বগুড়া প্রতিনিধি

বিএনপির ডাকা অবরোধ কর্মসূচির প্রথম দিনে বগুড়ায় অগ্নিসংযোগ, গাড়ি ভাঙচুর ও পুলিশের সঙ্গে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত বগুড়ায় মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে এমন দৃশ্য দেখা গেছে। এদিকে অবরোধ কর্মসূচি চলাকালীন পুলিশ গুলি ছুড়লে যুবদলের চার নেতা-কর্মী আহত হন বলে জানান বিএনপির নেতারা।
আজ সকাল ৭টার দিকে বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশার নেতৃত্বে নেতা–কর্মীরা শহরের উত্তরে মাটিডালী মোড়ে মহাসড়কে অবস্থান নেন। জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলী আজগর হেনা ও সাবেক এমপি হেলালুজ্জামান তালুকদার লালুর নেতৃত্বে নেতা-কর্মীদের আরেকটি অংশ শহরের দক্ষিণে লিচুতলা দ্বিতীয় বাইপাস মোড়ে অবস্থান নেন। এতে রাতে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা উত্তরবঙ্গগামী বেশ কিছু যানবাহন লিচুতলা বাইপাস মোড়ে আটকা পড়ে।
লিচুতলা এলাকায় অবস্থান যুবদল নেতা আহসান হাবিব মমি বলেন, ‘এখানে শান্তিপূর্ণ অবরোধ কর্মসূচি চলছিল। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পুলিশ আকস্মিকভাবে শটগানের গুলি ছুড়লে যুবদলের চার নেতা-কর্মী আহত হন।’
জানা গেছে, বিএনপির নেতা-কর্মীরা মহাসড়কে অবস্থান নেওয়ার কারণে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পুলিশের সহযোগিতায় কিছু যানবাহন দ্বিতীয় বাইপাস মহাসড়ক ধরে উত্তরবঙ্গের দিকে যেতে থাকে। পুলিশ যানবাহনগুলো মাটিডালী মোড় পার করে দেওয়ার পর মহাসড়কে বাঘোপাড়া খোলারঘর এলাকায় অবরোধকারীদের কবলে পড়ে। অবরোধকারীরা বেশ কিছু যানবাহন ভাঙচুর করে এবং টায়ার জ্বালিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। এ সময় পুলিশ, বিজিবি ও র্যাব সদস্যরা সেখানে পৌঁছলে অবরোধকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষ শুরু হয়। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কাঁদানে গ্যাস, রাবার বুলেট ও শটগানের গুলি ছোড়ে। এর জবাবে অবরোধকারীর পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ও ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। প্রায় আধা ঘণ্টা সংঘর্ষের পর অবরোধকারীরা পিছু হটে।
এ ছাড়া দুপুর ১২টার দিকে শাজাহানপুর উপজেলা থেকে যুবলীগের ৫০-৬০ জন নেতা-কর্মী পুলিশ প্রোটেকশনে মোটরসাইকেলে বনানীর দিকে আসছিলেন। লিচুতলা বাইপাস মোড়ে অবরোধকারীরা তাঁদের ধাওয়া দিলে তাঁরা তিনটি মোটরসাইকেল ফেলে পালিয়ে যান। পরে অবরোধকারী মোটরসাইকেল তিনটিতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এ সময় পুলিশ ধাওয়া করে অবরোধকারীদের ছত্র ভঙ্গ করে দেয়।
বগুড়া সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাফতুন আহম্মেদ রুবেল বলেন, বাঘোপাড়া খোলার ঘর এলাকায় মহাসড়কে নেতা-কর্মীরা শান্তিপূর্ণ অবস্থান করছিলেন। কিন্তু পুলিশ কোনো উসকানি ছাড়াই নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা করে গুলি ছোড়ে। এ সময় নেতা-কর্মীরা কিছু যানবাহন ভাঙচুর করে।
মহাসড়কে সকাল থেকেই পুলিশ র্যাব, বিজিবি টহল চলছে। বাস টার্মিনালগুলো থেকে কোনো বাস ছেড়ে যায়নি। ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ছাড়া তেমন যানবাহন চলাচল করছে না। তবে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
সকাল থেকে ছাত্রলীগ যুবলীগের নেতা-কর্মীরা লাঠি সোঁটা হাতে শহরের টেম্পল রোডে দলীয় কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেয়। বেলা ১২টার দিকে সাত মাথায় মুজিব মঞ্চে জেলা আওয়ামী লীগ শান্তি সমাবেশের আয়োজন করে।
বগুড়া সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শাহিনুজ্জামান বলেন, বাঘোপাড়ায় বেশ কিছু যানবাহন ভাঙচুর করে অবরোধকারীরা। পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

বিএনপির ডাকা অবরোধ কর্মসূচির প্রথম দিনে বগুড়ায় অগ্নিসংযোগ, গাড়ি ভাঙচুর ও পুলিশের সঙ্গে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত বগুড়ায় মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে এমন দৃশ্য দেখা গেছে। এদিকে অবরোধ কর্মসূচি চলাকালীন পুলিশ গুলি ছুড়লে যুবদলের চার নেতা-কর্মী আহত হন বলে জানান বিএনপির নেতারা।
আজ সকাল ৭টার দিকে বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশার নেতৃত্বে নেতা–কর্মীরা শহরের উত্তরে মাটিডালী মোড়ে মহাসড়কে অবস্থান নেন। জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলী আজগর হেনা ও সাবেক এমপি হেলালুজ্জামান তালুকদার লালুর নেতৃত্বে নেতা-কর্মীদের আরেকটি অংশ শহরের দক্ষিণে লিচুতলা দ্বিতীয় বাইপাস মোড়ে অবস্থান নেন। এতে রাতে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা উত্তরবঙ্গগামী বেশ কিছু যানবাহন লিচুতলা বাইপাস মোড়ে আটকা পড়ে।
লিচুতলা এলাকায় অবস্থান যুবদল নেতা আহসান হাবিব মমি বলেন, ‘এখানে শান্তিপূর্ণ অবরোধ কর্মসূচি চলছিল। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পুলিশ আকস্মিকভাবে শটগানের গুলি ছুড়লে যুবদলের চার নেতা-কর্মী আহত হন।’
জানা গেছে, বিএনপির নেতা-কর্মীরা মহাসড়কে অবস্থান নেওয়ার কারণে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পুলিশের সহযোগিতায় কিছু যানবাহন দ্বিতীয় বাইপাস মহাসড়ক ধরে উত্তরবঙ্গের দিকে যেতে থাকে। পুলিশ যানবাহনগুলো মাটিডালী মোড় পার করে দেওয়ার পর মহাসড়কে বাঘোপাড়া খোলারঘর এলাকায় অবরোধকারীদের কবলে পড়ে। অবরোধকারীরা বেশ কিছু যানবাহন ভাঙচুর করে এবং টায়ার জ্বালিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। এ সময় পুলিশ, বিজিবি ও র্যাব সদস্যরা সেখানে পৌঁছলে অবরোধকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষ শুরু হয়। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কাঁদানে গ্যাস, রাবার বুলেট ও শটগানের গুলি ছোড়ে। এর জবাবে অবরোধকারীর পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ও ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। প্রায় আধা ঘণ্টা সংঘর্ষের পর অবরোধকারীরা পিছু হটে।
এ ছাড়া দুপুর ১২টার দিকে শাজাহানপুর উপজেলা থেকে যুবলীগের ৫০-৬০ জন নেতা-কর্মী পুলিশ প্রোটেকশনে মোটরসাইকেলে বনানীর দিকে আসছিলেন। লিচুতলা বাইপাস মোড়ে অবরোধকারীরা তাঁদের ধাওয়া দিলে তাঁরা তিনটি মোটরসাইকেল ফেলে পালিয়ে যান। পরে অবরোধকারী মোটরসাইকেল তিনটিতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এ সময় পুলিশ ধাওয়া করে অবরোধকারীদের ছত্র ভঙ্গ করে দেয়।
বগুড়া সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাফতুন আহম্মেদ রুবেল বলেন, বাঘোপাড়া খোলার ঘর এলাকায় মহাসড়কে নেতা-কর্মীরা শান্তিপূর্ণ অবস্থান করছিলেন। কিন্তু পুলিশ কোনো উসকানি ছাড়াই নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা করে গুলি ছোড়ে। এ সময় নেতা-কর্মীরা কিছু যানবাহন ভাঙচুর করে।
মহাসড়কে সকাল থেকেই পুলিশ র্যাব, বিজিবি টহল চলছে। বাস টার্মিনালগুলো থেকে কোনো বাস ছেড়ে যায়নি। ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ছাড়া তেমন যানবাহন চলাচল করছে না। তবে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
সকাল থেকে ছাত্রলীগ যুবলীগের নেতা-কর্মীরা লাঠি সোঁটা হাতে শহরের টেম্পল রোডে দলীয় কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেয়। বেলা ১২টার দিকে সাত মাথায় মুজিব মঞ্চে জেলা আওয়ামী লীগ শান্তি সমাবেশের আয়োজন করে।
বগুড়া সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শাহিনুজ্জামান বলেন, বাঘোপাড়ায় বেশ কিছু যানবাহন ভাঙচুর করে অবরোধকারীরা। পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে