নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী

রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) বর্তমান মেয়র ও কাউন্সিলরদের দায়িত্ব গ্রহণের পাঁচ বছর পূর্ণ হবে আগামী ৫ সেপ্টেম্বর। তবে আসন্ন সিটি নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ায় এর আগেই দায়িত্ব ছাড়তে হবে মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটনকে। এ জন্য ১৮ বা ১৯ মে তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে ভোটের জন্য কাউন্সিলরদের পদত্যাগের প্রয়োজন হচ্ছে না।
আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন ২০০৮ সালে প্রথম দলের সমর্থন নিয়ে নির্বাচন করে মেয়র হন। পরে ২০১৩ সালের নির্বাচনে তিনি বিএনপির প্রার্থীর কাছে পরাজিত হন। এরপর ২০১৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়ে তিনি আবারও মেয়র হন। এবার আগামী ২১ জুনের নির্বাচনেও তিনি দলীয় প্রার্থী হয়েছেন। ইতিমধ্যে তাঁর পক্ষ থেকে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে মনোনয়নপত্র তোলা হয়েছে।
মেয়র খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, ‘২৩ মে পর্যন্ত মনোনয়নপত্র দাখিল করা যাবে। এর আগেই ১৮ বা ১৯ তারিখে ঢাকায় গিয়ে আমি পদত্যাগ করব। তারপর রাজশাহী ফিরে ২১ তারিখে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র দাখিল করব। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের পর ২ জুন প্রতীক বরাদ্দ হবে। সেদিন থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনের প্রচারে নামব।’
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মেয়র পদত্যাগ করলে সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে অফিস পরিচালনার সার্বিক দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। তিনি বড় কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারবেন না। শুধু রুটিন দায়িত্ব পালন করবেন। নির্বাচিত মেয়র শপথ গ্রহণের পর তাঁর কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করা হবে। সিটি করপোরেশনের বর্তমান পরিষদের বেশির ভাগ কাউন্সিলর এবং সংরক্ষিত নারী আসনের কাউন্সিলররাও এবার নির্বাচন করছেন। তবে এ জন্য তাঁদের পদত্যাগের প্রয়োজন হচ্ছে না।
রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. এ বি এম শরীফ উদ্দিন জানিয়েছেন, সিটি করপোরেশনের মেয়রকে পদত্যাগ করতে হবে স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী তাজুল ইসলামের কাছে। এই পদত্যাগপত্রের একটি কপি রিটার্নিং কর্মকর্তাকে দিতে হবে। এ জন্য ২৩ মের মধ্যেই মেয়রকে পদত্যাগ করতে হবে।
তবে কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত নারী আসনের কাউন্সিলরদের পদত্যাগ করতে হচ্ছে না। তাঁরা নিজ নিজ কার্যালয়ে ছোটখাটো কাজগুলো করে যাবেন। তবে মেয়র থাকবেন না বলে সিটি করপোরেশনের কোনো সভা হবে না। তাই বড় ধরনের কোনো কাজও তাঁরা করতে পারবেন না। আগামী সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন করে দেওয়ার মতো কাজগুলো তাঁরা করতে পারবেন। তারপর ২১ জুন নির্বাচিতরা দায়িত্ব নেবেন।
মেয়র না থাকলে এবার সিটি করপোরেশনের বাজেট ঘোষণা করবেন কে, তা জানতে চাইলে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, বাজেট নিয়ে কোনো সমস্যা হবে না। জুন পর্যন্ত বাজেট করা আছে। মেয়রের পদত্যাগের পর কেউ একজন দায়িত্বে থাকবেন। তিনি রুটিন দায়িত্ব পালন করবেন। তবে তিনি বড় কোনো প্রকল্প গ্রহণ কিংবা বড় কাজ করতে পারবেন না।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘মেয়রের পদত্যাগের পর সরকার ঠিক করে দেবে কে দায়িত্বে থাকবেন। এখনো আমাকে কিছু বলা হয়নি। শুধু বলা হয়েছে, সময় হলেই সব জানতে পারব।’

রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) বর্তমান মেয়র ও কাউন্সিলরদের দায়িত্ব গ্রহণের পাঁচ বছর পূর্ণ হবে আগামী ৫ সেপ্টেম্বর। তবে আসন্ন সিটি নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ায় এর আগেই দায়িত্ব ছাড়তে হবে মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটনকে। এ জন্য ১৮ বা ১৯ মে তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে ভোটের জন্য কাউন্সিলরদের পদত্যাগের প্রয়োজন হচ্ছে না।
আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন ২০০৮ সালে প্রথম দলের সমর্থন নিয়ে নির্বাচন করে মেয়র হন। পরে ২০১৩ সালের নির্বাচনে তিনি বিএনপির প্রার্থীর কাছে পরাজিত হন। এরপর ২০১৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়ে তিনি আবারও মেয়র হন। এবার আগামী ২১ জুনের নির্বাচনেও তিনি দলীয় প্রার্থী হয়েছেন। ইতিমধ্যে তাঁর পক্ষ থেকে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে মনোনয়নপত্র তোলা হয়েছে।
মেয়র খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, ‘২৩ মে পর্যন্ত মনোনয়নপত্র দাখিল করা যাবে। এর আগেই ১৮ বা ১৯ তারিখে ঢাকায় গিয়ে আমি পদত্যাগ করব। তারপর রাজশাহী ফিরে ২১ তারিখে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র দাখিল করব। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের পর ২ জুন প্রতীক বরাদ্দ হবে। সেদিন থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনের প্রচারে নামব।’
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মেয়র পদত্যাগ করলে সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে অফিস পরিচালনার সার্বিক দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। তিনি বড় কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারবেন না। শুধু রুটিন দায়িত্ব পালন করবেন। নির্বাচিত মেয়র শপথ গ্রহণের পর তাঁর কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করা হবে। সিটি করপোরেশনের বর্তমান পরিষদের বেশির ভাগ কাউন্সিলর এবং সংরক্ষিত নারী আসনের কাউন্সিলররাও এবার নির্বাচন করছেন। তবে এ জন্য তাঁদের পদত্যাগের প্রয়োজন হচ্ছে না।
রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. এ বি এম শরীফ উদ্দিন জানিয়েছেন, সিটি করপোরেশনের মেয়রকে পদত্যাগ করতে হবে স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী তাজুল ইসলামের কাছে। এই পদত্যাগপত্রের একটি কপি রিটার্নিং কর্মকর্তাকে দিতে হবে। এ জন্য ২৩ মের মধ্যেই মেয়রকে পদত্যাগ করতে হবে।
তবে কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত নারী আসনের কাউন্সিলরদের পদত্যাগ করতে হচ্ছে না। তাঁরা নিজ নিজ কার্যালয়ে ছোটখাটো কাজগুলো করে যাবেন। তবে মেয়র থাকবেন না বলে সিটি করপোরেশনের কোনো সভা হবে না। তাই বড় ধরনের কোনো কাজও তাঁরা করতে পারবেন না। আগামী সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন করে দেওয়ার মতো কাজগুলো তাঁরা করতে পারবেন। তারপর ২১ জুন নির্বাচিতরা দায়িত্ব নেবেন।
মেয়র না থাকলে এবার সিটি করপোরেশনের বাজেট ঘোষণা করবেন কে, তা জানতে চাইলে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, বাজেট নিয়ে কোনো সমস্যা হবে না। জুন পর্যন্ত বাজেট করা আছে। মেয়রের পদত্যাগের পর কেউ একজন দায়িত্বে থাকবেন। তিনি রুটিন দায়িত্ব পালন করবেন। তবে তিনি বড় কোনো প্রকল্প গ্রহণ কিংবা বড় কাজ করতে পারবেন না।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘মেয়রের পদত্যাগের পর সরকার ঠিক করে দেবে কে দায়িত্বে থাকবেন। এখনো আমাকে কিছু বলা হয়নি। শুধু বলা হয়েছে, সময় হলেই সব জানতে পারব।’

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে বউভাতের অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে একটি মাইক্রোবাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এক নারী নিহত হয়েছেন। তিনি কনের নানি। এ ঘটনায় তিনজন আহত হন। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলার জোরারগঞ্জ থানার বাদামতলা এলাকায় বারইয়ারহাট-রামগড় সড়কের এ দুর্ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে
সিলেট-৫ আসনে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সভাপতি মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুককে শোকজ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এতে জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান পাপলু বিরুদ্ধে সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে অশালীন আচরণের কথা উল্লেখ করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মেজর জেনারেল (অব.) শরীফ উদ্দীনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি। একই সঙ্গে আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে ব্যাখ্যা আগামীকাল বুধবার তাঁকে সশরীরে আদালতে তলব করা হয়েছে। আসনটির নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির
১ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রাম বন্দরে চাকরি পেয়েছেন গেজেটভুক্ত ৯ জুলাই যোদ্ধা। তাঁদেরকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ (সিপিএ)। গত ১২ জানুয়ারি তাঁদের সঙ্গে চুক্তি সম্পাদনের মাধ্যমে এই নিয়োগ কার্যকর হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে