পাবনা প্রতিনিধি

জমি দখল, নিজ দলের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা-ভাঙচুরসহ নানা অভিযোগ উঠেছে পাবনা জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসভাপতি আল আমিন মালিথার বিরুদ্ধে। গতকাল সোমবার বিকেলের দিকে তাঁর নেতৃত্বে এক সাবেক ছাত্রলীগ নেতার বাড়িতে হামলার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়।
এ ঘটনায় জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহপ্রচার সম্পাদক জাহিদ মালিথা বাদী হয়ে আজ মঙ্গলবার সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। যেখানে আল আমিন মালিথাসহ ছয়জনের নামে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৬ থেকে ৭ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গতকাল সোমবার বিকেলে পাবনা সদরের ছাতিয়ানী এলাকায় জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহপ্রচার সম্পাদক জাহিদ মালিথার বাড়িতে সশস্ত্র হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। সিসিটিভির ফুটেজে দেখা যায়, পাবনা জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসভাপতি আল আমিন মালিথার নেতৃত্বে সশস্ত্র হামলা চালায় তাঁর সমর্থিত একদল যুবক। এ সময় সাবেক ছাত্রলীগ নেতার বাড়িটিতে এলোপাতাড়ি ভাঙচুর চালায় তাঁরা। এ হামলায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে স্থানীয়দের মাঝে।
জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহপ্রচার সম্পাদক জাহিদ মালিথা বলেন, ‘জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসভাপতি আল আমিন মালিথা স্থানীয় ছাত্রদের স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে জোর করে মিছিলে নিয়ে যান। কেউ কাজে বের হলে তাকে কাজ বাদ দিয়ে মিছিলে যেতে চাপ দেন। এ ছাড়া এলাকায় মাদক ব্যবসাসহ নানা অপকর্মে জড়িত আল আমিন মালিথা। এসবের প্রতিবাদ জানাই এলাকার মুরব্বিসহ আমরা। আর প্রতিবাদ করার কারণে গতকাল সোমবার আমার বাড়িতে সে অস্ত্র নিয়ে এসে হামলা চালায় ও ভাঙচুর করে।’
অভিযুক্ত আল আমিন মালিথার চাচা আইনুল মালিথা বলেন, ‘তাঁর বাড়ির সঙ্গে আমার বাড়ি। সেখানে আমি বাড়ি করার জন্য ইট খোয়া এনেছি। এখন সে আমাকে বাড়ি করতে দিচ্ছে না। মিস্ত্রিরা কাজ করতে এসেছিল। আল আমিন মালিথা বলেছে, কাজ শুরু করলে হাত কেটে দিবে। কারণ সে আমার জায়গা দখলে নিবে। আমি এখন গোয়ালঘরের মতো বসবাস করছি তার অত্যাচারে।’
এদিকে, হামলার নেতৃত্ব দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন অভিযুক্ত আল আমিন মালিথা। তবে তিনি দোষ চাপানোর চেষ্টা করেন ভুক্তভোগী সাবেক ছাত্রলীগ নেতা জাহিদ মালিথার ওপর।
তিনি মোবাইল ফোনে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘জাহিদ আমার ছেলেপেলেদের হুমকি দিয়েছে মিছিল মিটিং করা যাবে না। আল আমিনের সঙ্গে চলা যাবে না। এটাকে কেন্দ্র করেই ঘটনা। আমি ঘটনার সঙ্গে জড়িত নই এটা বলব না। আমি ছিলাম। যেহেতু ভিডিওতে আমাকে দেখা যাচ্ছে। এটাতো আমি অস্বীকার করতে পারি না।’
এ বিষয়ে জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আহমেদ শরীফ ডাবলু বলেন, ‘এটা দুঃখজনক ঘটনা। নিজ দলের লোকজনের মধ্যে বিরোধে জড়ানো তাঁর ঠিক হয়নি। আল আমিন মালিথার বিরুদ্ধে অভিযোগ আসছে। তিনি যদি অতি উৎসাহী হয়ে এই কাজ করে থাকেন তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেব। এই সংগঠনে বিশৃঙ্খলাকারীদের স্থান নেই।’
পাবনার পুলিশ সুপার আকবর আলী মুনসী বলেন, ‘ঘটনাটি পুলিশের নজরে এসেছে। আমাদের পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তবে অভিযুক্তকে পাওয়া যায়নি। তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। লিখিত অভিযোগটি মামলা হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে। যারাই এর সঙ্গে জড়িত থাকুক, তাদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে।’

জমি দখল, নিজ দলের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা-ভাঙচুরসহ নানা অভিযোগ উঠেছে পাবনা জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসভাপতি আল আমিন মালিথার বিরুদ্ধে। গতকাল সোমবার বিকেলের দিকে তাঁর নেতৃত্বে এক সাবেক ছাত্রলীগ নেতার বাড়িতে হামলার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়।
এ ঘটনায় জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহপ্রচার সম্পাদক জাহিদ মালিথা বাদী হয়ে আজ মঙ্গলবার সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। যেখানে আল আমিন মালিথাসহ ছয়জনের নামে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৬ থেকে ৭ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গতকাল সোমবার বিকেলে পাবনা সদরের ছাতিয়ানী এলাকায় জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহপ্রচার সম্পাদক জাহিদ মালিথার বাড়িতে সশস্ত্র হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। সিসিটিভির ফুটেজে দেখা যায়, পাবনা জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসভাপতি আল আমিন মালিথার নেতৃত্বে সশস্ত্র হামলা চালায় তাঁর সমর্থিত একদল যুবক। এ সময় সাবেক ছাত্রলীগ নেতার বাড়িটিতে এলোপাতাড়ি ভাঙচুর চালায় তাঁরা। এ হামলায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে স্থানীয়দের মাঝে।
জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহপ্রচার সম্পাদক জাহিদ মালিথা বলেন, ‘জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসভাপতি আল আমিন মালিথা স্থানীয় ছাত্রদের স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে জোর করে মিছিলে নিয়ে যান। কেউ কাজে বের হলে তাকে কাজ বাদ দিয়ে মিছিলে যেতে চাপ দেন। এ ছাড়া এলাকায় মাদক ব্যবসাসহ নানা অপকর্মে জড়িত আল আমিন মালিথা। এসবের প্রতিবাদ জানাই এলাকার মুরব্বিসহ আমরা। আর প্রতিবাদ করার কারণে গতকাল সোমবার আমার বাড়িতে সে অস্ত্র নিয়ে এসে হামলা চালায় ও ভাঙচুর করে।’
অভিযুক্ত আল আমিন মালিথার চাচা আইনুল মালিথা বলেন, ‘তাঁর বাড়ির সঙ্গে আমার বাড়ি। সেখানে আমি বাড়ি করার জন্য ইট খোয়া এনেছি। এখন সে আমাকে বাড়ি করতে দিচ্ছে না। মিস্ত্রিরা কাজ করতে এসেছিল। আল আমিন মালিথা বলেছে, কাজ শুরু করলে হাত কেটে দিবে। কারণ সে আমার জায়গা দখলে নিবে। আমি এখন গোয়ালঘরের মতো বসবাস করছি তার অত্যাচারে।’
এদিকে, হামলার নেতৃত্ব দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন অভিযুক্ত আল আমিন মালিথা। তবে তিনি দোষ চাপানোর চেষ্টা করেন ভুক্তভোগী সাবেক ছাত্রলীগ নেতা জাহিদ মালিথার ওপর।
তিনি মোবাইল ফোনে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘জাহিদ আমার ছেলেপেলেদের হুমকি দিয়েছে মিছিল মিটিং করা যাবে না। আল আমিনের সঙ্গে চলা যাবে না। এটাকে কেন্দ্র করেই ঘটনা। আমি ঘটনার সঙ্গে জড়িত নই এটা বলব না। আমি ছিলাম। যেহেতু ভিডিওতে আমাকে দেখা যাচ্ছে। এটাতো আমি অস্বীকার করতে পারি না।’
এ বিষয়ে জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আহমেদ শরীফ ডাবলু বলেন, ‘এটা দুঃখজনক ঘটনা। নিজ দলের লোকজনের মধ্যে বিরোধে জড়ানো তাঁর ঠিক হয়নি। আল আমিন মালিথার বিরুদ্ধে অভিযোগ আসছে। তিনি যদি অতি উৎসাহী হয়ে এই কাজ করে থাকেন তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেব। এই সংগঠনে বিশৃঙ্খলাকারীদের স্থান নেই।’
পাবনার পুলিশ সুপার আকবর আলী মুনসী বলেন, ‘ঘটনাটি পুলিশের নজরে এসেছে। আমাদের পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তবে অভিযুক্তকে পাওয়া যায়নি। তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। লিখিত অভিযোগটি মামলা হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে। যারাই এর সঙ্গে জড়িত থাকুক, তাদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে।’

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া স্টেশনে ট্রেনের বগি থেকে মোজাহার আলী (৬০) নামের এক বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার করছে পুলিশ। তিনি উপজেলার ঘুড়িদহ ইউনিয়নের মতরপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল সর্দারের ছেলে।
৮ মিনিট আগে
মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী সরকারি আরএসকেএইচ ইনস্টিটিউশন মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশদ্বারের পাশেই সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে নির্মাণ করা হয় একটি পাবলিক টয়লেট (ওয়াশ ব্লক)। কিন্তু উদ্বোধনের পর প্রায় আড়াই বছরেও ১৬ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে নির্মিত...
১ ঘণ্টা আগে
ফিরোজ দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে ঢাকায় থেকে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকের কারবার করে আসছিলেন। ঢাকায় তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় প্রায় পাঁচ বছর আগে তিনি টঙ্গিবাড়ীর দক্ষিণ বেতকা গ্রামে খালুর বাড়িতে এসে বসবাস শুরু করেন। সেখানে থেকেই তিনি মাদকের কারবার চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৬ ঘণ্টা আগে