবলিত প্লাকার্ড বহন করা হয়।
বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর সাংগঠনিক সম্পাদক শাহরিয়ারের আলিফের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে আরও বক্তব্য দেন ইতিহাস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক গোলাম সারওয়ার, নাট্যকলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক কাজি শুসমিন আফসানা, নাগরিক ছাত্র ঐক্যের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক মেহেদী হাসান, রাবি শাখা ছাত্র গণমঞ্চের আহ্বায়ক নাসিম আহমেদ, বিপ্লবী ছাত্র যুব আন্দোলনের আহ্বায়ক তারেক আশরাফ, ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি রায়হান আলী, সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের আহ্বায়ক ফুয়াদ রাতুল, পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের শামিম ত্রিপুরা। এ সময় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের অর্ধশত শিক্ষক-শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে গত বুধবার পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের সাবেক সভাপতিসহ চারজনকে হত্যার প্রতিবাদে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে মশাল মিছিল করেছিল ক্যাম্পাসের প্রগতিশীল বাম ছাত্র সংগঠনগুলো এবং পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের সদস্যরা।
প্রসঙ্গত, ১১ ডিসেম্বর খাগড়াছড়ির পানছড়িতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ) চার নেতা-কর্মী হত্যার শিকার হন।

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরফকিরা ইউনিয়নে সড়কে অতিরিক্ত ওজনের বালু বহন, গাড়ি ফিটনেসবিহীন, ড্রাইভারের ড্রাইভিং লাইসেন্স না থাকায় ২ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
৫ মিনিট আগে
পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় পাথরবোঝাই ট্রাকের ধাক্কায় দুই নারী নিহত হয়েছেন। এতে দুই শিশুসহ অন্তত ছয়জন আহত হন। আজ মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলার চন্দনবাড়ি ইউনিয়নের চন্দনবাড়ি বাজার এলাকায় বোদা-দেবীগঞ্জ মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
৮ মিনিট আগে
যশোরে জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে দুজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের একজন রফিকুল ইসলাম (৪৫)। তিনি যশোর সদরের চুড়ামনকাটি ইউনিয়নের জগহাটি গ্রামের তবজেল মল্লিকের ছেলে; অন্যজন আব্দুল আলিম পলাশ (৩৫)। তিনি একই গ্রামের হজরত আলীর ছেলে। পেশায় তিনি একজন মুদিদোকানদার।
১৯ মিনিট আগে
সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১টি বিভাগের শিক্ষার্থীরা ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন। আজ সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ভবনের সামনে তাঁরা এ ঘোষণা দেন।
৩৯ মিনিট আগে