
রাজশাহীর পুঠিয়ায় আগুনে একটি মোটরসাইকেল গ্যারেজ ও সঙ্গে থাকা বাড়ি পুড়ে গেছে। আজ শুক্রবার ভোরে উপজেলার রাজবাড়ীসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী মকছেদ আলী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘প্রতিদিনের মতো খাবার শেষ করে পরিবারের সবাই ঘুমিয়ে যাই। শুক্রবার ভোরের দিকে হঠাৎ আগুনের তাপে ঘুম ভেঙে যায়। সে সময় কোনোমতে সবাই প্রাণ নিয়ে বের হতে পেরেছিলাম। তবে ঘরে ও দোকানে থাকা কোনো কিছুই রক্ষা করতে পারিনি।
ভুক্তভোগীর ছেলে ও মোটরসাইকেল গ্যারেজের মালিক সুমন আলী বলেন, গ্যারেজে চারটি হোন্ডা, বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ও মবিলসহ প্রায় ৬ লাখ টাকার মালামাল ছিল। এ ছাড়া বাড়ি ও ঘরের ভেতরে থাকা সব আসবাবপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আমাদের নিজস্ব জমি নেই। দীর্ঘদিন ধরে পরিবার নিয়ে রাজপরগণার জায়গায় বসবাস ও ব্যবসা করে আসছি। আজ আগুনে পুড়ে গেছে আমার সবকিছু। এখন পুরো পরিবার নিয়ে রাস্তায় নেমে গেছি।
এ ব্যাপারে পুঠিয়া ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে এর আগেই দোকান ও বাড়িটির বেশির ভাগ অংশ পুড়ে গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বিদ্যুতের শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।’

মৌলভীবাজার সদর ও রাজনগর উপজেলায় ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে সুপেয় পানি সরবরাহ ও স্বাস্থ্যসম্মত শৌচাগার স্থাপনের প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল। সেই কাজ একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়ে বাগিয়ে নেন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের ড্রাফটসম্যান শাহিন আলম। এখন সেই প্রতিষ্ঠান লাপাত্তা।
৪ ঘণ্টা আগে
পরীক্ষার কক্ষে সবাই বেঞ্চে বসে লিখে যাচ্ছেন খাতায়। তাঁদের পাশে বসে লিখছেন আরেক শিক্ষার্থী কলি রানী। তাঁকে দেওয়া হয়েছে ছোট বেঞ্চ। আর সেখানে বসেই মনোযোগসহকারে পা দিয়ে উত্তর লিখে যাচ্ছেন তিনি।
৫ ঘণ্টা আগে
মৌলভীবাজারে তীব্র ওষুধসংকট, জনবল ঘাটতি, দায়িত্বে অবহেলাসহ নানা সমস্যায় জর্জরিত কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো। ফলে জেলার প্রত্যন্ত এলাকার প্রায় ১১ লাখ মানুষ এসব ক্লিনিক থেকে প্রয়োজনীয় ওষুধসহ কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছে না। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলের বয়স্ক, গর্ভবতী নারী ও নিম্ন আয়ের মানুষ সবচেয়ে বেশি ভুক্তভোগী।
৫ ঘণ্টা আগে
আড়াই বছর ধরে থমকে রয়েছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) কৃষি যান্ত্রিকীকরণের প্রকল্প। গত ১১ মাস বেতন পাচ্ছেন না প্রকল্পটির ৭৭ কর্মকর্তা-কর্মচারী। অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে প্রশ্নবিদ্ধ প্রকল্পটির সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মন্ত্রণালয়ের অসহযোগিতার কারণে টাকা থাকা সত্ত্বেও সারা দেশে এর কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে