পাবনা প্রতিনিধি

পক্ষে ভোট করতে রাজি না হওয়ায় পাবনার সুজানগরে এক ইউপি চেয়ারম্যানকে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সুজানগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল ওহাবের বিরুদ্ধে।
এর প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীরা।
আজ শুক্রবার সকালে সুজানগরের হাটখালি ইউপি চেয়ারম্যান ফিরোজ আহমেদ খানকে তাঁর বাড়িতে গিয়েই হুমকি দেওয়ার এই অভিযোগ ওঠে।
এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। অভিযুক্ত আব্দুল ওহাব আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, আজ শুক্রবার সকালে নির্বাচনী প্রাক প্রচারণা চালাতে হাটখালির কামালপুর এলাকায় যান আব্দুল ওহাব ও তাঁর নেতা কর্মীরা। স্থানীয়দের মাঝে ভোট প্রার্থনা শেষে স্থানীয় চেয়ারম্যান ফিরোজ আহমেদ খানের বাড়িতে যান আব্দুল ওহাব। এ সময় চেয়ারম্যানকে তার পক্ষে ভোট করার জন্য আহ্বান জানান। এতে চেয়ারম্যান রাজি না হলে উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ফিরোজ আহমেদ খানকে নানা হুমকি ধামকি দেন আব্দুল ওহাব।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী ইউপি চেয়ারম্যান ফিরোজ আহমেদ খান বলেন, ‘আব্দুল ওহাব ও তার ক্যাডার বাহিনী অতর্কিতভাবে আমার বাড়িতে এসে আমাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে। তার পক্ষে ভোট না করায় আমাকে বাড়ির বাইরে বের হলে হত্যা করা হবে বলে হুমকি দিয়েছেন। আমি এ বিষয়ে পুলিশের কাছে অভিযোগ দেব।’
তবে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুল ওহাব বলেন, ‘ওনার (ফিরোজ আহমেদ খান) কাছে ওনার বাড়িতে ভোট চাইতে গিয়েছিলাম। উনি তখন বললেন তাদের কাছে নাকি আমার ভোট চাওয়া ঠিক না!
উনি যদি বলে তাহলে নাকি ওই এলাকার লোক আমার পক্ষে ভোট করবে না। এসব নিয়ে উনার লোকজন আর আমার লোকজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়েছে। কিন্তু কোনো হুমকি দেয়া হয়নি। উনিই হুমকি দিয়ে বলেছেন, ‘আমাকে ওখানে ঢুকতে দেবেন না, তখন আমিও বলেছি তাহলে উনাকেও কোথাও যেতে দেবো না।’
সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জালাল উদ্দীন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এখনো আমি লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
এদিকে চেয়ারম্যানকে হুমকি দেওয়ার প্রতিবাদে আজ শুক্রবার বিকেলে হাটখালির কামালপুর বাজারে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীরা।
এতে উপস্থিত ছিলেন হাটখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফিরোজ আহম্মেদ খান, হাটখালী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আজহার আলী শেখ, সুজানগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক সরদার আব্দুর রউফ, সুজানগর পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ফেরদৌস আলম ফিরোজ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক উপদপ্তর সম্পাদক রেজা মন্ডল, সুজানগর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক আমিরুল ইসলাম, হাটখালী ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি নুরুল ইসলাম রিপন, হাটখালী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আব্দুল বাতেন পাপ্পু, হাটখালী ইউনিয়ন কৃষকলীগের সভাপতি শুরমান মেম্বার, যুবলীগ নেতা সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।

পক্ষে ভোট করতে রাজি না হওয়ায় পাবনার সুজানগরে এক ইউপি চেয়ারম্যানকে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সুজানগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল ওহাবের বিরুদ্ধে।
এর প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীরা।
আজ শুক্রবার সকালে সুজানগরের হাটখালি ইউপি চেয়ারম্যান ফিরোজ আহমেদ খানকে তাঁর বাড়িতে গিয়েই হুমকি দেওয়ার এই অভিযোগ ওঠে।
এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। অভিযুক্ত আব্দুল ওহাব আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, আজ শুক্রবার সকালে নির্বাচনী প্রাক প্রচারণা চালাতে হাটখালির কামালপুর এলাকায় যান আব্দুল ওহাব ও তাঁর নেতা কর্মীরা। স্থানীয়দের মাঝে ভোট প্রার্থনা শেষে স্থানীয় চেয়ারম্যান ফিরোজ আহমেদ খানের বাড়িতে যান আব্দুল ওহাব। এ সময় চেয়ারম্যানকে তার পক্ষে ভোট করার জন্য আহ্বান জানান। এতে চেয়ারম্যান রাজি না হলে উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ফিরোজ আহমেদ খানকে নানা হুমকি ধামকি দেন আব্দুল ওহাব।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী ইউপি চেয়ারম্যান ফিরোজ আহমেদ খান বলেন, ‘আব্দুল ওহাব ও তার ক্যাডার বাহিনী অতর্কিতভাবে আমার বাড়িতে এসে আমাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে। তার পক্ষে ভোট না করায় আমাকে বাড়ির বাইরে বের হলে হত্যা করা হবে বলে হুমকি দিয়েছেন। আমি এ বিষয়ে পুলিশের কাছে অভিযোগ দেব।’
তবে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুল ওহাব বলেন, ‘ওনার (ফিরোজ আহমেদ খান) কাছে ওনার বাড়িতে ভোট চাইতে গিয়েছিলাম। উনি তখন বললেন তাদের কাছে নাকি আমার ভোট চাওয়া ঠিক না!
উনি যদি বলে তাহলে নাকি ওই এলাকার লোক আমার পক্ষে ভোট করবে না। এসব নিয়ে উনার লোকজন আর আমার লোকজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়েছে। কিন্তু কোনো হুমকি দেয়া হয়নি। উনিই হুমকি দিয়ে বলেছেন, ‘আমাকে ওখানে ঢুকতে দেবেন না, তখন আমিও বলেছি তাহলে উনাকেও কোথাও যেতে দেবো না।’
সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জালাল উদ্দীন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এখনো আমি লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
এদিকে চেয়ারম্যানকে হুমকি দেওয়ার প্রতিবাদে আজ শুক্রবার বিকেলে হাটখালির কামালপুর বাজারে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীরা।
এতে উপস্থিত ছিলেন হাটখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফিরোজ আহম্মেদ খান, হাটখালী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আজহার আলী শেখ, সুজানগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক সরদার আব্দুর রউফ, সুজানগর পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ফেরদৌস আলম ফিরোজ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক উপদপ্তর সম্পাদক রেজা মন্ডল, সুজানগর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক আমিরুল ইসলাম, হাটখালী ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি নুরুল ইসলাম রিপন, হাটখালী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আব্দুল বাতেন পাপ্পু, হাটখালী ইউনিয়ন কৃষকলীগের সভাপতি শুরমান মেম্বার, যুবলীগ নেতা সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ডাম্প ট্রাকের চাপায় এক অজ্ঞাতনামা নারী (৫০) নিহত হয়েছেন। আজ শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সকালে গোড়াই এলাকায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
১২ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদ নিয়ে গণভোটের বিষয়ে প্রচারণা চালাতে দেশব্যাপী ঘুরছে ভোটের গাড়ি। এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে শেরপুরের নালিতাবাড়ীতেও ঘুরে গেছে ভোটের গাড়ি। তবে উপজেলা শহর ও গ্রামাঞ্চলের লোকজন বলছে, ভোটের গাড়ি কী, কবে ও কখন এসেছে; তা জানে না তারা।
১ ঘণ্টা আগে
ঘন কুয়াশার কারণে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান অংশে থেমে থাকা একটি ট্রাকের পেছনে ধাক্কা দিয়েছে যাত্রীবাহী বাস। এতে বাসের সুপারভাইজার নিহত হয়েছেন। আহত হন অন্তত ছয় যাত্রী।
২ ঘণ্টা আগে
উত্তরের সীমান্তবর্তী জেলা পঞ্চগড়ে হিমালয় থেকে নেমে আসা হিম বাতাস ও ঘন কুয়াশার প্রভাবে তীব্র শীত জেঁকে বসেছে। শীতের দাপটে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন খেটে খাওয়া দিনমজুর ও নিম্ন আয়ের মানুষ।
২ ঘণ্টা আগে