বগুড়া প্রতিনিধি

বগুড়ায় আদালত চত্বরে শহর যুবলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মতিন সরকারকে মারধরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সময় মতিনের শ্যালক ও তাঁর এক সহযোগীকে গণধোলাই দেওয়া হয়। পরে পুলিশ মতিনের শ্যালক মিল্লাত হোসেনকে হেফাজতে নিয়েছে।
রোববার (২২ জুন) বেলা সাড়ে ৩টার দিকে বগুড়ার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত চত্বরে হামলার এ ঘটনা ঘটে।
গতকাল শনিবার রাতে মতিন সরকারকে বগুড়ার ডিবি পুলিশ ঢাকার মোহাম্মদপুর থানার বছিলা থেকে গ্রেপ্তার করে। মতিন সরকারের নামে ১০ বছরের সাজা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছাড়াও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলা ঘটনায় ১০টি মামলা রয়েছে।
রোববার বেলা সাড়ে ৩টার দিকে কড়া পুলিশি পাহারায় মতিন সরকারকে আদালতে হাজির করার জন্য নিয়ে আসা হয়। পুলিশের গাড়ি থেকে নামানোর সঙ্গে সঙ্গে একদল বিক্ষুব্ধ জনগণ ডিম নিক্ষেপ শুরু করে। পুলিশ তাড়াহুড়ো করে তাঁকে আদালতের দিকে নিয়ে যায়। তখন পুলিশ বেষ্টনীর মধ্যেই হামলা, কিলঘুষি ও লাথি মারা হয় মতিন সরকারকে। এ সময় মতিনের এক সহযোগী রুপম হামলার দৃশ্য ভিডিও করাকালে বিক্ষুব্ধ লোকজন তাঁর ওপর চড়াও হয়ে মারধর শুরু করে। তখন রুপম দৌড়ে আদালতের নিচে নেমে পালিয়ে যান। এ সময় আদালত চত্বরে মতিন সরকারের শ্যালক মিল্লাত হোসেনকে দেখে লোকজন তাঁর ওপর হামলা করে। তাঁকে মাটিতে ফেলে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি ও লাথি মারতে থাকে লোকজন। একপর্যায়ে তাঁর পরনের লুঙ্গি ও শার্টি ছিঁড়ে ফেলা হয়। পরে পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নিয়ে যায়।
বগুড়া ডিবি পুলিশের ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক ইকবাল বাহার বলেন, ‘আমরা কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়েই তাঁকে আদালতে নিয়ে যাই। আগে থেকেই আদালত চত্বরে বিপুলসংখ্যক লোক উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা আকস্মিক ডিম নিক্ষেপ করেন। আমরা দ্রুত মতিন সরকারকে জ্যেষ্ঠ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৪-এ হাজির করি। ডিবি পুলিশের পক্ষ থেকে মতিন সরকারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে একটি হত্যা মামলায় সাত দিনের আবেদন করা হয়। আদালতের বিচারক মেহেদী হাসান শুনানি শেষে ছয় দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। পরে পুলিশি পাহারায় মতিন সরকারকে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়।’
বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান বাসির বলেন, ‘আদালত চত্বরে মতিন সরকারের শ্যালক পরিচয় পেয়ে একজনকে মারধর করছিলেন কিছু মানুষ। আমরা তাঁকে উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নিয়ে এসেছি। তাঁর নামে মামলা রয়েছে কি না, যাচাই-বাছাই করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

বগুড়ায় আদালত চত্বরে শহর যুবলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মতিন সরকারকে মারধরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সময় মতিনের শ্যালক ও তাঁর এক সহযোগীকে গণধোলাই দেওয়া হয়। পরে পুলিশ মতিনের শ্যালক মিল্লাত হোসেনকে হেফাজতে নিয়েছে।
রোববার (২২ জুন) বেলা সাড়ে ৩টার দিকে বগুড়ার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত চত্বরে হামলার এ ঘটনা ঘটে।
গতকাল শনিবার রাতে মতিন সরকারকে বগুড়ার ডিবি পুলিশ ঢাকার মোহাম্মদপুর থানার বছিলা থেকে গ্রেপ্তার করে। মতিন সরকারের নামে ১০ বছরের সাজা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছাড়াও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলা ঘটনায় ১০টি মামলা রয়েছে।
রোববার বেলা সাড়ে ৩টার দিকে কড়া পুলিশি পাহারায় মতিন সরকারকে আদালতে হাজির করার জন্য নিয়ে আসা হয়। পুলিশের গাড়ি থেকে নামানোর সঙ্গে সঙ্গে একদল বিক্ষুব্ধ জনগণ ডিম নিক্ষেপ শুরু করে। পুলিশ তাড়াহুড়ো করে তাঁকে আদালতের দিকে নিয়ে যায়। তখন পুলিশ বেষ্টনীর মধ্যেই হামলা, কিলঘুষি ও লাথি মারা হয় মতিন সরকারকে। এ সময় মতিনের এক সহযোগী রুপম হামলার দৃশ্য ভিডিও করাকালে বিক্ষুব্ধ লোকজন তাঁর ওপর চড়াও হয়ে মারধর শুরু করে। তখন রুপম দৌড়ে আদালতের নিচে নেমে পালিয়ে যান। এ সময় আদালত চত্বরে মতিন সরকারের শ্যালক মিল্লাত হোসেনকে দেখে লোকজন তাঁর ওপর হামলা করে। তাঁকে মাটিতে ফেলে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি ও লাথি মারতে থাকে লোকজন। একপর্যায়ে তাঁর পরনের লুঙ্গি ও শার্টি ছিঁড়ে ফেলা হয়। পরে পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নিয়ে যায়।
বগুড়া ডিবি পুলিশের ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক ইকবাল বাহার বলেন, ‘আমরা কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়েই তাঁকে আদালতে নিয়ে যাই। আগে থেকেই আদালত চত্বরে বিপুলসংখ্যক লোক উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা আকস্মিক ডিম নিক্ষেপ করেন। আমরা দ্রুত মতিন সরকারকে জ্যেষ্ঠ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৪-এ হাজির করি। ডিবি পুলিশের পক্ষ থেকে মতিন সরকারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে একটি হত্যা মামলায় সাত দিনের আবেদন করা হয়। আদালতের বিচারক মেহেদী হাসান শুনানি শেষে ছয় দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। পরে পুলিশি পাহারায় মতিন সরকারকে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়।’
বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান বাসির বলেন, ‘আদালত চত্বরে মতিন সরকারের শ্যালক পরিচয় পেয়ে একজনকে মারধর করছিলেন কিছু মানুষ। আমরা তাঁকে উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নিয়ে এসেছি। তাঁর নামে মামলা রয়েছে কি না, যাচাই-বাছাই করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সুনামগঞ্জের প্রবাসী অধ্যুষিত জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত সুনামগঞ্জ-৩ আসন। এই আসনে এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৯ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। এর মধ্যে যাচাই-বাছাইকালে ৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। আর প্রার্থীরা প্রবাসী স্ত্রী, ভাই, বোন ও ছেলের টাকায় নির্বাচনী ব্যয় মেটাবেন বলে
৩ ঘণ্টা আগে
সদর, আমতলী ও তালতলী উপজেলা নিয়ে বরগুনা-১ আসন এবং বামনা, পাথরঘাটা ও বেতাগী নিয়ে গঠিত বরগুনা-২ আসন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসন দুটিতে মোট বৈধ প্রার্থী ১৮ জন। রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে প্রার্থীদের দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, কোনো প্রার্থীরই বার্ষিক আয় ১ কোটি টাকা নেই।
৩ ঘণ্টা আগে
পাবনা-৩ (চাটমোহর-ভাঙ্গুড়া-ফরিদপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন। তিনি জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি। এবারই প্রথম তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সম্প্রতি তিনি আজকের পত্রিকার পাবনা প্রতিনিধি শাহীন রহমানের মুখোমুখি হয়েছিলেন।
৩ ঘণ্টা আগে
দেশে এলপি গ্যাসের তীব্র সংকট শিগগির অবসানের কোনো আভাস নেই। জ্বালানি মন্ত্রণালয় পর্যাপ্ত মজুতের কথা বললেও এলপি গ্যাস আমদানিকারকেরা বলছেন ভিন্ন কথা। তাঁরা বলছেন, সরবরাহ সংকটই এই অবস্থার কারণ।
৩ ঘণ্টা আগে