শাজাহানপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি

বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলায় গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাতে ছুরিকাঘাতে খুন হন অ্যাম্বুলেন্সচালক জহুরুল ইসলাম (৪৩)। উপজেলার জাহাঙ্গীরাবাদ চককানপাড়া এলাকায় হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় নিহত ব্যক্তির বড় ভাই বাকেরুল ইসলাম বাদী হয়ে ৬ জনের নাম উল্লেখসহ ১০ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন। পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মৃত আবুল হোসেনের ছেলে মো. আব্দুস সালাম সেলিম (৪৩), মৃত আফতাব শেখের ছেলে মো. হারুন প্রামাণিক (৫০), মো. আবদুস সালাম সেলিমের ছেলে মো. সাদিক (২০)।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, অ্যাম্বুলেন্সের ভাড়ার টাকা নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে মামলার আসামিদের হাতে জহুরুল ইসলাম খুন হয়েছেন।
নিহত ব্যক্তির পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ঘটনার দিন শুক্রবার সন্ধ্যায় ভাড়ার টাকা নিয়ে জহুরুলের সঙ্গে সেলিম, হারুন, সাদিকসহ বেশ কয়েকজনের দ্বন্দ্ব হয়। এর জেরে তখন অ্যাম্বুলেন্সের লাইট ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই দিনই দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে হেঁটে বাড়িতে ফিরছিলেন জহুরুল। পথিমধ্যে হোটেল নাজ গার্ডেনের পেছনে জহুরুলকে ছুরিকাঘাত করা হয়। আহত অবস্থায় জহুরুল বাড়িতে গেলে পরিবারের লোকজন তাঁকে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেন। এ সময় কর্তব্যরত চিকিৎসক জহুরুলকে মৃত ঘোষণা করেন।
কৈগাড়ি পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক রাজু কামাল আজকের পত্রিকাকে জানান, তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে খুনের ঘটনা ঘটেছে। নিহত ব্যক্তির পরিবার জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করেছে। অভিযান চালিয়ে নিজ বাড়ি থেকে ৩ জনতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেপ্তারে মাঠে রয়েছে পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলায় গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাতে ছুরিকাঘাতে খুন হন অ্যাম্বুলেন্সচালক জহুরুল ইসলাম (৪৩)। উপজেলার জাহাঙ্গীরাবাদ চককানপাড়া এলাকায় হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় নিহত ব্যক্তির বড় ভাই বাকেরুল ইসলাম বাদী হয়ে ৬ জনের নাম উল্লেখসহ ১০ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন। পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মৃত আবুল হোসেনের ছেলে মো. আব্দুস সালাম সেলিম (৪৩), মৃত আফতাব শেখের ছেলে মো. হারুন প্রামাণিক (৫০), মো. আবদুস সালাম সেলিমের ছেলে মো. সাদিক (২০)।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, অ্যাম্বুলেন্সের ভাড়ার টাকা নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে মামলার আসামিদের হাতে জহুরুল ইসলাম খুন হয়েছেন।
নিহত ব্যক্তির পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ঘটনার দিন শুক্রবার সন্ধ্যায় ভাড়ার টাকা নিয়ে জহুরুলের সঙ্গে সেলিম, হারুন, সাদিকসহ বেশ কয়েকজনের দ্বন্দ্ব হয়। এর জেরে তখন অ্যাম্বুলেন্সের লাইট ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই দিনই দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে হেঁটে বাড়িতে ফিরছিলেন জহুরুল। পথিমধ্যে হোটেল নাজ গার্ডেনের পেছনে জহুরুলকে ছুরিকাঘাত করা হয়। আহত অবস্থায় জহুরুল বাড়িতে গেলে পরিবারের লোকজন তাঁকে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেন। এ সময় কর্তব্যরত চিকিৎসক জহুরুলকে মৃত ঘোষণা করেন।
কৈগাড়ি পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক রাজু কামাল আজকের পত্রিকাকে জানান, তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে খুনের ঘটনা ঘটেছে। নিহত ব্যক্তির পরিবার জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করেছে। অভিযান চালিয়ে নিজ বাড়ি থেকে ৩ জনতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেপ্তারে মাঠে রয়েছে পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মনিরুল ইসলাম জানান, শুক্রবার সকালে তিন মাছ ব্যবসায়ী মাওনা বাজার এলাকার পিয়ার আলী কলেজের পুকুরে জাল টানতে নামেন। এ সময় জালে একটি ব্যাগ উঠে আসে। ব্যাগটি খোলার পর বোমাসদৃশ বস্তু দেখতে পেয়ে তাঁরা পুলিশে খবর দেন।
৩ মিনিট আগে
শ্যামপুর গ্রামের সামছুল হক ৭ জানুয়ারি রাজনৈতিক মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন। ১৩ জানুয়ারি রাতে কুর্শা ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ আব্দুল হালিম তাঁদের বাড়িতে গিয়ে দাবি করেন, সামছুল কারাগারে হার্ট স্ট্রোক করেছেন এবং রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
৬ মিনিট আগে
রাঙামাটির আসাম বস্তি-কাপ্তাই সড়কের কামিল্লাছড়ি মগবান এলাকায় গাছবোঝাই একটি মিনি পিকআপ খাদে পড়ে দুই শ্রমিক নিহত এবং একজন গুরুতর আহত হয়েছেন। নিহত ব্যক্তিরা হলেন সাদেক চাকমা (৩৮) ও মিলন চাকমা (৫০)। আহত শ্রমিক বিনয় চাকমা (৩৫) বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
১৫ মিনিট আগে
রাত ১টার দিকে লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ থেকে তাঁরা নোয়াখালী সদর উপজেলার বিনোদপুরের উদ্দেশে রওনা হন। সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসের সামনে ফোর লেন সড়কের টার্নিং থেকে ইউটার্ন নেওয়ার সময় একটি মুরগিবাহী পিকআপ মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেয়। এতে মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে অভি দেবনাথ ঘটনাস্থলেই...
৩০ মিনিট আগে